আকাশ নিউজ ডেস্ক :
বাংলাদেশ সময় সোমবার ভোরে আকাশে দেখা গেছে ফেব্রুয়ারির পূর্ণিমা, যাকে ‘স্নো মুন’ নামে ডাকা হয়। উত্তর আমেরিকায় এ সময় তুষারপাত বেশি হয় বলে এই নামটি জনপ্রিয়। পূর্ণিমার চাঁদ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকেই দেখা যায়। বাংলাদেশে রবিবার রাত থেকে সোমবার ভোর পর্যন্ত চাঁদ ছিল প্রায় পূর্ণিমার মতো উজ্জ্বল।
আর্থস্কাই-এর তথ্য অনুযায়ী, পূর্ণিমা সর্বোচ্চ উজ্জ্বল হয়েছিল রবিবার বিকাল ৫টা ৯ মিনিটে (ইস্টার্ন টাইম)। বাংলাদেশ সময় তা ছিল সোমবার ভোর ৪টা ৯ মিনিটে। ফলে দেশে চাঁদ দেখার সবচেয়ে ভালো সময় ছিল রবিবার রাত এবং সোমবার ভোর।
নাসার গডার্ড স্পেস ফ্লাইট সেন্টারের বিজ্ঞানী নোয়া পেট্রো জানান, পূর্ণিমার সময় চাঁদের পৃষ্ঠে আলো-অন্ধকার অংশ খালি চোখেও দেখা যায়। টেলিস্কোপ বা দূরবীন ব্যবহার করলে চাঁদের গর্ত (ক্রেটার) ও বিভিন্ন গঠন আরও স্পষ্ট বোঝা সম্ভব।
এদিকে আকাশপ্রেমীদের জন্য সামনে আরও কয়েকটি বড় জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক ঘটনা রয়েছে। ফারমার্স অ্যালমানাকের তালিকা অনুযায়ী, ৩ মার্চ আবার পূর্ণিমা হবে (ওয়ার্ম মুন)। একই দিনে এশিয়া অঞ্চলের আকাশে পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ দেখা যেতে পারে। চন্দ্রগ্রহণের সময় চাঁদ লালচে দেখাতে পারে, যাকে অনেকে ‘ব্লাড মুন’ (রক্তিম চাঁদ) বলেন।
এছাড়া ২০২৬ সালের নভেম্বর ও ডিসেম্বরে দেখা যেতে পারে সুপারমুন ; চাঁদ পৃথিবীর তুলনামূলক কাছাকাছি চলে এলে এটি স্বাভাবিকের চেয়ে বড় ও উজ্জ্বল দেখায়।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব দৃশ্য উপভোগ করতে শহরের অতিরিক্ত আলো এড়িয়ে খোলা জায়গা বেছে নেওয়া ভালো। আকাশ পরিষ্কার থাকলে বাংলাদেশ থেকেও এসব ঘটনা সহজে দেখা যাবে।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 
























