ঢাকা ০৪:০৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গরিবের বিচার, ধনীর বিচার এক করতে হবে —এটাই তারেক রহমানের নতুন বাংলাদেশ আইএইচএফ নেশনস ট্রফিতে ভারতের কাছে হেরে রানার্সআপ বাংলাদেশ কাতার, তুরস্ক, পাকিস্তান ও ইন্দোনেশিয়ার ঐতিহাসিক বদর প্রতিরক্ষা চুক্তি দ্বিগুণ যাত্রী সামলাতে হিমশিম দেশের বিমানবন্দরগুলো মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির মূল দলিল পেশ করলো তুরস্ক সাইবার আইনে মতপ্রকাশ ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা হুমকিতে ফাঁসের ঘটনায় বিএআরসির সহকারী পরিচালক আটক: যুব উন্নয়নের ৪৫তম বিসিএসে গেজেট থেকে বাদ: অনিশ্চিত জীবনে ৫৬ মেধাবী সকল ধর্মের মানুষকে নিয়ে দেশ গড়তে চাই রাজধানীতে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ ও আধুনিক ওসমানী উদ্যান উদ্বোধন করলেন

মাদারীপুরে হাউসদী বাজারে সংঘবদ্ধ ডাকাতি, ৬ স্বর্ণের দোকানে লুট

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মাদারীপুর সদর উপজেলার হাউসদী বাজারে সংঘবদ্ধ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার মধ্যরাতে একদল মুখোশধারী ডাকাত বাজারের ছয়টি স্বর্ণের দোকানসহ মোট সাতটি দোকান লুট করেছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গৌতম মালোর শ্রী শ্রী জগদীশ ঠাকুর জুয়েলার্স থেকে প্রায় ৫৫ ভরি রুপা লুট করা হয়েছে। বিদ্যুৎ মণ্ডলের নিউ নারান জুয়েলার্স থেকে আনুমানিক সাড়ে পাঁচ লাখ টাকার মালামাল নিয়ে যায় ডাকাতরা। সেন্টু মালোর ভাগ্যশ্রী জুয়েলার্স থেকে ৩০ ভরি স্বর্ণ, প্রায় ৫০০ ভরি রুপা এবং ১ লাখ টাকা নগদ লুট হয়েছে। পরিমল মালোর নিউ প্রিয়াঙ্কা জুয়েলার্স থেকে আড়াই ভরি স্বর্ণ, প্রায় ১ কেজি রুপা ও ৯৫ হাজার টাকা নগদ নিয়ে যায় তারা। স্বদেব মণ্ডলের নিউ কনিকা জুয়েলার্স থেকে ১ ভরি স্বর্ণ, ৭০ ভরি রুপা ও ৪০ হাজার টাকা নগদ লুট করা হয়। ভরত মালোর মা লক্ষ্মী গহনালয় থেকেও প্রায় ৭ ভরি রুপা নিয়ে যায় ডাকাত দল।

এছাড়াও জিয়া হাওলাদারের জিয়া স্টোর নামের মুদি দোকান থেকে প্রায় ৫ লাখ টাকার সিগারেট ও ৫০ হাজার টাকা নগদ লুট হয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত নিউ কণিকা জুয়েলার্সের মালিক স্বদেব মন্ডল বলেন, “রাতে আমরা দোকান বন্ধ করে বাসায় যাই। সকালে হঠাৎ করে শুনি আমাদের দোকানে ডাকাতি হয়েছে। দোকানে থাকা সব মালপত্র ও নগদ টাকা নিয়ে গেছে ডাকাতরা।”

অন্যদিকে নিউ প্রিয়াঙ্কা জুয়েলার্সের মালিক পরিমল মালো বলেন, “শুধু আমার দোকান নয়, আরও ৬টি স্বর্ণের দোকান ও একটি মুদির দোকানে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। পুলিশের টহল অব্যাহত থাকলে এমন ঘটনা ঘটত না। এখন আমরা বাজারের ব্যবসায়ীরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় আছি।”

এ ঘটনায় পুরো হাউসদী বাজারে আতঙ্ক বিরাজ করছে। ব্যবসায়ীরা দ্রুত ডাকাতদের গ্রেফতার ও বাজারে নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।

মাদারীপুর সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল কালাম আজাদ ডাকাতির ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের জন্য অভিযান চলছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

মধ্যপ্রাচ্যের শ্রমবাজারে টানাপোড়েন: কমেছে কর্মী গমন

মাদারীপুরে হাউসদী বাজারে সংঘবদ্ধ ডাকাতি, ৬ স্বর্ণের দোকানে লুট

আপডেট সময় ১১:২৫:৩৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মাদারীপুর সদর উপজেলার হাউসদী বাজারে সংঘবদ্ধ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার মধ্যরাতে একদল মুখোশধারী ডাকাত বাজারের ছয়টি স্বর্ণের দোকানসহ মোট সাতটি দোকান লুট করেছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গৌতম মালোর শ্রী শ্রী জগদীশ ঠাকুর জুয়েলার্স থেকে প্রায় ৫৫ ভরি রুপা লুট করা হয়েছে। বিদ্যুৎ মণ্ডলের নিউ নারান জুয়েলার্স থেকে আনুমানিক সাড়ে পাঁচ লাখ টাকার মালামাল নিয়ে যায় ডাকাতরা। সেন্টু মালোর ভাগ্যশ্রী জুয়েলার্স থেকে ৩০ ভরি স্বর্ণ, প্রায় ৫০০ ভরি রুপা এবং ১ লাখ টাকা নগদ লুট হয়েছে। পরিমল মালোর নিউ প্রিয়াঙ্কা জুয়েলার্স থেকে আড়াই ভরি স্বর্ণ, প্রায় ১ কেজি রুপা ও ৯৫ হাজার টাকা নগদ নিয়ে যায় তারা। স্বদেব মণ্ডলের নিউ কনিকা জুয়েলার্স থেকে ১ ভরি স্বর্ণ, ৭০ ভরি রুপা ও ৪০ হাজার টাকা নগদ লুট করা হয়। ভরত মালোর মা লক্ষ্মী গহনালয় থেকেও প্রায় ৭ ভরি রুপা নিয়ে যায় ডাকাত দল।

এছাড়াও জিয়া হাওলাদারের জিয়া স্টোর নামের মুদি দোকান থেকে প্রায় ৫ লাখ টাকার সিগারেট ও ৫০ হাজার টাকা নগদ লুট হয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত নিউ কণিকা জুয়েলার্সের মালিক স্বদেব মন্ডল বলেন, “রাতে আমরা দোকান বন্ধ করে বাসায় যাই। সকালে হঠাৎ করে শুনি আমাদের দোকানে ডাকাতি হয়েছে। দোকানে থাকা সব মালপত্র ও নগদ টাকা নিয়ে গেছে ডাকাতরা।”

অন্যদিকে নিউ প্রিয়াঙ্কা জুয়েলার্সের মালিক পরিমল মালো বলেন, “শুধু আমার দোকান নয়, আরও ৬টি স্বর্ণের দোকান ও একটি মুদির দোকানে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। পুলিশের টহল অব্যাহত থাকলে এমন ঘটনা ঘটত না। এখন আমরা বাজারের ব্যবসায়ীরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় আছি।”

এ ঘটনায় পুরো হাউসদী বাজারে আতঙ্ক বিরাজ করছে। ব্যবসায়ীরা দ্রুত ডাকাতদের গ্রেফতার ও বাজারে নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।

মাদারীপুর সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল কালাম আজাদ ডাকাতির ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের জন্য অভিযান চলছে।