ঢাকা ০৯:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

টানা তিন মাস ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ডিসেম্বর, জানুয়ারির পর ফেব্রুয়ারিতেও তিন বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। গত মাসে ব্যাংকিং চ্যানেলে ৩০২ কোটি ডলার এসেছে। এর আগে জানুয়ারিতে ৩১৭ ও ডিসেম্বরে এসেছিল ৩২২ কোটি ডলার।

সাধারণভাবে রমজান ও ঈদকে কেন্দ্র করে রেমিট্যান্স বেড়ে থাকে। গত ফেব্রুয়ারিতে দিন সংখ্যা কম হওয়ার পরও এ পরিমাণ রেমিট্যান্স এসেছে। আগের বছরের ফেব্রুয়ারিতে এসেছিলো ২৫৩ কোটি ডলার যা ১৯ দশমিক ৫০ শতাংশ। ঈদ ও রমজানের পাশাপাশি এবারের রেমিট্যান্সে নির্বাচনের প্রভাব থাকতে পারে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

দেশের ইতিহাসে এ নিয়ে চতুর্থ কোনো মাসে তিন বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স এসেছে। এর আগে গত বছরের রমজান ও ঈদের মাস মার্চে ৩৩০ কোটি ডলার এসেছিল, এযাবৎ কালের মধ্যে কোনো একক মাসে যা সর্বোচ্চ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের ৮ মাসে প্রবাসীরা মোট দুই হাজার ২৪৫ কোটি ডলার দেশে পাঠিয়েছেন। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এসেছিল ১ হাজার ৮৪৯ কোটি ডলার। এ সময় প্রবাসী আয় বেড়েছে ২১ দশমিক ৪০ শতাংশ। আওয়ামী লীগ পতনের পর গত অর্থবছর রেমিট্যান্স বেড়েছিল ২৬ দশমিক ৮৩ শতাংশ। তার ওপর এই প্রবৃদ্ধি দেশের অর্থনীতি ঠিক রাখতে সহায়ক ভূমিকা রাখছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, অর্থ পাচার ঠেকাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কঠোর অবস্থান নিয়েছে। আবার ঋণের নামে অর্থ আত্মসাৎ ঠেকানোর বিভিন্ন উদ্যোগ চলমান আছে। এতে হুন্ডিপ্রবণতা কমে যাওয়ায় বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স বাড়ছে।

রেমিট্যান্স উচ্চ প্রবৃদ্ধির ফলে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে গত ২৫ ফেব্রুয়ারি গ্রস ৩৫ দশমিক শুন্য ৩ বিলিয়ন ডলার হয়েছে। বিপিএম৬ অনুযায়ী, যা ৩০ দশমিক ২৮ বিলিয়নে রয়েছে। আওয়ামী লীগ পতনের সময় যা ২০ দশমিক ৪৮ বিলিয়নে নেমেছিল। এতে আমদানিতে ৬ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধির পরও ডলারের সংকট নেই। দীর্ঘদিন ধরে ডলারের দর ১২২ টাকায় স্থিতিশীল রয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

টানা তিন মাস ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স

আপডেট সময় ০৪:১৫:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ডিসেম্বর, জানুয়ারির পর ফেব্রুয়ারিতেও তিন বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। গত মাসে ব্যাংকিং চ্যানেলে ৩০২ কোটি ডলার এসেছে। এর আগে জানুয়ারিতে ৩১৭ ও ডিসেম্বরে এসেছিল ৩২২ কোটি ডলার।

সাধারণভাবে রমজান ও ঈদকে কেন্দ্র করে রেমিট্যান্স বেড়ে থাকে। গত ফেব্রুয়ারিতে দিন সংখ্যা কম হওয়ার পরও এ পরিমাণ রেমিট্যান্স এসেছে। আগের বছরের ফেব্রুয়ারিতে এসেছিলো ২৫৩ কোটি ডলার যা ১৯ দশমিক ৫০ শতাংশ। ঈদ ও রমজানের পাশাপাশি এবারের রেমিট্যান্সে নির্বাচনের প্রভাব থাকতে পারে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

দেশের ইতিহাসে এ নিয়ে চতুর্থ কোনো মাসে তিন বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স এসেছে। এর আগে গত বছরের রমজান ও ঈদের মাস মার্চে ৩৩০ কোটি ডলার এসেছিল, এযাবৎ কালের মধ্যে কোনো একক মাসে যা সর্বোচ্চ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের ৮ মাসে প্রবাসীরা মোট দুই হাজার ২৪৫ কোটি ডলার দেশে পাঠিয়েছেন। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এসেছিল ১ হাজার ৮৪৯ কোটি ডলার। এ সময় প্রবাসী আয় বেড়েছে ২১ দশমিক ৪০ শতাংশ। আওয়ামী লীগ পতনের পর গত অর্থবছর রেমিট্যান্স বেড়েছিল ২৬ দশমিক ৮৩ শতাংশ। তার ওপর এই প্রবৃদ্ধি দেশের অর্থনীতি ঠিক রাখতে সহায়ক ভূমিকা রাখছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, অর্থ পাচার ঠেকাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কঠোর অবস্থান নিয়েছে। আবার ঋণের নামে অর্থ আত্মসাৎ ঠেকানোর বিভিন্ন উদ্যোগ চলমান আছে। এতে হুন্ডিপ্রবণতা কমে যাওয়ায় বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স বাড়ছে।

রেমিট্যান্স উচ্চ প্রবৃদ্ধির ফলে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে গত ২৫ ফেব্রুয়ারি গ্রস ৩৫ দশমিক শুন্য ৩ বিলিয়ন ডলার হয়েছে। বিপিএম৬ অনুযায়ী, যা ৩০ দশমিক ২৮ বিলিয়নে রয়েছে। আওয়ামী লীগ পতনের সময় যা ২০ দশমিক ৪৮ বিলিয়নে নেমেছিল। এতে আমদানিতে ৬ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধির পরও ডলারের সংকট নেই। দীর্ঘদিন ধরে ডলারের দর ১২২ টাকায় স্থিতিশীল রয়েছে।