ঢাকা ১০:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

গুজব ছড়ানো থেকে বিরত থাকার আহ্বান কাবার ইমামের

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব এবং যাচাই-বাছাইহীন তথ্য না ছড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন মসজিদুল হারামের (কাবা শরীফ) ইমাম শায়খ ড. সালেহ বিন আবদুল্লাহ বিন হুমাইদ। তিনি বলেছেন, যারা ইন্টারনেটে কোনো মিথ্যা তথ্য ছড়ান কিংবা তাতে সহায়তা করেন, এর যাবতীয় নৈতিক ও ধর্মীয় দায়ভার তাদের ওপরই বর্তাবে।

গত শুক্রবার মক্কায় জুমার খুতবা দেওয়ার সময় শায়খ সালেহ বিন হুমাইদ এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, মানুষের প্রকৃত ব্যক্তিত্ব ও চরিত্রের পরীক্ষা হয় কঠিন সময়ে।

প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও যেন মুমিনরা বিচলিত না হন এবং পার্থিব মোহে পড়ে আধ্যাত্মিক চেতনা হারিয়ে না ফেলেন, সেই আহ্বান জানান তিনি।

ইমাম আরও বলেন, ভিত্তিহীন তথ্য প্রচার করা কেবল ব্যক্তি বা সমাজের ক্ষতিই করে না, বরং এটি একটি বড় পাপ। জনমত যেদিকেই প্রবাহিত হোক না কেন, জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সত্য ও সততা বজায় রাখা একজন মুমিনের দায়িত্ব।

সৌদি আরব সরকারও নিয়মিতভাবে এ ধরনের গুজব ছড়ানোর বিরুদ্ধে সতর্ক করে আসছে। দেশটির আইন অনুযায়ী, সামাজিক শান্তি ও জনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত করে এমন গুজব ছড়ানো একটি গুরুতর ফৌজদারি অপরাধ।

সৌদি পাবলিক প্রসিকিউশন জানিয়েছে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভুয়া তথ্য তৈরি, শেয়ার বা প্রচারের অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হলে সর্বোচ্চ ৫ বছরের কারাদণ্ড এবং ৩০ লাখ রিয়াল পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। পাশাপাশি অপরাধে ব্যবহৃত মোবাইল বা কম্পিউটারসহ সব ডিভাইস জব্দ করার বিধানও রাখা হয়েছে।

উল্লেখ্য, বিগত কয়েক বছরে বিভিন্ন বড় সংকট বা মহামারির সময় গুজব ঠেকাতে সৌদি কর্তৃপক্ষ বেশ কঠোর অবস্থান নিয়েছে। বিশেষ করে করোনা মহামারির সময় স্বাস্থ্যবিধি বা মসজিদুল হারামের পরিস্থিতি নিয়ে অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল।

সবশেষে, সাধারণ মানুষকে কেবল নির্ভরযোগ্য ও সরকারি সূত্রের তথ্যের ওপর নির্ভর করার পরামর্শ দিয়েছেন কর্মকর্তারা। কোনো তথ্য যাচাই না করে শেয়ার করা বা নিজের ডিভাইসে জমা রাখার কারণেও যে কেউ আইনি জটিলতায় পড়তে পারেন বলে সতর্ক করা হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

গুজব ছড়ানো থেকে বিরত থাকার আহ্বান কাবার ইমামের

আপডেট সময় ১০:৫১:৩৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব এবং যাচাই-বাছাইহীন তথ্য না ছড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন মসজিদুল হারামের (কাবা শরীফ) ইমাম শায়খ ড. সালেহ বিন আবদুল্লাহ বিন হুমাইদ। তিনি বলেছেন, যারা ইন্টারনেটে কোনো মিথ্যা তথ্য ছড়ান কিংবা তাতে সহায়তা করেন, এর যাবতীয় নৈতিক ও ধর্মীয় দায়ভার তাদের ওপরই বর্তাবে।

গত শুক্রবার মক্কায় জুমার খুতবা দেওয়ার সময় শায়খ সালেহ বিন হুমাইদ এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, মানুষের প্রকৃত ব্যক্তিত্ব ও চরিত্রের পরীক্ষা হয় কঠিন সময়ে।

প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও যেন মুমিনরা বিচলিত না হন এবং পার্থিব মোহে পড়ে আধ্যাত্মিক চেতনা হারিয়ে না ফেলেন, সেই আহ্বান জানান তিনি।

ইমাম আরও বলেন, ভিত্তিহীন তথ্য প্রচার করা কেবল ব্যক্তি বা সমাজের ক্ষতিই করে না, বরং এটি একটি বড় পাপ। জনমত যেদিকেই প্রবাহিত হোক না কেন, জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সত্য ও সততা বজায় রাখা একজন মুমিনের দায়িত্ব।

সৌদি আরব সরকারও নিয়মিতভাবে এ ধরনের গুজব ছড়ানোর বিরুদ্ধে সতর্ক করে আসছে। দেশটির আইন অনুযায়ী, সামাজিক শান্তি ও জনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত করে এমন গুজব ছড়ানো একটি গুরুতর ফৌজদারি অপরাধ।

সৌদি পাবলিক প্রসিকিউশন জানিয়েছে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভুয়া তথ্য তৈরি, শেয়ার বা প্রচারের অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হলে সর্বোচ্চ ৫ বছরের কারাদণ্ড এবং ৩০ লাখ রিয়াল পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। পাশাপাশি অপরাধে ব্যবহৃত মোবাইল বা কম্পিউটারসহ সব ডিভাইস জব্দ করার বিধানও রাখা হয়েছে।

উল্লেখ্য, বিগত কয়েক বছরে বিভিন্ন বড় সংকট বা মহামারির সময় গুজব ঠেকাতে সৌদি কর্তৃপক্ষ বেশ কঠোর অবস্থান নিয়েছে। বিশেষ করে করোনা মহামারির সময় স্বাস্থ্যবিধি বা মসজিদুল হারামের পরিস্থিতি নিয়ে অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল।

সবশেষে, সাধারণ মানুষকে কেবল নির্ভরযোগ্য ও সরকারি সূত্রের তথ্যের ওপর নির্ভর করার পরামর্শ দিয়েছেন কর্মকর্তারা। কোনো তথ্য যাচাই না করে শেয়ার করা বা নিজের ডিভাইসে জমা রাখার কারণেও যে কেউ আইনি জটিলতায় পড়তে পারেন বলে সতর্ক করা হয়েছে।