ঢাকা ০৬:৩১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

নারায়ণগঞ্জে পোশাক কারখানার স্টোররুমে মিলল কর্মকর্তার ঝুলন্ত মরদেহ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় অ্যাসরোটেক্স গ্রুপের একটি পোশাক কারখানার ভেতরে ঝুলন্ত অবস্থায় ইদ্রিস আলী (৪৩) নামে এক কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার সকালে এনায়েতনগরের বারৈভোগ এলাকার ফারিহা নিট টেক্স লিমিটেড কারখানার স্টোররুমে তার মরদেহ পাওয়া যায়।

নিহত নাম ইদ্রিস আলী সোনারগাঁ উপজেলার গোয়ালদীর আবুল কাশেমের ছেলে এবং কারখানাটির সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) পদে কর্মরত ছিলেন।

কারখানাটির সিকিউরিটি ম্যানেজার মোহাম্মদ মনির হোসেন বলেন, সকাল ১১টার দিকে ইদ্রিসের মরদেহটি দেখতে পান কারখানার একজন শ্রমিক। পরে পুলিশে খবর দেওয়া হয়।

তিনি আরও বলেন, সোমবার সন্ধ্যা সাতটায় ছুটি হবার পর তার গাড়িতে করে বাড়িতে ফেরার কথা ছিল। কিন্তু তার সহকর্মীরা তাকে ফোন দিয়েও পাচ্ছিলেন না। পরে তাকে ছাড়াই গাড়ি ছেড়ে যায়। এরপর আজ তার মরদেহ পাওয়া গেল।

নিহতের স্ত্রী হাফিজা আক্তার বলেন, বিকেলে ছুটি হবার পর সন্ধ্যায় তিনি কারখানার গাড়িতেই বাড়ি ফেরেন। সোমবার না ফেরায় তার মোবাইলে কল দিলে তা কেউ রিসিভ করেননি। পরে বিষয়টি কারখানার কর্মকর্তাদের জানালে তাদের পক্ষ থেকে বলা হয়, ইদ্রিস কারখানাতে নেই।

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা পুলিশকে রাতেই জানিয়েছিলাম। সকালে শুনি স্টোররুমে মরদেহ পাওয়া গেছে। উনি নামাজ-কালাম পড়তেন, ভালো মেজাজের মানুষ ছিলেন। তিনি আত্মহত্যা করবেন এমন কোনো কারণ নেই। এ ঘটনায় আমরা আইনগত পদক্ষেপ নেবো।’

এদিকে, হত্যার পর মরদেহ ঝুলিয়ে রাখার অভিযোগ তুলে সেখানে বিক্ষোভ করেন কারখানাটির শ্রমিকরা। তারা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের দাবি জানান।

এ বিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুব আলম বলেন, পুলিশ খবর পেয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠাতে কারখানাটির সামনে গেলে নিহতের সহকর্মী ও শ্রমিকরা বিক্ষোভ করেন। পরে শ্রমিকদের বুঝিয়ে শান্ত করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

নারায়ণগঞ্জে পোশাক কারখানার স্টোররুমে মিলল কর্মকর্তার ঝুলন্ত মরদেহ

আপডেট সময় ০৫:২০:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় অ্যাসরোটেক্স গ্রুপের একটি পোশাক কারখানার ভেতরে ঝুলন্ত অবস্থায় ইদ্রিস আলী (৪৩) নামে এক কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার সকালে এনায়েতনগরের বারৈভোগ এলাকার ফারিহা নিট টেক্স লিমিটেড কারখানার স্টোররুমে তার মরদেহ পাওয়া যায়।

নিহত নাম ইদ্রিস আলী সোনারগাঁ উপজেলার গোয়ালদীর আবুল কাশেমের ছেলে এবং কারখানাটির সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) পদে কর্মরত ছিলেন।

কারখানাটির সিকিউরিটি ম্যানেজার মোহাম্মদ মনির হোসেন বলেন, সকাল ১১টার দিকে ইদ্রিসের মরদেহটি দেখতে পান কারখানার একজন শ্রমিক। পরে পুলিশে খবর দেওয়া হয়।

তিনি আরও বলেন, সোমবার সন্ধ্যা সাতটায় ছুটি হবার পর তার গাড়িতে করে বাড়িতে ফেরার কথা ছিল। কিন্তু তার সহকর্মীরা তাকে ফোন দিয়েও পাচ্ছিলেন না। পরে তাকে ছাড়াই গাড়ি ছেড়ে যায়। এরপর আজ তার মরদেহ পাওয়া গেল।

নিহতের স্ত্রী হাফিজা আক্তার বলেন, বিকেলে ছুটি হবার পর সন্ধ্যায় তিনি কারখানার গাড়িতেই বাড়ি ফেরেন। সোমবার না ফেরায় তার মোবাইলে কল দিলে তা কেউ রিসিভ করেননি। পরে বিষয়টি কারখানার কর্মকর্তাদের জানালে তাদের পক্ষ থেকে বলা হয়, ইদ্রিস কারখানাতে নেই।

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা পুলিশকে রাতেই জানিয়েছিলাম। সকালে শুনি স্টোররুমে মরদেহ পাওয়া গেছে। উনি নামাজ-কালাম পড়তেন, ভালো মেজাজের মানুষ ছিলেন। তিনি আত্মহত্যা করবেন এমন কোনো কারণ নেই। এ ঘটনায় আমরা আইনগত পদক্ষেপ নেবো।’

এদিকে, হত্যার পর মরদেহ ঝুলিয়ে রাখার অভিযোগ তুলে সেখানে বিক্ষোভ করেন কারখানাটির শ্রমিকরা। তারা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের দাবি জানান।

এ বিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুব আলম বলেন, পুলিশ খবর পেয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠাতে কারখানাটির সামনে গেলে নিহতের সহকর্মী ও শ্রমিকরা বিক্ষোভ করেন। পরে শ্রমিকদের বুঝিয়ে শান্ত করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলছে।