ঢাকা ০৩:০৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
যুক্তরাষ্ট্রের নাম না নিয়ে ইরানে হামলার নিন্দা জামায়াত আমিরের বাংলাদেশে পুনরায় গণতন্ত্র ফিরিয়ে এনেছেন তারেক রহমান: মঈন খান উইন্ডিজকে বিদায় করে সেমিফাইনালে ভারত ইরানের নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনায় রাজি ট্রাম্প রাষ্ট্রপতিকে অপসারণ করে গ্রেপ্তার করতে হবে: নাহিদ ইসলাম ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট আহমেদিনেজাদ নিহত ইরানে হামলা বন্ধ না হলে বৃহত্তর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবো: এটিএম আজহার রুমমেটের দেহ ৭ টুকরো করে পাঁচ জায়গায় ফেলে আসেন শাহীন: পুলিশ সাধারণ মানুষ যেন উন্নত স্বাস্থ্যসেবা পায়, সে বিষয়ে সবসময় সজাগ থাকব : মির্জা ফখরুল ভারতের সঙ্গে দ্বি-পাক্ষিক সম্পর্কের ভিত্তি হবে জনগণ, রাজনৈতিক দল নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

টানা তিন মাস ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ডিসেম্বর, জানুয়ারির পর ফেব্রুয়ারিতেও তিন বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। গত মাসে ব্যাংকিং চ্যানেলে ৩০২ কোটি ডলার এসেছে। এর আগে জানুয়ারিতে ৩১৭ ও ডিসেম্বরে এসেছিল ৩২২ কোটি ডলার।

সাধারণভাবে রমজান ও ঈদকে কেন্দ্র করে রেমিট্যান্স বেড়ে থাকে। গত ফেব্রুয়ারিতে দিন সংখ্যা কম হওয়ার পরও এ পরিমাণ রেমিট্যান্স এসেছে। আগের বছরের ফেব্রুয়ারিতে এসেছিলো ২৫৩ কোটি ডলার যা ১৯ দশমিক ৫০ শতাংশ। ঈদ ও রমজানের পাশাপাশি এবারের রেমিট্যান্সে নির্বাচনের প্রভাব থাকতে পারে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

দেশের ইতিহাসে এ নিয়ে চতুর্থ কোনো মাসে তিন বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স এসেছে। এর আগে গত বছরের রমজান ও ঈদের মাস মার্চে ৩৩০ কোটি ডলার এসেছিল, এযাবৎ কালের মধ্যে কোনো একক মাসে যা সর্বোচ্চ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের ৮ মাসে প্রবাসীরা মোট দুই হাজার ২৪৫ কোটি ডলার দেশে পাঠিয়েছেন। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এসেছিল ১ হাজার ৮৪৯ কোটি ডলার। এ সময় প্রবাসী আয় বেড়েছে ২১ দশমিক ৪০ শতাংশ। আওয়ামী লীগ পতনের পর গত অর্থবছর রেমিট্যান্স বেড়েছিল ২৬ দশমিক ৮৩ শতাংশ। তার ওপর এই প্রবৃদ্ধি দেশের অর্থনীতি ঠিক রাখতে সহায়ক ভূমিকা রাখছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, অর্থ পাচার ঠেকাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কঠোর অবস্থান নিয়েছে। আবার ঋণের নামে অর্থ আত্মসাৎ ঠেকানোর বিভিন্ন উদ্যোগ চলমান আছে। এতে হুন্ডিপ্রবণতা কমে যাওয়ায় বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স বাড়ছে।

রেমিট্যান্স উচ্চ প্রবৃদ্ধির ফলে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে গত ২৫ ফেব্রুয়ারি গ্রস ৩৫ দশমিক শুন্য ৩ বিলিয়ন ডলার হয়েছে। বিপিএম৬ অনুযায়ী, যা ৩০ দশমিক ২৮ বিলিয়নে রয়েছে। আওয়ামী লীগ পতনের সময় যা ২০ দশমিক ৪৮ বিলিয়নে নেমেছিল। এতে আমদানিতে ৬ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধির পরও ডলারের সংকট নেই। দীর্ঘদিন ধরে ডলারের দর ১২২ টাকায় স্থিতিশীল রয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

টানা তিন মাস ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স

আপডেট সময় ০৪:১৫:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ডিসেম্বর, জানুয়ারির পর ফেব্রুয়ারিতেও তিন বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। গত মাসে ব্যাংকিং চ্যানেলে ৩০২ কোটি ডলার এসেছে। এর আগে জানুয়ারিতে ৩১৭ ও ডিসেম্বরে এসেছিল ৩২২ কোটি ডলার।

সাধারণভাবে রমজান ও ঈদকে কেন্দ্র করে রেমিট্যান্স বেড়ে থাকে। গত ফেব্রুয়ারিতে দিন সংখ্যা কম হওয়ার পরও এ পরিমাণ রেমিট্যান্স এসেছে। আগের বছরের ফেব্রুয়ারিতে এসেছিলো ২৫৩ কোটি ডলার যা ১৯ দশমিক ৫০ শতাংশ। ঈদ ও রমজানের পাশাপাশি এবারের রেমিট্যান্সে নির্বাচনের প্রভাব থাকতে পারে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

দেশের ইতিহাসে এ নিয়ে চতুর্থ কোনো মাসে তিন বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স এসেছে। এর আগে গত বছরের রমজান ও ঈদের মাস মার্চে ৩৩০ কোটি ডলার এসেছিল, এযাবৎ কালের মধ্যে কোনো একক মাসে যা সর্বোচ্চ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের ৮ মাসে প্রবাসীরা মোট দুই হাজার ২৪৫ কোটি ডলার দেশে পাঠিয়েছেন। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এসেছিল ১ হাজার ৮৪৯ কোটি ডলার। এ সময় প্রবাসী আয় বেড়েছে ২১ দশমিক ৪০ শতাংশ। আওয়ামী লীগ পতনের পর গত অর্থবছর রেমিট্যান্স বেড়েছিল ২৬ দশমিক ৮৩ শতাংশ। তার ওপর এই প্রবৃদ্ধি দেশের অর্থনীতি ঠিক রাখতে সহায়ক ভূমিকা রাখছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, অর্থ পাচার ঠেকাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কঠোর অবস্থান নিয়েছে। আবার ঋণের নামে অর্থ আত্মসাৎ ঠেকানোর বিভিন্ন উদ্যোগ চলমান আছে। এতে হুন্ডিপ্রবণতা কমে যাওয়ায় বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স বাড়ছে।

রেমিট্যান্স উচ্চ প্রবৃদ্ধির ফলে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে গত ২৫ ফেব্রুয়ারি গ্রস ৩৫ দশমিক শুন্য ৩ বিলিয়ন ডলার হয়েছে। বিপিএম৬ অনুযায়ী, যা ৩০ দশমিক ২৮ বিলিয়নে রয়েছে। আওয়ামী লীগ পতনের সময় যা ২০ দশমিক ৪৮ বিলিয়নে নেমেছিল। এতে আমদানিতে ৬ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধির পরও ডলারের সংকট নেই। দীর্ঘদিন ধরে ডলারের দর ১২২ টাকায় স্থিতিশীল রয়েছে।