আকাশ জাতীয় ডেস্ক :
মুন্সীগঞ্জের সদরের পঞ্চসারে সাত বছরের শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় আল আমিন (৩৫) এবং টঙ্গীবাড়িতে ধর্ষণের চেষ্টাকারী নূর ইসলাম (৭২) নামে দুইজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে মুন্সীগঞ্জ জেলা পুলিশ।
পঞ্চসারের ঘটনায় পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বিকাল ৪টার দিকে সদর উপজেলার পঞ্চসার ইউনিয়নের দশকানি (ভূইয়াবাড়ী) এলাকায় মজিবুর ভূইয়ার বাড়ির সামনে খেলা করছিল ভুক্তভোগী শিশুটি। এসময় ওই বাড়ির ভাড়াটিয়া আল আমিন (পিতা: সেলেম) কৌশলে শিশুটিকে পাশের একটি বাথরুমে নিয়ে ধর্ষণ করে। ঘটনার পর ভুক্তভোগী শিশুর বাবা মুন্সীগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে তাৎক্ষণিকভাবে ধর্ষণ মামলা রুজু করা হয়।
ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত আল আমিন এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে চলে যায়। পরে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই শিপন আলী শেখ তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান শুরু করেন। ঘাতক পলাতক থাকলেও পুলিশ তার অবস্থান শনাক্ত করতে সক্ষম হয়। অবশেষে ঘটনার মাত্র ৫ ঘণ্টার ব্যবধানে অভিযুক্ত আল আমিনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। সোমবার বিকালে ঘটনার মাত্র ৫ ঘণ্টা পর অভিযুক্তকে আটক করে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। পরে ওই ব্যক্তি আদালতে ১৬৪ ধারায় ঘটনার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। মঙ্গলবার (২৭ শে জানুয়ারি) অভিযুক্তকে ধর্ষণের মামলায় আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
এছাড়াও টঙ্গীবাড়ি উপজেলার ধর্ষণ চেষ্টার ঘটনায় জানা যায়, গত ২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসের ৯ তারিখে একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। ভিডিও সূত্রে জানা যায়, টংগীবাড়ী উপজেলার পাশের একটি প্রতিষ্ঠানের অফিস কক্ষে নির্জন সময়ে ১১ বছরের একটি শিশুকে একাকী পেয়ে নতুন বই দেওয়ার কথা বলে ধর্ষণের চেষ্টা করে প্রহরী (সাবেক) নুর ইসলাম। পরবর্তীতে সোমবার (২৬ শে জানুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ ঘটনা সংক্রান্ত একটি ভিডিও জেলা পুলিশের নজরে আসা মাত্রই টঙ্গীবাড়ি থানা পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে।
আটক আল আমিন সদর উপজেলার দশকানী এলাকার সেলেম মিয়ার ছেলে। অপর অভিযুক্ত নূর ইসলাম টঙ্গীবাড়ি উপজেলার ধীপুর গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 



















