ঢাকা ০৯:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

তুচ্ছ কারণে স্কুলছাত্রকে লাথি দিয়ে হত্যা, যুবক গ্রেপ্তার

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বরিশালের হিজলায় তুচ্ছ ঘটনায় স্কুলছাত্রকে লাথি দিয়ে প্রতিবেশী যুবক হত্যা করেছে। শুক্রবার লাশ উদ্ধারের পর স্থানীয়রা অভিযুক্তকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। হিজলা উপজেলার চরবিশোর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

নিহত আরিফ রাঢ়ী (১২) উপজেলার হিজলা-গৌরবদী ইউনিয়নের চরবিশোর গ্রামের বাসিন্দা আনিছ রাঢ়ীর ছেলে। অভিযুক্ত মোশারফ বয়াতি (২৬) প্রতিবেশী শাহজালাল বয়াতির ছেলে।

তার বরাতে সহকারী পুলিশ সুপার তারেক আমান বান্না জানান, বৃহস্পতিবার এশার নামাজের পূর্বে পাশের মোশারফের ঘরে যায় আরিফ। মোশারফকে খাটে শোয়া দেখে আরিফ তাকে নামাজে যাওয়ার জন্য উঠতে বলেন। কিন্তু মোশারফ উঠতে না চাইলে আরিফ তাকে একটি চড় দেয়। রাগে মোশারফ আরিফের বুকের ওপর লাথি দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই আরিফের মৃত্যু হয়। পরে তার লাশ বাড়ির পাশে খালে ফেলে দেয়। সকাল আটটার দিকে আরিফের লাশ খালের পাড়ে দেখতে পায় স্বজনরা। তারা আরিফকে হত্যার ঘটনায় মোশারফ জড়িত থাকার সন্দেহ করে জিজ্ঞাসাবাদ করে। তখন মোশারফ তাকে হত্যার কথা স্বীকার করে।

এএসপি বান্না বলেন, লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। লাশের ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হবে। মোশারফকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়াও তার মাকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এখন পর্যন্ত মামলা হয়নি। মামলায় তাকে আসামি করা হলে তাকেও গ্রেপ্তার দেখানো হবে।

এদিকে, এলাকাবাসীর অভিযোগ সকাল ৮টার দিকে খালের পাড়ে দেখতে পাওয়া গেলেও হিজলা থানার ওসি আদিল হোসেন দুপুর পর্যন্ত একজন পুলিশও পাঠাননি। হত্যাকারীকে স্থানীয়রা আটক করে। পুলিশ যেতে দেরি করায় দীর্ঘক্ষণ তাকে বেঁধে রাখা হয়। এ সময় তাকে স্থানীয় বিক্ষুব্ধরা মারধর করে।

এ বিষয়ে জানতে ওসি আদিল হোসেনের মোবাইলে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। পুলিশ সুপার ফারজানা ইসলাম বিষয়টি দেখবেন বলে জানিয়েছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

তুচ্ছ কারণে স্কুলছাত্রকে লাথি দিয়ে হত্যা, যুবক গ্রেপ্তার

আপডেট সময় ০৭:২০:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বরিশালের হিজলায় তুচ্ছ ঘটনায় স্কুলছাত্রকে লাথি দিয়ে প্রতিবেশী যুবক হত্যা করেছে। শুক্রবার লাশ উদ্ধারের পর স্থানীয়রা অভিযুক্তকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। হিজলা উপজেলার চরবিশোর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

নিহত আরিফ রাঢ়ী (১২) উপজেলার হিজলা-গৌরবদী ইউনিয়নের চরবিশোর গ্রামের বাসিন্দা আনিছ রাঢ়ীর ছেলে। অভিযুক্ত মোশারফ বয়াতি (২৬) প্রতিবেশী শাহজালাল বয়াতির ছেলে।

তার বরাতে সহকারী পুলিশ সুপার তারেক আমান বান্না জানান, বৃহস্পতিবার এশার নামাজের পূর্বে পাশের মোশারফের ঘরে যায় আরিফ। মোশারফকে খাটে শোয়া দেখে আরিফ তাকে নামাজে যাওয়ার জন্য উঠতে বলেন। কিন্তু মোশারফ উঠতে না চাইলে আরিফ তাকে একটি চড় দেয়। রাগে মোশারফ আরিফের বুকের ওপর লাথি দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই আরিফের মৃত্যু হয়। পরে তার লাশ বাড়ির পাশে খালে ফেলে দেয়। সকাল আটটার দিকে আরিফের লাশ খালের পাড়ে দেখতে পায় স্বজনরা। তারা আরিফকে হত্যার ঘটনায় মোশারফ জড়িত থাকার সন্দেহ করে জিজ্ঞাসাবাদ করে। তখন মোশারফ তাকে হত্যার কথা স্বীকার করে।

এএসপি বান্না বলেন, লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। লাশের ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হবে। মোশারফকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়াও তার মাকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এখন পর্যন্ত মামলা হয়নি। মামলায় তাকে আসামি করা হলে তাকেও গ্রেপ্তার দেখানো হবে।

এদিকে, এলাকাবাসীর অভিযোগ সকাল ৮টার দিকে খালের পাড়ে দেখতে পাওয়া গেলেও হিজলা থানার ওসি আদিল হোসেন দুপুর পর্যন্ত একজন পুলিশও পাঠাননি। হত্যাকারীকে স্থানীয়রা আটক করে। পুলিশ যেতে দেরি করায় দীর্ঘক্ষণ তাকে বেঁধে রাখা হয়। এ সময় তাকে স্থানীয় বিক্ষুব্ধরা মারধর করে।

এ বিষয়ে জানতে ওসি আদিল হোসেনের মোবাইলে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। পুলিশ সুপার ফারজানা ইসলাম বিষয়টি দেখবেন বলে জানিয়েছেন।