ঢাকা ১২:২৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ২৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জনগণের চাহিদা অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার হওয়া উচিত: ঢাবি উপাচার্য বিদেশিদের গোলামি নয়: চরমোনাই পীর ‘প্রতিনিধি হিসেবে জনগণের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্ক বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ’:আখতার হোসেন প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগগুলো কোটি মানুষের, কোটি পরিবারের সমৃদ্ধি আসবে: উপদেষ্টা মাহদী আমিন স্টারমারের পদত্যাগ চাইলেন তার দলেরই ৮১ এমপি সীমান্তের নিরাপত্তা রক্ষা আমাদের অগ্রাধিকার: রণধীর জয়সোয়াল শেখ হাসিনার সব অপকর্মের রেকর্ড জুলাই জাদুঘরে: স্পিকার বিএনপি-জামায়াতসহ সবার মতামত নিয়েই বাণিজ্য চুক্তি হয়েছিল:ফরিদা আখতার অটিজমে আক্রান্তদের পূর্ণ মর্যাদায় বেঁচে থাকার অধিকার রয়েছে: প্রধানমন্ত্রী সরকার স্বাস্থ্যখাতকে ঢেলে সাজাতে কাজ শুরু করেছে : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

সীমান্তের নিরাপত্তা রক্ষা আমাদের অগ্রাধিকার: রণধীর জয়সোয়াল

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক : 

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার জন্য ভারতের সীমান্ত রক্ষা বাহিনী বিএসএফকে প্রয়োজনীয় জমি ৪৫ দিনের মধ্যে হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের নবনির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এমন সিদ্ধান্ত ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে প্রভাব ফেলবে কিনা- প্রশ্নের জবাবে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল বলেছেন, ‘সীমান্তের নিরাপত্তা রক্ষা আমাদের অগ্রাধিকার। এই সিদ্ধান্ত আমরা সেই দৃষ্টিতেই দেখি।’ তবে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে এর প্রভাব পড়বে কিনা, এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি তিনি।

মঙ্গলবার নয়াদিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন জয়সোয়াল।

পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনী ফলাফল বাংলাদেশে কোনো কোনো মহলে ভিন্ন প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে বলে প্রকাশিত খবরের বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে জয়সোয়াল বলেন, ‘আমরা ইতিমধ্যেই ইঙ্গিত দিয়েছি যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে ভারত ইতিবাচক করে তুলতে চায়। ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখতে চায়। সেই মনোভাবের বদল হয়নি।’

পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সীমান্তের দৈর্ঘ্য প্রায় ২,২১৬.৭ কিলোমিটার। এটি ভারতের যেকোনো রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের দীর্ঘতম সীমান্ত। উত্তর ২৪ পরগনা, নদীয়া, মুর্শিদাবাদ, মালদা, দক্ষিণ দিনাজপুর, উত্তর দিনাজপুর, দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি এবং কোচবিহার। এই সুদীর্ঘ সীমান্তের প্রায় ১,৬৪৭.৬৯৬ কিলোমিটার অংশে কাঁটাতারের বেড়া রয়েছে এবং বাকি ৫৬৯.০০৪ কিলোমিটার অংশে বেড়া দেওয়ার কাজ বাকি রয়েছে। যার জন্য প্রায় ৬০০ একর জমি অধিগ্রহণের প্রয়োজন।

ভারতীয় আইন অনুযায়ী জমি অধিগ্রহণ পুরোটাই রাজ্যের নিয়ন্ত্রনাধীন বিষয়। বিগত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার জমি অধিগ্রহণ শুরু করলেও সীমান্ত এলাকার চাষীদের থেকে জমি অধিগ্রহণে স্থানীয় সমস্যা ও কেন্দ্রের সঙ্গে ক্ষতিপূরণের টাকার সমস্যার জেরে অধিগ্রহণ বেশিদূর এগোতে পারেনি। পরে রাজ্যের ওপর চাপ বাড়িয়ে কলকাতা হাইকোর্টে যায় বিএসএফ। কলকাতা হাইকোর্ট রাজ্যকে দ্রুততম সময়ে জমি অধিগ্রহণ করে বিএসএফকে হস্তান্তরের নির্দেশ জারি করে। এর মধ্যেই বিধানসভা নির্বাচনে মমতা সরকারের পতন হয় একই সঙ্গে বিপুল জনসমর্থনে জয়লাভ করে বিজেপি। এমতাবস্থায় প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকেই বিএসএফকে জমি হস্তান্তরের প্রক্রিয়া ৪৫ দিনের মধ্যে শেষ করার জন্য নির্দেশ জারি করে নবনিযুক্ত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

এই প্রেক্ষাপটে দু দেশের সম্পর্কে আবারও টানা-পোড়েনের বিষয়টি সংবাদ সম্মেলনে উঠে। সীমান্তে অনুপ্রবেশ বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে রণধীর জয়সোয়াল বলেন, ‘বাংলাদেশের সঙ্গে যেসব বিষয় নিয়ে আলোচনা হয় এটি (অনুপ্রবেশ) তার অন্যতম। ভারতে অবৈধভাবে বসবাস করছেন এমন ২ হাজার ৮৬০ জনের বেশি মানুষের নাগরিকত্ব যাচাইয়ের জন্য বাংলাদেশকে অনেক আগে অনুরোধ করা হয়েছে। ভারত মনে করে, তারা সবাই বাংলাদেশি। কিন্তু বাংলাদেশ এখনো ওই বিষয়ে কিছু জানায়নি।’

তিস্তা উন্নয়ন প্রকল্পের প্রসঙ্গে এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান সম্প্রতি চীন সফরে গিয়ে তিস্তা উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ নিতে তাদের অনুরোধ করেছেন বলে খবর প্রকাশ হয়েছে। বাংলাদেশের আগের সরকারের সিদ্ধান্ত (যেখানে ওই প্রকল্পের ভার ভারতকে নিতে বলা হয়েছিল) বদলে এই জাতীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ পারস্পরিক বিশ্বাসের জায়গাটা নষ্ট করে কিনা।

এমন প্রশ্নের জবাবে জয়সোয়াল বলেন, ‘প্রতিবেশীদের সঙ্গে ভারতের সম্পর্কে পারস্পরিক স্বার্থই প্রাধান্য পায়।’

তবে বাংলাদেশের বাইরে এদিন ব্রিফিংয়ে সবচেয়ে বেশি আলোচিত বিষয় ছিল- ‘অপারেশন সিন্দুরের’ সময় পাকিস্তানকে সরাসরি চীনের সহযোগিতার বিষয়।

পহেলগামের সন্ত্রাসবাদী হামলার পর ২০২৫ সালের মে মাসে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে যে সামরিক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, সেই সময় চীন পাকিস্তানকে প্রযুক্তিগত সহায়তা দিয়েছিল বলে খবর সামনে আসে। রণধীর জয়সোয়াল বলেন, ‘আমরা এই সংক্রান্ত রিপোর্ট দেখেছি, যা আগে থেকেই জানা ছিল।’ তিনি আরও যোগ করেন,‘সন্ত্রাসবাদে মদদ জোগায় এমন দেশগুলোকে সাহায্য করা ঠিক কিনা, তা দায়িত্বশীল রাষ্ট্রর ভেবে দেখা উচিত।’

তিনি বলেন, ‘অপারেশন সিঁদুর ছিল পহেলগামের সন্ত্রাসবাদী হামলার একটি সুনির্দিষ্ট এবং নিয়ন্ত্রিত জবাব। এর মূল লক্ষ্য ছিল- পাকিস্তান থেকে পরিচালিত রাষ্ট্রীয় মদদপুষ্ট সন্ত্রাসবাদী পরিকাঠামো ধ্বংস করা।’

তবে নিজের বক্তব্যে একবারও চীনের নাম উল্লেখ করেননি জয়সোয়াল। তার ভাষ্য, ‘যেসব দেশ নিজেদের দায়িত্বশীল বলে দাবি করে তাদের ভেবে দেখা উচিত, সন্ত্রাসী পরিকাঠামো রক্ষার চেষ্টা করার ফলে তাদের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তিতে কোরো প্রভাব পড়ছে কিনা।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এলজিইডির প্রকল্প বাস্তবায়নে গতি বাড়ানোর নির্দেশ স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর

সীমান্তের নিরাপত্তা রক্ষা আমাদের অগ্রাধিকার: রণধীর জয়সোয়াল

আপডেট সময় ০৯:৪৫:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক : 

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার জন্য ভারতের সীমান্ত রক্ষা বাহিনী বিএসএফকে প্রয়োজনীয় জমি ৪৫ দিনের মধ্যে হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের নবনির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এমন সিদ্ধান্ত ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে প্রভাব ফেলবে কিনা- প্রশ্নের জবাবে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল বলেছেন, ‘সীমান্তের নিরাপত্তা রক্ষা আমাদের অগ্রাধিকার। এই সিদ্ধান্ত আমরা সেই দৃষ্টিতেই দেখি।’ তবে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে এর প্রভাব পড়বে কিনা, এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি তিনি।

মঙ্গলবার নয়াদিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন জয়সোয়াল।

পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনী ফলাফল বাংলাদেশে কোনো কোনো মহলে ভিন্ন প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে বলে প্রকাশিত খবরের বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে জয়সোয়াল বলেন, ‘আমরা ইতিমধ্যেই ইঙ্গিত দিয়েছি যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে ভারত ইতিবাচক করে তুলতে চায়। ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখতে চায়। সেই মনোভাবের বদল হয়নি।’

পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সীমান্তের দৈর্ঘ্য প্রায় ২,২১৬.৭ কিলোমিটার। এটি ভারতের যেকোনো রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের দীর্ঘতম সীমান্ত। উত্তর ২৪ পরগনা, নদীয়া, মুর্শিদাবাদ, মালদা, দক্ষিণ দিনাজপুর, উত্তর দিনাজপুর, দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি এবং কোচবিহার। এই সুদীর্ঘ সীমান্তের প্রায় ১,৬৪৭.৬৯৬ কিলোমিটার অংশে কাঁটাতারের বেড়া রয়েছে এবং বাকি ৫৬৯.০০৪ কিলোমিটার অংশে বেড়া দেওয়ার কাজ বাকি রয়েছে। যার জন্য প্রায় ৬০০ একর জমি অধিগ্রহণের প্রয়োজন।

ভারতীয় আইন অনুযায়ী জমি অধিগ্রহণ পুরোটাই রাজ্যের নিয়ন্ত্রনাধীন বিষয়। বিগত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার জমি অধিগ্রহণ শুরু করলেও সীমান্ত এলাকার চাষীদের থেকে জমি অধিগ্রহণে স্থানীয় সমস্যা ও কেন্দ্রের সঙ্গে ক্ষতিপূরণের টাকার সমস্যার জেরে অধিগ্রহণ বেশিদূর এগোতে পারেনি। পরে রাজ্যের ওপর চাপ বাড়িয়ে কলকাতা হাইকোর্টে যায় বিএসএফ। কলকাতা হাইকোর্ট রাজ্যকে দ্রুততম সময়ে জমি অধিগ্রহণ করে বিএসএফকে হস্তান্তরের নির্দেশ জারি করে। এর মধ্যেই বিধানসভা নির্বাচনে মমতা সরকারের পতন হয় একই সঙ্গে বিপুল জনসমর্থনে জয়লাভ করে বিজেপি। এমতাবস্থায় প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকেই বিএসএফকে জমি হস্তান্তরের প্রক্রিয়া ৪৫ দিনের মধ্যে শেষ করার জন্য নির্দেশ জারি করে নবনিযুক্ত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

এই প্রেক্ষাপটে দু দেশের সম্পর্কে আবারও টানা-পোড়েনের বিষয়টি সংবাদ সম্মেলনে উঠে। সীমান্তে অনুপ্রবেশ বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে রণধীর জয়সোয়াল বলেন, ‘বাংলাদেশের সঙ্গে যেসব বিষয় নিয়ে আলোচনা হয় এটি (অনুপ্রবেশ) তার অন্যতম। ভারতে অবৈধভাবে বসবাস করছেন এমন ২ হাজার ৮৬০ জনের বেশি মানুষের নাগরিকত্ব যাচাইয়ের জন্য বাংলাদেশকে অনেক আগে অনুরোধ করা হয়েছে। ভারত মনে করে, তারা সবাই বাংলাদেশি। কিন্তু বাংলাদেশ এখনো ওই বিষয়ে কিছু জানায়নি।’

তিস্তা উন্নয়ন প্রকল্পের প্রসঙ্গে এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান সম্প্রতি চীন সফরে গিয়ে তিস্তা উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ নিতে তাদের অনুরোধ করেছেন বলে খবর প্রকাশ হয়েছে। বাংলাদেশের আগের সরকারের সিদ্ধান্ত (যেখানে ওই প্রকল্পের ভার ভারতকে নিতে বলা হয়েছিল) বদলে এই জাতীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ পারস্পরিক বিশ্বাসের জায়গাটা নষ্ট করে কিনা।

এমন প্রশ্নের জবাবে জয়সোয়াল বলেন, ‘প্রতিবেশীদের সঙ্গে ভারতের সম্পর্কে পারস্পরিক স্বার্থই প্রাধান্য পায়।’

তবে বাংলাদেশের বাইরে এদিন ব্রিফিংয়ে সবচেয়ে বেশি আলোচিত বিষয় ছিল- ‘অপারেশন সিন্দুরের’ সময় পাকিস্তানকে সরাসরি চীনের সহযোগিতার বিষয়।

পহেলগামের সন্ত্রাসবাদী হামলার পর ২০২৫ সালের মে মাসে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে যে সামরিক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, সেই সময় চীন পাকিস্তানকে প্রযুক্তিগত সহায়তা দিয়েছিল বলে খবর সামনে আসে। রণধীর জয়সোয়াল বলেন, ‘আমরা এই সংক্রান্ত রিপোর্ট দেখেছি, যা আগে থেকেই জানা ছিল।’ তিনি আরও যোগ করেন,‘সন্ত্রাসবাদে মদদ জোগায় এমন দেশগুলোকে সাহায্য করা ঠিক কিনা, তা দায়িত্বশীল রাষ্ট্রর ভেবে দেখা উচিত।’

তিনি বলেন, ‘অপারেশন সিঁদুর ছিল পহেলগামের সন্ত্রাসবাদী হামলার একটি সুনির্দিষ্ট এবং নিয়ন্ত্রিত জবাব। এর মূল লক্ষ্য ছিল- পাকিস্তান থেকে পরিচালিত রাষ্ট্রীয় মদদপুষ্ট সন্ত্রাসবাদী পরিকাঠামো ধ্বংস করা।’

তবে নিজের বক্তব্যে একবারও চীনের নাম উল্লেখ করেননি জয়সোয়াল। তার ভাষ্য, ‘যেসব দেশ নিজেদের দায়িত্বশীল বলে দাবি করে তাদের ভেবে দেখা উচিত, সন্ত্রাসী পরিকাঠামো রক্ষার চেষ্টা করার ফলে তাদের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তিতে কোরো প্রভাব পড়ছে কিনা।’