ঢাকা ০৩:২৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সরকারি হাসপাতালই যেন মানুষের একমাত্র ভরসার জায়গা হয়: প্রধানমন্ত্রী ‘যুগপৎ আন্দোলনের সময় ঘোষিত ৩১ দফা অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করা হবে’:মির্জা ফখরুল পুষ্টি ও সুস্বাস্থ্যেই গড়ে উঠবে আন্তর্জাতিক মানের ক্রীড়াবিদ: আমিনুল হক বাধ্যতামূলক অবসরে অতিরিক্ত ডিআইজি জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার কবরে রাশেদ খাঁনের শ্রদ্ধা নিবেদন মার্কিন সেনা হত্যার জন্য ইরানকে বহুগুণ বেশি মূল্য চোকাতে হবে: ট্রাম্প প্রতিটি কর্মঘণ্টা ও করের প্রতিটি টাকার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে:জনপ্রশাসন উপদেষ্টা জমির উদ্দিন সরকার ছিলেন ‘জেন্টলম্যান ফর এক্সেলেন্স’: প্রধান বিচারপতি রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে বিমসটেকের সক্রিয় ভূমিকা চায় ঢাকা কাপ্তাই হৃদে নিখোঁজ বিএনপি নেতার লাশ উদ্ধার

মাদারীপুরে হাউসদী বাজারে সংঘবদ্ধ ডাকাতি, ৬ স্বর্ণের দোকানে লুট

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মাদারীপুর সদর উপজেলার হাউসদী বাজারে সংঘবদ্ধ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার মধ্যরাতে একদল মুখোশধারী ডাকাত বাজারের ছয়টি স্বর্ণের দোকানসহ মোট সাতটি দোকান লুট করেছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গৌতম মালোর শ্রী শ্রী জগদীশ ঠাকুর জুয়েলার্স থেকে প্রায় ৫৫ ভরি রুপা লুট করা হয়েছে। বিদ্যুৎ মণ্ডলের নিউ নারান জুয়েলার্স থেকে আনুমানিক সাড়ে পাঁচ লাখ টাকার মালামাল নিয়ে যায় ডাকাতরা। সেন্টু মালোর ভাগ্যশ্রী জুয়েলার্স থেকে ৩০ ভরি স্বর্ণ, প্রায় ৫০০ ভরি রুপা এবং ১ লাখ টাকা নগদ লুট হয়েছে। পরিমল মালোর নিউ প্রিয়াঙ্কা জুয়েলার্স থেকে আড়াই ভরি স্বর্ণ, প্রায় ১ কেজি রুপা ও ৯৫ হাজার টাকা নগদ নিয়ে যায় তারা। স্বদেব মণ্ডলের নিউ কনিকা জুয়েলার্স থেকে ১ ভরি স্বর্ণ, ৭০ ভরি রুপা ও ৪০ হাজার টাকা নগদ লুট করা হয়। ভরত মালোর মা লক্ষ্মী গহনালয় থেকেও প্রায় ৭ ভরি রুপা নিয়ে যায় ডাকাত দল।

এছাড়াও জিয়া হাওলাদারের জিয়া স্টোর নামের মুদি দোকান থেকে প্রায় ৫ লাখ টাকার সিগারেট ও ৫০ হাজার টাকা নগদ লুট হয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত নিউ কণিকা জুয়েলার্সের মালিক স্বদেব মন্ডল বলেন, “রাতে আমরা দোকান বন্ধ করে বাসায় যাই। সকালে হঠাৎ করে শুনি আমাদের দোকানে ডাকাতি হয়েছে। দোকানে থাকা সব মালপত্র ও নগদ টাকা নিয়ে গেছে ডাকাতরা।”

অন্যদিকে নিউ প্রিয়াঙ্কা জুয়েলার্সের মালিক পরিমল মালো বলেন, “শুধু আমার দোকান নয়, আরও ৬টি স্বর্ণের দোকান ও একটি মুদির দোকানে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। পুলিশের টহল অব্যাহত থাকলে এমন ঘটনা ঘটত না। এখন আমরা বাজারের ব্যবসায়ীরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় আছি।”

এ ঘটনায় পুরো হাউসদী বাজারে আতঙ্ক বিরাজ করছে। ব্যবসায়ীরা দ্রুত ডাকাতদের গ্রেফতার ও বাজারে নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।

মাদারীপুর সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল কালাম আজাদ ডাকাতির ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের জন্য অভিযান চলছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সরকারি হাসপাতালই যেন মানুষের একমাত্র ভরসার জায়গা হয়: প্রধানমন্ত্রী

মাদারীপুরে হাউসদী বাজারে সংঘবদ্ধ ডাকাতি, ৬ স্বর্ণের দোকানে লুট

আপডেট সময় ১১:২৫:৩৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মাদারীপুর সদর উপজেলার হাউসদী বাজারে সংঘবদ্ধ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার মধ্যরাতে একদল মুখোশধারী ডাকাত বাজারের ছয়টি স্বর্ণের দোকানসহ মোট সাতটি দোকান লুট করেছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গৌতম মালোর শ্রী শ্রী জগদীশ ঠাকুর জুয়েলার্স থেকে প্রায় ৫৫ ভরি রুপা লুট করা হয়েছে। বিদ্যুৎ মণ্ডলের নিউ নারান জুয়েলার্স থেকে আনুমানিক সাড়ে পাঁচ লাখ টাকার মালামাল নিয়ে যায় ডাকাতরা। সেন্টু মালোর ভাগ্যশ্রী জুয়েলার্স থেকে ৩০ ভরি স্বর্ণ, প্রায় ৫০০ ভরি রুপা এবং ১ লাখ টাকা নগদ লুট হয়েছে। পরিমল মালোর নিউ প্রিয়াঙ্কা জুয়েলার্স থেকে আড়াই ভরি স্বর্ণ, প্রায় ১ কেজি রুপা ও ৯৫ হাজার টাকা নগদ নিয়ে যায় তারা। স্বদেব মণ্ডলের নিউ কনিকা জুয়েলার্স থেকে ১ ভরি স্বর্ণ, ৭০ ভরি রুপা ও ৪০ হাজার টাকা নগদ লুট করা হয়। ভরত মালোর মা লক্ষ্মী গহনালয় থেকেও প্রায় ৭ ভরি রুপা নিয়ে যায় ডাকাত দল।

এছাড়াও জিয়া হাওলাদারের জিয়া স্টোর নামের মুদি দোকান থেকে প্রায় ৫ লাখ টাকার সিগারেট ও ৫০ হাজার টাকা নগদ লুট হয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত নিউ কণিকা জুয়েলার্সের মালিক স্বদেব মন্ডল বলেন, “রাতে আমরা দোকান বন্ধ করে বাসায় যাই। সকালে হঠাৎ করে শুনি আমাদের দোকানে ডাকাতি হয়েছে। দোকানে থাকা সব মালপত্র ও নগদ টাকা নিয়ে গেছে ডাকাতরা।”

অন্যদিকে নিউ প্রিয়াঙ্কা জুয়েলার্সের মালিক পরিমল মালো বলেন, “শুধু আমার দোকান নয়, আরও ৬টি স্বর্ণের দোকান ও একটি মুদির দোকানে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। পুলিশের টহল অব্যাহত থাকলে এমন ঘটনা ঘটত না। এখন আমরা বাজারের ব্যবসায়ীরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় আছি।”

এ ঘটনায় পুরো হাউসদী বাজারে আতঙ্ক বিরাজ করছে। ব্যবসায়ীরা দ্রুত ডাকাতদের গ্রেফতার ও বাজারে নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।

মাদারীপুর সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল কালাম আজাদ ডাকাতির ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের জন্য অভিযান চলছে।