আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক :
হাভিয়ের কাবরেরার শিষ্যরা লড়াই করল, মুহুর্মুহু আক্রমণ শানিয়ে প্রতিপক্ষকে চেপেও ধরল। কিন্তু গোলের খেলা ফুটবলে সেই গোলেরই দেখা পেল না লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। ফলে এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বের শেষ ম্যাচে স্বাগতিক সিঙ্গাপুরের কাছে ১-০ গোলে হেরেই মাঠ ছাড়তে হলো বাংলাদেশকে। এর আগে গত জুনে ঢাকায় প্রথম লেগেও দারুণ লড়াই করে সিঙ্গাপুরের কাছে ২-১ গোলে হেরেছিল বাংলাদেশ। এ নিয়ে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে পাঁচবারের দেখায় তিনটিতেই হারল লাল-সবুজরা, বাকি দুটি ম্যাচ ড্র হয়েছে।
ম্যাচের প্রথমার্ধেই একমাত্র গোলটি হজম করে বাংলাদেশ। ৩১ মিনিটে মাঝমাঠ থেকে দারুণ এক পাল্টা আক্রমণে ওঠে স্বাগতিকরা। ইখসান ফান্দির পাস থেকে নিখুঁত শটে বল জালে জড়ান সিঙ্গাপুরের হারিস স্টুয়ার্ট। অথচ এর আগে ১৪ মিনিটেই এগিয়ে যেতে পারত বাংলাদেশ। কিন্তু ফাঁকায় বল পেয়েও কানাডাপ্রবাসী সমিত সোমের হেড বারের ওপর দিয়ে যায়। প্রথমার্ধে বক্সে ফাহিম ফাউলের শিকার হলে পেনাল্টির জোরালো আবেদনও নাকচ হয় বাংলাদেশের।
১-০ গোলে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয়ার্ধে সমতায় ফিরতে মরিয়া হয়ে ওঠে বাংলাদেশ। প্রেসিং ফুটবলের পসরা সাজিয়ে দুই প্রান্ত ব্যবহার করে স্বাগতিকদের রক্ষণে বারবার হানা দেয় তারা। গোলের আশায় ৬১ মিনিটে ফাহিমের বদলি হিসেবে শাহরিয়ার ইমনকে মাঠে নামান কাবরেরা। ৭২ মিনিটে ফাহামিদুল ও মোরসালিনকে তুলে নিয়ে মাঠে নামানো হয় বিশ্বনাথ ঘোষ ও মিরাজুল ইসলামকে।
এদিকে বাংলাদেশের প্রেসিংয়ের কারণে স্বাগতিকদের বেশ ক্লান্ত মনে হচ্ছিল। ৬১ মিনিটে হাঁটুতে চোট পেয়ে মাঠে বসে পড়েন সিঙ্গাপুরের ইরফান ফান্দি। ৬৬ মিনিটে দুই ফান্দি ভাই ইরফান এবং ইখসানকে মাঠ থেকে তুলে নিতে বাধ্য হন কোচ।
৭৯ মিনিটে ম্যাচে সমতায় ফেরার সবচেয়ে সুবর্ণ সুযোগটি পেয়েছিল বাংলাদেশ। মাঝমাঠ থেকে পাওয়া ফ্রি-কিকে বল পেয়ে বক্সে দারুণ এক ক্রস বাড়ান হামজা চৌধুরী। সেই বল খুঁজে নেয় বদলি নামা মিরাজুলকে। কিন্তু তার নেওয়া শটটি দুর্ভাগ্যবশত গোলপোস্টে লেগে ফিরে আসে। এটিই ছিল পুরো ম্যাচে সমতায় ফেরার সেরা সুযোগ।
৮৫ মিনিটে সমতায় ফেরার আরও একটি চেষ্টা চালায় বাংলাদেশ। কিন্তু সমিত সোমের নেওয়া শট সরাসরি সিঙ্গাপুরের গোলরক্ষকের গ্লাভসে জমা পড়ে। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ৯০ মিনিটের পর যোগ করা ৪ মিনিটেও জালের দেখা পায়নি বাংলাদেশ। ফিনিশিংয়ের অভাবে ১-০ গোলের হার নিয়েই বাছাইপর্ব শেষ করল কাবরেরার দল।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 









