ঢাকা ০৮:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হাজী সেলিমের ২০ বছরের অবৈধ স্থাপনা গুড়িয়ে দিল ঢাকা জেলা প্রশাসন অন্য বিষয়ে অতিরিক্ত মনোযোগ না দিয়ে আইনশৃঙ্খলার উন্নয়ন করুন:স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে আদিব গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী হলে সংসদ হবে মাইলফলক : মঈন খান ঢাবি মসজিদে সাদিক কায়েমের বিয়ে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ২০ বসতঘর পুড়ে ছাই একটি মহল জুলাই সনদ নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা চালাচ্ছে’:মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী মৃত ঘোষণা, কবর খোঁড়ার পর নড়েচড়ে উঠলেন যুবক মালয়েশিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি যুবক নিহত চলতি অর্থবছরে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়ে ৩০ দশমিক ৯৪ বিলিয়ন ডলার ড্রেন ও খালে ময়লা না ফেলার আহ্বান ডিএনসিসি প্রশাসকের

পাকিস্তানে দর্জির মেয়ের ইতিহাস, এমবিবিএস-এ ১৭টি স্বর্ণপদক জয়

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক : 

খাইবার গার্লস মেডিকেল কলেজের (কেজিএমসি) ইতিহাসে এক অনন্য রেকর্ড গড়েছেন পাকিস্তানের হরিপুরের অদম্য মেধাবী শিক্ষার্থী কান্দিল মুর্তজা। ২০২৬ সালের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে তিনি এমবিবিএস কোর্সে অসাধারণ ফলাফলের স্বীকৃতিস্বরূপ রেকর্ডসংখ্যক ১৭টি স্বর্ণপদক অর্জন করেছেন।

পেশোয়ারে আয়োজিত এই সমাবর্তন অনুষ্ঠানে কান্দিলের হাতে পদকগুলো তুলে দেন সোহাইল আফ্রিদি। এ সময় মঞ্চে কান্দিলের পাশে উপস্থিত ছিলেন তার গর্বিত বাবা।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, একজন দর্জি হয়েও শত কষ্টের মাঝে সন্তানদের উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত করার সাফল্যের এক আবেগঘন মুহূর্ত। কলেজের ইতিহাসে এর আগে আর কোনো শিক্ষার্থীর এত বেশি স্বর্ণপদক অর্জনের নজির নেই।

অনুষ্ঠানে কান্দিল ছাড়াও আরও বেশ কজন মেধাবী শিক্ষার্থীকে তাদের কৃতিত্বের জন্য পুরস্কৃত করা হয়। তাদের মধ্যে মুকাদ্দাস ১০টি স্বর্ণপদক এবং সাবীহ ৭টি স্বর্ণপদক অর্জন করেন।

সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে কান্দিলের বাবা তার পরিবারের শিক্ষাগত অর্জনের বিস্তারিত তুলে ধরেন। তিনি অত্যন্ত গর্বের সঙ্গে জানান যে, তার অন্য সন্তানরাও নিজ নিজ ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত।

কান্দিলের এক বোন বর্তমানে খাইবার মেডিকেল কলেজে পড়াশোনা করছেন। অন্য এক বোন ফেডারেল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সিতে (এফআইএ) গ্রেড-১৭ অফিসার হিসেবে কর্মরত। আরেক মেয়ে পিএইচডি সম্পন্ন করে বর্তমানে ইসলামাবাদে কর্মরত আছেন।

তাদের একমাত্র ছেলেও একজন প্রকৌশলী।

কান্দিলের এই অসামান্য সাফল্য অনলাইন দুনিয়ায় ব্যাপক প্রশংসিত হচ্ছে। প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে লড়াই করে তার এই বিজয় এবং একটি সাধারণ পরিবারের উচ্চশিক্ষার প্রতি যে একাগ্রতা, তা এখন দেশটির লাখো শিক্ষার্থীর জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ষষ্ঠবার ক্যানসার আক্রান্ত স্ত্রী, ছায়া হয়ে আছেন বাস্তবের ‘ফ্যামিলি ম্যান’ শারিব

পাকিস্তানে দর্জির মেয়ের ইতিহাস, এমবিবিএস-এ ১৭টি স্বর্ণপদক জয়

আপডেট সময় ০৪:৩৫:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক : 

খাইবার গার্লস মেডিকেল কলেজের (কেজিএমসি) ইতিহাসে এক অনন্য রেকর্ড গড়েছেন পাকিস্তানের হরিপুরের অদম্য মেধাবী শিক্ষার্থী কান্দিল মুর্তজা। ২০২৬ সালের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে তিনি এমবিবিএস কোর্সে অসাধারণ ফলাফলের স্বীকৃতিস্বরূপ রেকর্ডসংখ্যক ১৭টি স্বর্ণপদক অর্জন করেছেন।

পেশোয়ারে আয়োজিত এই সমাবর্তন অনুষ্ঠানে কান্দিলের হাতে পদকগুলো তুলে দেন সোহাইল আফ্রিদি। এ সময় মঞ্চে কান্দিলের পাশে উপস্থিত ছিলেন তার গর্বিত বাবা।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, একজন দর্জি হয়েও শত কষ্টের মাঝে সন্তানদের উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত করার সাফল্যের এক আবেগঘন মুহূর্ত। কলেজের ইতিহাসে এর আগে আর কোনো শিক্ষার্থীর এত বেশি স্বর্ণপদক অর্জনের নজির নেই।

অনুষ্ঠানে কান্দিল ছাড়াও আরও বেশ কজন মেধাবী শিক্ষার্থীকে তাদের কৃতিত্বের জন্য পুরস্কৃত করা হয়। তাদের মধ্যে মুকাদ্দাস ১০টি স্বর্ণপদক এবং সাবীহ ৭টি স্বর্ণপদক অর্জন করেন।

সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে কান্দিলের বাবা তার পরিবারের শিক্ষাগত অর্জনের বিস্তারিত তুলে ধরেন। তিনি অত্যন্ত গর্বের সঙ্গে জানান যে, তার অন্য সন্তানরাও নিজ নিজ ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত।

কান্দিলের এক বোন বর্তমানে খাইবার মেডিকেল কলেজে পড়াশোনা করছেন। অন্য এক বোন ফেডারেল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সিতে (এফআইএ) গ্রেড-১৭ অফিসার হিসেবে কর্মরত। আরেক মেয়ে পিএইচডি সম্পন্ন করে বর্তমানে ইসলামাবাদে কর্মরত আছেন।

তাদের একমাত্র ছেলেও একজন প্রকৌশলী।

কান্দিলের এই অসামান্য সাফল্য অনলাইন দুনিয়ায় ব্যাপক প্রশংসিত হচ্ছে। প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে লড়াই করে তার এই বিজয় এবং একটি সাধারণ পরিবারের উচ্চশিক্ষার প্রতি যে একাগ্রতা, তা এখন দেশটির লাখো শিক্ষার্থীর জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছে।