ঢাকা ০১:২৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

টানা তিন মাস ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ডিসেম্বর, জানুয়ারির পর ফেব্রুয়ারিতেও তিন বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। গত মাসে ব্যাংকিং চ্যানেলে ৩০২ কোটি ডলার এসেছে। এর আগে জানুয়ারিতে ৩১৭ ও ডিসেম্বরে এসেছিল ৩২২ কোটি ডলার।

সাধারণভাবে রমজান ও ঈদকে কেন্দ্র করে রেমিট্যান্স বেড়ে থাকে। গত ফেব্রুয়ারিতে দিন সংখ্যা কম হওয়ার পরও এ পরিমাণ রেমিট্যান্স এসেছে। আগের বছরের ফেব্রুয়ারিতে এসেছিলো ২৫৩ কোটি ডলার যা ১৯ দশমিক ৫০ শতাংশ। ঈদ ও রমজানের পাশাপাশি এবারের রেমিট্যান্সে নির্বাচনের প্রভাব থাকতে পারে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

দেশের ইতিহাসে এ নিয়ে চতুর্থ কোনো মাসে তিন বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স এসেছে। এর আগে গত বছরের রমজান ও ঈদের মাস মার্চে ৩৩০ কোটি ডলার এসেছিল, এযাবৎ কালের মধ্যে কোনো একক মাসে যা সর্বোচ্চ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের ৮ মাসে প্রবাসীরা মোট দুই হাজার ২৪৫ কোটি ডলার দেশে পাঠিয়েছেন। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এসেছিল ১ হাজার ৮৪৯ কোটি ডলার। এ সময় প্রবাসী আয় বেড়েছে ২১ দশমিক ৪০ শতাংশ। আওয়ামী লীগ পতনের পর গত অর্থবছর রেমিট্যান্স বেড়েছিল ২৬ দশমিক ৮৩ শতাংশ। তার ওপর এই প্রবৃদ্ধি দেশের অর্থনীতি ঠিক রাখতে সহায়ক ভূমিকা রাখছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, অর্থ পাচার ঠেকাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কঠোর অবস্থান নিয়েছে। আবার ঋণের নামে অর্থ আত্মসাৎ ঠেকানোর বিভিন্ন উদ্যোগ চলমান আছে। এতে হুন্ডিপ্রবণতা কমে যাওয়ায় বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স বাড়ছে।

রেমিট্যান্স উচ্চ প্রবৃদ্ধির ফলে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে গত ২৫ ফেব্রুয়ারি গ্রস ৩৫ দশমিক শুন্য ৩ বিলিয়ন ডলার হয়েছে। বিপিএম৬ অনুযায়ী, যা ৩০ দশমিক ২৮ বিলিয়নে রয়েছে। আওয়ামী লীগ পতনের সময় যা ২০ দশমিক ৪৮ বিলিয়নে নেমেছিল। এতে আমদানিতে ৬ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধির পরও ডলারের সংকট নেই। দীর্ঘদিন ধরে ডলারের দর ১২২ টাকায় স্থিতিশীল রয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

টানা তিন মাস ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স

আপডেট সময় ০৪:১৫:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ডিসেম্বর, জানুয়ারির পর ফেব্রুয়ারিতেও তিন বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। গত মাসে ব্যাংকিং চ্যানেলে ৩০২ কোটি ডলার এসেছে। এর আগে জানুয়ারিতে ৩১৭ ও ডিসেম্বরে এসেছিল ৩২২ কোটি ডলার।

সাধারণভাবে রমজান ও ঈদকে কেন্দ্র করে রেমিট্যান্স বেড়ে থাকে। গত ফেব্রুয়ারিতে দিন সংখ্যা কম হওয়ার পরও এ পরিমাণ রেমিট্যান্স এসেছে। আগের বছরের ফেব্রুয়ারিতে এসেছিলো ২৫৩ কোটি ডলার যা ১৯ দশমিক ৫০ শতাংশ। ঈদ ও রমজানের পাশাপাশি এবারের রেমিট্যান্সে নির্বাচনের প্রভাব থাকতে পারে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

দেশের ইতিহাসে এ নিয়ে চতুর্থ কোনো মাসে তিন বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স এসেছে। এর আগে গত বছরের রমজান ও ঈদের মাস মার্চে ৩৩০ কোটি ডলার এসেছিল, এযাবৎ কালের মধ্যে কোনো একক মাসে যা সর্বোচ্চ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের ৮ মাসে প্রবাসীরা মোট দুই হাজার ২৪৫ কোটি ডলার দেশে পাঠিয়েছেন। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এসেছিল ১ হাজার ৮৪৯ কোটি ডলার। এ সময় প্রবাসী আয় বেড়েছে ২১ দশমিক ৪০ শতাংশ। আওয়ামী লীগ পতনের পর গত অর্থবছর রেমিট্যান্স বেড়েছিল ২৬ দশমিক ৮৩ শতাংশ। তার ওপর এই প্রবৃদ্ধি দেশের অর্থনীতি ঠিক রাখতে সহায়ক ভূমিকা রাখছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, অর্থ পাচার ঠেকাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কঠোর অবস্থান নিয়েছে। আবার ঋণের নামে অর্থ আত্মসাৎ ঠেকানোর বিভিন্ন উদ্যোগ চলমান আছে। এতে হুন্ডিপ্রবণতা কমে যাওয়ায় বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স বাড়ছে।

রেমিট্যান্স উচ্চ প্রবৃদ্ধির ফলে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে গত ২৫ ফেব্রুয়ারি গ্রস ৩৫ দশমিক শুন্য ৩ বিলিয়ন ডলার হয়েছে। বিপিএম৬ অনুযায়ী, যা ৩০ দশমিক ২৮ বিলিয়নে রয়েছে। আওয়ামী লীগ পতনের সময় যা ২০ দশমিক ৪৮ বিলিয়নে নেমেছিল। এতে আমদানিতে ৬ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধির পরও ডলারের সংকট নেই। দীর্ঘদিন ধরে ডলারের দর ১২২ টাকায় স্থিতিশীল রয়েছে।