ঢাকা ০৬:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ধামরাইয়ে লিকেজ থেকে গ্যাস বিস্ফোরণ, দগ্ধ স্বামী-স্ত্রী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঢাকার ধামরাইয়ে লিকেজ থেকে চুলার গ্যাস বিস্ফোরণে স্বামী ও স্ত্রী দগ্ধ হয়েছেন। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে ধামরাই পৌরসভার কিষাননগর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তাদের ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়েছে।

দগ্ধ ব্যক্তিরা হলেন- ধামরাই পৌরসভার বিজয়নগর মহল্লার বাসিন্দা সুমনা (৪৫) ও তার স্বামী বাদশা মিয়া (৫৫)।

স্থানীয়রা জানান, রাত সাড়ে ১০টার দিকে কিষাননগর এলাকার বাদশা মিয়ার দ্বিতল ভবনের নিচতলার বাসার রান্না ঘরে বিকট শব্দে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। দুই কক্ষবিশিষ্ট ওই বাসায় বাদশা মিয়া ও তার স্ত্রী সুমনা থাকেন। বিস্ফোরণে রান্না ঘরের ও পাশের একটি কক্ষের জানালার গ্রিলসহ অবকাঠামো বেশ কিছু অংশ ভেঙে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিস্ফোরণের শব্দ শুনেই সেখানে ছুটে যান প্রতিবেশী নুরুল ইসলাম। তিনি বলেন, কক্ষে প্রবেশ করেই দেখতে পাই বাদশা-সুমনা দম্পতি দগ্ধ হয়ে ফ্লোরে পড়ে আছেন। এ সময় তাদের শরীরের বিভিন্ন অংশ আগুনে ঝলসানো ছিল। পরে আশপাশের আরও ১০-১২ জন মিলে দগ্ধ স্বামী-স্ত্রীকে প্রথমে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। ওই হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, সুমনার শরীরের ৮৫ ভাগ ও তার স্বামী বাদশা মিয়ার প্রায় ২০ ভাগ দগ্ধ হয়েছে। তাদেরকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে রাতেই ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়েছে।

ধামরাই ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের কর্মকর্তা আল আমিন বলেন, বাড়িটিতে তিতাস গ্যাসের সংযোগ আছে। তবে ওই দম্পতি কক্ষে সিলিন্ডার গ্যাসও ব্যবহার করতেন। সিলিন্ডারটি অক্ষত পাওয়া গেছে এবং সিলিন্ডারে গ্যাসও রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তিতাসের গ্যাসের সংযোগ লিকেজ থেকে ঘরে জমে থাকা গ্যাস বিস্ফোরণে এ দুর্ঘটনা ঘটছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্তের পর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। দগ্ধ ব্যক্তিদের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিসের এই কর্মকর্তা বলেন, বাদশা মিয়ার স্ত্রী সুমনার অবস্থা আশংকাজনক। তার পুরো শরীর দগ্ধ হয়েছে। আর বাদশা মিয়ার দুই হাতসহ প্রায় ২০ ভাগ দগ্ধ হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

ধামরাইয়ে লিকেজ থেকে গ্যাস বিস্ফোরণ, দগ্ধ স্বামী-স্ত্রী

আপডেট সময় ১২:৩০:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঢাকার ধামরাইয়ে লিকেজ থেকে চুলার গ্যাস বিস্ফোরণে স্বামী ও স্ত্রী দগ্ধ হয়েছেন। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে ধামরাই পৌরসভার কিষাননগর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তাদের ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়েছে।

দগ্ধ ব্যক্তিরা হলেন- ধামরাই পৌরসভার বিজয়নগর মহল্লার বাসিন্দা সুমনা (৪৫) ও তার স্বামী বাদশা মিয়া (৫৫)।

স্থানীয়রা জানান, রাত সাড়ে ১০টার দিকে কিষাননগর এলাকার বাদশা মিয়ার দ্বিতল ভবনের নিচতলার বাসার রান্না ঘরে বিকট শব্দে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। দুই কক্ষবিশিষ্ট ওই বাসায় বাদশা মিয়া ও তার স্ত্রী সুমনা থাকেন। বিস্ফোরণে রান্না ঘরের ও পাশের একটি কক্ষের জানালার গ্রিলসহ অবকাঠামো বেশ কিছু অংশ ভেঙে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিস্ফোরণের শব্দ শুনেই সেখানে ছুটে যান প্রতিবেশী নুরুল ইসলাম। তিনি বলেন, কক্ষে প্রবেশ করেই দেখতে পাই বাদশা-সুমনা দম্পতি দগ্ধ হয়ে ফ্লোরে পড়ে আছেন। এ সময় তাদের শরীরের বিভিন্ন অংশ আগুনে ঝলসানো ছিল। পরে আশপাশের আরও ১০-১২ জন মিলে দগ্ধ স্বামী-স্ত্রীকে প্রথমে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। ওই হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, সুমনার শরীরের ৮৫ ভাগ ও তার স্বামী বাদশা মিয়ার প্রায় ২০ ভাগ দগ্ধ হয়েছে। তাদেরকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে রাতেই ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়েছে।

ধামরাই ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের কর্মকর্তা আল আমিন বলেন, বাড়িটিতে তিতাস গ্যাসের সংযোগ আছে। তবে ওই দম্পতি কক্ষে সিলিন্ডার গ্যাসও ব্যবহার করতেন। সিলিন্ডারটি অক্ষত পাওয়া গেছে এবং সিলিন্ডারে গ্যাসও রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তিতাসের গ্যাসের সংযোগ লিকেজ থেকে ঘরে জমে থাকা গ্যাস বিস্ফোরণে এ দুর্ঘটনা ঘটছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্তের পর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। দগ্ধ ব্যক্তিদের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিসের এই কর্মকর্তা বলেন, বাদশা মিয়ার স্ত্রী সুমনার অবস্থা আশংকাজনক। তার পুরো শরীর দগ্ধ হয়েছে। আর বাদশা মিয়ার দুই হাতসহ প্রায় ২০ ভাগ দগ্ধ হয়েছে।