ঢাকা ১২:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভালো রাজনৈতিক সংস্কৃতির চর্চা সংসদ থেকে শুরু করতে চাই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষায় সবাইকে দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান মির্জা ফখরুলের ভারত ও আ. লীগের সঙ্গে সমঝোতাকারীদের বয়কট করতে হবে: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী যুদ্ধ ‘শিগগিরই’ শেষ হবে, ইরানে আঘাত করার মতো কিছুই বাকি নেই: ট্রাম্প নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আয়োজন করতে হবে: নাহিদ ইসলাম যারা আমাদের নেতাকে হত্যা করেছে, তাদের দেশে বিশ্বকাপ খেলতে যাব না: ইরানের ক্রীড়ামন্ত্রী মানবাধিকার পরিস্থিতির সূচক উন্নতির দিকে: আইনমন্ত্রী জুনে চালু হতে পারে ই-হেলথ কার্ড: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বর্তমান সরকার সবার, কারও প্রতিপক্ষ নয়: প্রবাসীকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নূর সংসদের অধিবেশন কক্ষে কালিমা তাইয়্যেবা লেখা আরবি ক্যালিগ্রাফি স্থাপন

ধামরাইয়ে লিকেজ থেকে গ্যাস বিস্ফোরণ, দগ্ধ স্বামী-স্ত্রী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঢাকার ধামরাইয়ে লিকেজ থেকে চুলার গ্যাস বিস্ফোরণে স্বামী ও স্ত্রী দগ্ধ হয়েছেন। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে ধামরাই পৌরসভার কিষাননগর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তাদের ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়েছে।

দগ্ধ ব্যক্তিরা হলেন- ধামরাই পৌরসভার বিজয়নগর মহল্লার বাসিন্দা সুমনা (৪৫) ও তার স্বামী বাদশা মিয়া (৫৫)।

স্থানীয়রা জানান, রাত সাড়ে ১০টার দিকে কিষাননগর এলাকার বাদশা মিয়ার দ্বিতল ভবনের নিচতলার বাসার রান্না ঘরে বিকট শব্দে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। দুই কক্ষবিশিষ্ট ওই বাসায় বাদশা মিয়া ও তার স্ত্রী সুমনা থাকেন। বিস্ফোরণে রান্না ঘরের ও পাশের একটি কক্ষের জানালার গ্রিলসহ অবকাঠামো বেশ কিছু অংশ ভেঙে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিস্ফোরণের শব্দ শুনেই সেখানে ছুটে যান প্রতিবেশী নুরুল ইসলাম। তিনি বলেন, কক্ষে প্রবেশ করেই দেখতে পাই বাদশা-সুমনা দম্পতি দগ্ধ হয়ে ফ্লোরে পড়ে আছেন। এ সময় তাদের শরীরের বিভিন্ন অংশ আগুনে ঝলসানো ছিল। পরে আশপাশের আরও ১০-১২ জন মিলে দগ্ধ স্বামী-স্ত্রীকে প্রথমে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। ওই হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, সুমনার শরীরের ৮৫ ভাগ ও তার স্বামী বাদশা মিয়ার প্রায় ২০ ভাগ দগ্ধ হয়েছে। তাদেরকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে রাতেই ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়েছে।

ধামরাই ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের কর্মকর্তা আল আমিন বলেন, বাড়িটিতে তিতাস গ্যাসের সংযোগ আছে। তবে ওই দম্পতি কক্ষে সিলিন্ডার গ্যাসও ব্যবহার করতেন। সিলিন্ডারটি অক্ষত পাওয়া গেছে এবং সিলিন্ডারে গ্যাসও রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তিতাসের গ্যাসের সংযোগ লিকেজ থেকে ঘরে জমে থাকা গ্যাস বিস্ফোরণে এ দুর্ঘটনা ঘটছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্তের পর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। দগ্ধ ব্যক্তিদের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিসের এই কর্মকর্তা বলেন, বাদশা মিয়ার স্ত্রী সুমনার অবস্থা আশংকাজনক। তার পুরো শরীর দগ্ধ হয়েছে। আর বাদশা মিয়ার দুই হাতসহ প্রায় ২০ ভাগ দগ্ধ হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভালো রাজনৈতিক সংস্কৃতির চর্চা সংসদ থেকে শুরু করতে চাই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ধামরাইয়ে লিকেজ থেকে গ্যাস বিস্ফোরণ, দগ্ধ স্বামী-স্ত্রী

আপডেট সময় ১২:৩০:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঢাকার ধামরাইয়ে লিকেজ থেকে চুলার গ্যাস বিস্ফোরণে স্বামী ও স্ত্রী দগ্ধ হয়েছেন। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে ধামরাই পৌরসভার কিষাননগর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তাদের ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়েছে।

দগ্ধ ব্যক্তিরা হলেন- ধামরাই পৌরসভার বিজয়নগর মহল্লার বাসিন্দা সুমনা (৪৫) ও তার স্বামী বাদশা মিয়া (৫৫)।

স্থানীয়রা জানান, রাত সাড়ে ১০টার দিকে কিষাননগর এলাকার বাদশা মিয়ার দ্বিতল ভবনের নিচতলার বাসার রান্না ঘরে বিকট শব্দে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। দুই কক্ষবিশিষ্ট ওই বাসায় বাদশা মিয়া ও তার স্ত্রী সুমনা থাকেন। বিস্ফোরণে রান্না ঘরের ও পাশের একটি কক্ষের জানালার গ্রিলসহ অবকাঠামো বেশ কিছু অংশ ভেঙে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিস্ফোরণের শব্দ শুনেই সেখানে ছুটে যান প্রতিবেশী নুরুল ইসলাম। তিনি বলেন, কক্ষে প্রবেশ করেই দেখতে পাই বাদশা-সুমনা দম্পতি দগ্ধ হয়ে ফ্লোরে পড়ে আছেন। এ সময় তাদের শরীরের বিভিন্ন অংশ আগুনে ঝলসানো ছিল। পরে আশপাশের আরও ১০-১২ জন মিলে দগ্ধ স্বামী-স্ত্রীকে প্রথমে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। ওই হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, সুমনার শরীরের ৮৫ ভাগ ও তার স্বামী বাদশা মিয়ার প্রায় ২০ ভাগ দগ্ধ হয়েছে। তাদেরকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে রাতেই ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়েছে।

ধামরাই ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের কর্মকর্তা আল আমিন বলেন, বাড়িটিতে তিতাস গ্যাসের সংযোগ আছে। তবে ওই দম্পতি কক্ষে সিলিন্ডার গ্যাসও ব্যবহার করতেন। সিলিন্ডারটি অক্ষত পাওয়া গেছে এবং সিলিন্ডারে গ্যাসও রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তিতাসের গ্যাসের সংযোগ লিকেজ থেকে ঘরে জমে থাকা গ্যাস বিস্ফোরণে এ দুর্ঘটনা ঘটছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্তের পর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। দগ্ধ ব্যক্তিদের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিসের এই কর্মকর্তা বলেন, বাদশা মিয়ার স্ত্রী সুমনার অবস্থা আশংকাজনক। তার পুরো শরীর দগ্ধ হয়েছে। আর বাদশা মিয়ার দুই হাতসহ প্রায় ২০ ভাগ দগ্ধ হয়েছে।