ঢাকা ০৮:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আসন সমঝোতা হলেও জোটের রাজনৈতিক গুরুত্ব আছে: নাহিদ ইসলাম অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত বিপিএল এসএসসি পরীক্ষা শুরু ২১ এপ্রিল, সময়সূচি প্রকাশ গণঅভ্যুত্থান সুরক্ষা ও দায়মুক্তি নির্ধারণ আইন অনুমোদন হয়েছে : আসিফ নজরুল বিএনপি ক্ষমতায় এলে দেশের ঘরে ঘরে নারীদের ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে: দুলু জামায়াত জোটের আসন ভাগাভাগি চূড়ান্ত, রাতে প্রার্থী ঘোষণা শহীদ হাদি হত্যা মামলায় নতুন মোড়, পুনরায় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে আদালত নির্বাচন ঘিরে একটি পক্ষ ইচ্ছাকৃত বিভ্রান্তি তৈরি করতে চাইছে,সতর্ক থাকার আহ্বান : মির্জা আব্বাস আবারও ঢাকায় শিক্ষার্থীদের অবরোধ, মানুষের ভোগান্তি ‘আগামীতে যারা ক্ষমতায় যাবেন তারা যেন প্রবাসীদের নিয়ে কাজ করেন’:নজরুল ইসলাম

যৌনতায় অরাজি! ২৪ ঘন্টায় ২৪ বার ধর্ষণ করা হয় মহিলাকে

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

ইয়াজিদিদের ওপর, বিশেষ করে ইয়াজিদি মেয়েদের ওপর আইএসআইএস জঙ্গিদের অত্যাচারের কথা নতুন নয়৷ আট হোক বা আশি, সব বয়সের মেয়েদের ওপরেই চোখ এই জঙ্গিগোষ্ঠীর৷ সুযোগ পেলেই ধরপাকড়, অত্যাচার, গণহত্যা তো রয়েছেই, সেই সঙ্গে রয়েছে নিত্য নতুন অত্যাচার, যা শুনলে শিউরে উঠবে যে কেউ৷ দুঃস্বপ্নেও এমন ঘটনার কথা ভাবতে পারবেন না আপনি৷ মেয়েদের ওপর হওয়া এমনই কিছু অত্যাচারের কথা জানিয়েছে খোদ অত্যাচারিত যৌনদাসীরা, যারা কোনওক্রমে পালিয়ে আসে এই জঙ্গিদের ডেরা থেকে৷

সুযোগের অপেক্ষা৷ আর সময়মতো কার্যসিদ্ধি৷ এমনই মন্ত্রে বছরের পর বছর নিজেদের কামনা বাসনা চরিতার্থ করে চলেছে এই জঙ্গিগোষ্ঠী৷ তাদের রাগ, তাদের আক্রোশ থেকে বাঁচতে পারে না একরত্তি মেয়েরাও৷ ১-৯বছর বয়সের বাচ্চারা তাদের কাছে মণি-মানিক্যের থেকেও দামি৷ পরিণত বয়সে যৌনদাসী হিসেবে ব্যবহার করার আগেই, ছোটবেলাতেই বিক্রি করে দেওয়া হয় এদের৷ আর এক্ষেত্রে ছোটদের মূল্য সব থেকে বেশি ধার্য করেছে এই জঙ্গিরা৷ ইয়াজিদি নারী এবং শিশুদের অপহরণ করার পর তাদের অবর্ণনীয় কুমারিত্ব পরীক্ষায়র জন্য পাঠানো হয়, নির্দিষ্ট জায়গায়৷ তারপর পরীক্ষার ফলাফলই তাদের মূল্য ধার্য করে দেয়, আর সেই অনুযায়ীই তাদের পাঠানো হয় বিভিন্ন জায়গায় যৌনদাসী হিসেবে৷

এই অত্যাচার থেকে বাঁচতে যে সব মেয়েরা নিজেদের সৌন্দর্য নানাভাবে লুকিয়ে রাখার চেষ্টা করে, তাদের ভাগ্যে আরও নির্যাতন জোটে৷ তাদের প্রিয়জন, পরিবারের সদস্য অথবা স্বামী-পুত্রকে চোখের সামনে নির্মমভাবে হত্যা করে এই জঙ্গিরা৷ শোনা যায়, বারবার ধর্ষণের শিকার হয়ে এমনই এক মহিলা আগুণের ওপর ঝাঁপ দেয়, নিজের সৌন্দর্য নষ্ট করার জন্য৷ যৌন কার্যে সম্মতি না দিলে, অকথ্য অত্যাচারের শিকার হতে হয় তাদের৷ এমনকি লোহার খাঁচার মধ্যে তাদের ঢুকিয়ে অগ্নিসংযোগের খবরও শোনা গিয়েছে৷

শুধু তাই নয়, এরা অনেকক্ষেত্রে মেয়েদের অপহরণ করে বিক্রিও করে না, রেখে দেয় নিজেদের কাছেই৷ নিজেদের ভোগবিলাসের জন্য এরা ঘন ঘন অপহরণ করে, অথবা মেয়ে কেনা বেচা করে৷ সারাদিন ধরে চলে যৌন নির্যাতন৷ আর সেই কাজে বাধা দিলে ভাগ্যে জোটে প্রহার৷ সেই সঙ্গে বাড়ির কাজ, হাজার এক ফাই ফরমাশও মেনে চলতে হয় এই মেয়েদের৷ খাওয়া দাওয়া যাকে বলে নাম কে ওয়াস্তে, শুধুই শরীর শরীর খেলায় এই জঙ্গি গোষ্ঠী পিষে ফেলে হাজার হাজার শরীর৷ তাদের লালসার হাত থেকে রেহাই পায়না, ৭ বছরের বাচ্চাও৷ রেহাই পায় না গর্ভবতী মহিলা৷

আত্মহত্যা করতে গিয়েও দুর্ভাগ্যক্রমে যারা বেঁচে যায়, তাদের পরিণাম শুনলে আরও ভয়ে শিউরে উঠবেন আপনিও৷ ২৪ঘন্টায় ২৪ বারের বেশিও ধর্ষিতা হয়েছে বহু মেয়ে৷ তাঁদের জীবনের কোনো দামই নেই এইসব জঙ্গিদের কাছে৷ যতক্ষণ মেয়েদের শরীরে যতক্ষণ প্রাণ আছে, ততক্ষণই তাদের ভোগ করে চলে এরা৷ শুধুমাত্র ভোগ্যপণ্য আর অত্যাচারের জন্য দিনের পর দিন এরা এই খেলায় মেতে রয়েছে৷ চলছে অপহরণ, খুন, ধর্ষণ৷ পালিয়ে আসা মেয়েরা আজ অনেকেই মানসিক চিকিৎসার মধ্যে দিয়ে ধীরে ধীরে সুস্থ জীবনে ফিরে আসার চেষ্টায়৷ তবে অত্যাচারের সেই দিনরাত্রি সত্যিই কি স্মৃতি থেকে মুছে ফেলা সম্ভব৷ নাকি তাকে ভুলতে গেলে বারবার চোখের সামনে ভেসে ওঠে ভয়ঙ্কর সেই মুহুর্তগুলো, যেখানে নারী শুধুই সেক্সটয়, যা ইউজ় অ্যান্ড থ্রো-এর বেশি কিছু নয়৷

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যৌনতায় অরাজি! ২৪ ঘন্টায় ২৪ বার ধর্ষণ করা হয় মহিলাকে

আপডেট সময় ১২:১৪:২০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

ইয়াজিদিদের ওপর, বিশেষ করে ইয়াজিদি মেয়েদের ওপর আইএসআইএস জঙ্গিদের অত্যাচারের কথা নতুন নয়৷ আট হোক বা আশি, সব বয়সের মেয়েদের ওপরেই চোখ এই জঙ্গিগোষ্ঠীর৷ সুযোগ পেলেই ধরপাকড়, অত্যাচার, গণহত্যা তো রয়েছেই, সেই সঙ্গে রয়েছে নিত্য নতুন অত্যাচার, যা শুনলে শিউরে উঠবে যে কেউ৷ দুঃস্বপ্নেও এমন ঘটনার কথা ভাবতে পারবেন না আপনি৷ মেয়েদের ওপর হওয়া এমনই কিছু অত্যাচারের কথা জানিয়েছে খোদ অত্যাচারিত যৌনদাসীরা, যারা কোনওক্রমে পালিয়ে আসে এই জঙ্গিদের ডেরা থেকে৷

সুযোগের অপেক্ষা৷ আর সময়মতো কার্যসিদ্ধি৷ এমনই মন্ত্রে বছরের পর বছর নিজেদের কামনা বাসনা চরিতার্থ করে চলেছে এই জঙ্গিগোষ্ঠী৷ তাদের রাগ, তাদের আক্রোশ থেকে বাঁচতে পারে না একরত্তি মেয়েরাও৷ ১-৯বছর বয়সের বাচ্চারা তাদের কাছে মণি-মানিক্যের থেকেও দামি৷ পরিণত বয়সে যৌনদাসী হিসেবে ব্যবহার করার আগেই, ছোটবেলাতেই বিক্রি করে দেওয়া হয় এদের৷ আর এক্ষেত্রে ছোটদের মূল্য সব থেকে বেশি ধার্য করেছে এই জঙ্গিরা৷ ইয়াজিদি নারী এবং শিশুদের অপহরণ করার পর তাদের অবর্ণনীয় কুমারিত্ব পরীক্ষায়র জন্য পাঠানো হয়, নির্দিষ্ট জায়গায়৷ তারপর পরীক্ষার ফলাফলই তাদের মূল্য ধার্য করে দেয়, আর সেই অনুযায়ীই তাদের পাঠানো হয় বিভিন্ন জায়গায় যৌনদাসী হিসেবে৷

এই অত্যাচার থেকে বাঁচতে যে সব মেয়েরা নিজেদের সৌন্দর্য নানাভাবে লুকিয়ে রাখার চেষ্টা করে, তাদের ভাগ্যে আরও নির্যাতন জোটে৷ তাদের প্রিয়জন, পরিবারের সদস্য অথবা স্বামী-পুত্রকে চোখের সামনে নির্মমভাবে হত্যা করে এই জঙ্গিরা৷ শোনা যায়, বারবার ধর্ষণের শিকার হয়ে এমনই এক মহিলা আগুণের ওপর ঝাঁপ দেয়, নিজের সৌন্দর্য নষ্ট করার জন্য৷ যৌন কার্যে সম্মতি না দিলে, অকথ্য অত্যাচারের শিকার হতে হয় তাদের৷ এমনকি লোহার খাঁচার মধ্যে তাদের ঢুকিয়ে অগ্নিসংযোগের খবরও শোনা গিয়েছে৷

শুধু তাই নয়, এরা অনেকক্ষেত্রে মেয়েদের অপহরণ করে বিক্রিও করে না, রেখে দেয় নিজেদের কাছেই৷ নিজেদের ভোগবিলাসের জন্য এরা ঘন ঘন অপহরণ করে, অথবা মেয়ে কেনা বেচা করে৷ সারাদিন ধরে চলে যৌন নির্যাতন৷ আর সেই কাজে বাধা দিলে ভাগ্যে জোটে প্রহার৷ সেই সঙ্গে বাড়ির কাজ, হাজার এক ফাই ফরমাশও মেনে চলতে হয় এই মেয়েদের৷ খাওয়া দাওয়া যাকে বলে নাম কে ওয়াস্তে, শুধুই শরীর শরীর খেলায় এই জঙ্গি গোষ্ঠী পিষে ফেলে হাজার হাজার শরীর৷ তাদের লালসার হাত থেকে রেহাই পায়না, ৭ বছরের বাচ্চাও৷ রেহাই পায় না গর্ভবতী মহিলা৷

আত্মহত্যা করতে গিয়েও দুর্ভাগ্যক্রমে যারা বেঁচে যায়, তাদের পরিণাম শুনলে আরও ভয়ে শিউরে উঠবেন আপনিও৷ ২৪ঘন্টায় ২৪ বারের বেশিও ধর্ষিতা হয়েছে বহু মেয়ে৷ তাঁদের জীবনের কোনো দামই নেই এইসব জঙ্গিদের কাছে৷ যতক্ষণ মেয়েদের শরীরে যতক্ষণ প্রাণ আছে, ততক্ষণই তাদের ভোগ করে চলে এরা৷ শুধুমাত্র ভোগ্যপণ্য আর অত্যাচারের জন্য দিনের পর দিন এরা এই খেলায় মেতে রয়েছে৷ চলছে অপহরণ, খুন, ধর্ষণ৷ পালিয়ে আসা মেয়েরা আজ অনেকেই মানসিক চিকিৎসার মধ্যে দিয়ে ধীরে ধীরে সুস্থ জীবনে ফিরে আসার চেষ্টায়৷ তবে অত্যাচারের সেই দিনরাত্রি সত্যিই কি স্মৃতি থেকে মুছে ফেলা সম্ভব৷ নাকি তাকে ভুলতে গেলে বারবার চোখের সামনে ভেসে ওঠে ভয়ঙ্কর সেই মুহুর্তগুলো, যেখানে নারী শুধুই সেক্সটয়, যা ইউজ় অ্যান্ড থ্রো-এর বেশি কিছু নয়৷