ঢাকা ১২:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ২৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আপত্তি থাকলে আগেই বলুন, বিল পাশের পর বলছেন আমি কিছু বুঝিলাম না:জামায়াত আমিরকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিএনপির উচিত বিতর্কিত কর্মকাণ্ডগুলো ৬ মাসের মধ্যেই শেষ করে ফেলা: সামান্থা খুলনায় ছেলের লাঠির আঘাতে মায়ের মৃত্যু এসএসসির খাতা মূল্যায়নে পরীক্ষকদের শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশনা শত্রুতামূলক আচরণ না করলে হরমুজ দিয়ে মার্কিন জাহাজ চলতে পারবে: ইরান লেবাননে কোনো যুদ্ধবিরতি চলছে না, হামলা অব্যাহত থাকবে: নেতানিয়াহু বাংলা নববর্ষ উদযাপন ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার ডিএমপির উচ্চশিক্ষা, বৃত্তি ও দক্ষতা উন্নয়নে সহযোগিতা জোরদার করবে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া বর্তমান সরকার জুলাই বিপ্লবের চেতনার বহিঃপ্রকাশ: অ্যাটর্নি জেনারেল ১৬ বছরের দুর্নীতি-লুটপাটে অর্থনীতি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে: অর্থমন্ত্রী

নির্বাচনি প্রচারে বাধা দেওয়ায় বিএনপি-জামায়াত নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক : 

লক্ষ্মীপুরে দাঁড়িপাল্লার পক্ষে মহিলা জামায়াতের কর্মীদের নির্বাচনি প্রচারে বাধা সৃষ্টি করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তর্কাতর্কির একপর্যায়ে বিএনপি ও জামায়াতের পুরুষ নেতাকর্মীরা মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন। এতে অন্তত ৬ জন আহত হয়েছে।

রোববার (২৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় সদর উপজেলার বশিকপুর ইউনিয়নের শিবরামপুর গ্রামে মারামারির ঘটনা ঘটে। রাতেই স্থানীয় বাজারে হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করে জামায়াত।

মারামারির ঘটনায় আহত কয়েকজনকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদেরকে দেখতে রাতে প্রথমে লক্ষ্মীপুর-২ (রায়পুর ও সদরের একাংশ) আসনের দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী ও জেলা জামায়াতের আমির এসইউএম রুহুল আমিন ভূঁইয়া হাসপাতালে যান। এসময় তিনি বিএনপির ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

‎জামায়াতের দলীয় সূত্র জানায়, জামায়াত প্রার্থীর পক্ষে পোদ্দার বাজারের পাশে একটি বাড়িতে মহিলা কর্মীরা প্রচারে গেলে স্থানীয় বিএনপির লোকজন বাধা দেয়। এ ঘটনায় বশিকপুর ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মাইনুদ্দিন তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে গেলে সেখানে ইউনিয়ন বিএনপির সম্পাদক ইকবাল হোসেনের সঙ্গে তর্কাতর্কি হয়। একপর্যায়ে বিএনপির লোকজন তাদের ওপর হামলা করে। এতে তাদের ৬ জন নেতাকর্মী আহত হয়।

আহতরা হলেন- জামায়াত নেতা মাইন উদ্দিন, কর্মী আবু তৈয়ব, যুব বিভাগের নেতা মো. তারেক, জুয়েল হোসেন, রিয়াদ হোসেন ও রুবেল হোসেন।

‎সদর উপজেলা (পশ্চিম) বিএনপির সভাপতি মাহবুবুর রহমান খোকন বলেন, বিএনপি নেতা ইকবালসহ নেতাকর্মীরা ধানের শীষের প্রচার করছিলেন। তখন মহিলা জামায়াতের লোকজন একটা ঘরে ছিলেন। সেখানেই হঠাৎ ইউনিয়ন জামায়াতের আমিরসহ কয়েকজন এসে উত্তপ্ত পরিবেশ তৈরি করে। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে তর্কাতর্কি হয়। তবে মারামারি বা বড় ধরণের কোন ঘটনা ঘটেনি।

জামায়াতের প্রার্থী রুহুল আমিন ভূঁইয়া বলেন, মাঠ পর্যায়ে বিএনপির ভোট নেই। তাই তারা পাগল হয়ে গেছে। আমরা আজকের হামলার তীব্র নিন্দা জানাই এবং এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারের দাবি জানাই।

বিএনপির প্রার্থী আবুল খায়ের ভূঁইয়া বলেন, ভুল বুঝাবুঝির কারণে বশিকপুরে অপ্রত্যাশিত ঘটনা ঘটেছে। ঘটনা ছোট হলেও এটি আমরা গুরুত্ব দিয়ে দেখছি। নেতাকর্মীদের সতর্ক করা হয়েছে। আমরা আন্দোলন সংগ্রাম করেছি নির্বাচনের জন্য। এসব অপ্রত্যাশিত ঘটনা কাম্য নয়। যেভাবেই হোক দ্রুত বিষয়টি সমাধান করার জন্য স্থানীয় নেতাদের বলেছি।

‎চন্দ্রগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ মোরশেদ আলম বলেন, প্রচারের সময় দুপক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি তদন্তের জন্য পোদ্দার বাজার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তবে কোন পক্ষ থেকে আমরা অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হবে ৪ শতাংশ: এডিবি

নির্বাচনি প্রচারে বাধা দেওয়ায় বিএনপি-জামায়াত নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ

আপডেট সময় ০১:৫০:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক : 

লক্ষ্মীপুরে দাঁড়িপাল্লার পক্ষে মহিলা জামায়াতের কর্মীদের নির্বাচনি প্রচারে বাধা সৃষ্টি করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তর্কাতর্কির একপর্যায়ে বিএনপি ও জামায়াতের পুরুষ নেতাকর্মীরা মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন। এতে অন্তত ৬ জন আহত হয়েছে।

রোববার (২৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় সদর উপজেলার বশিকপুর ইউনিয়নের শিবরামপুর গ্রামে মারামারির ঘটনা ঘটে। রাতেই স্থানীয় বাজারে হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করে জামায়াত।

মারামারির ঘটনায় আহত কয়েকজনকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদেরকে দেখতে রাতে প্রথমে লক্ষ্মীপুর-২ (রায়পুর ও সদরের একাংশ) আসনের দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী ও জেলা জামায়াতের আমির এসইউএম রুহুল আমিন ভূঁইয়া হাসপাতালে যান। এসময় তিনি বিএনপির ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

‎জামায়াতের দলীয় সূত্র জানায়, জামায়াত প্রার্থীর পক্ষে পোদ্দার বাজারের পাশে একটি বাড়িতে মহিলা কর্মীরা প্রচারে গেলে স্থানীয় বিএনপির লোকজন বাধা দেয়। এ ঘটনায় বশিকপুর ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মাইনুদ্দিন তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে গেলে সেখানে ইউনিয়ন বিএনপির সম্পাদক ইকবাল হোসেনের সঙ্গে তর্কাতর্কি হয়। একপর্যায়ে বিএনপির লোকজন তাদের ওপর হামলা করে। এতে তাদের ৬ জন নেতাকর্মী আহত হয়।

আহতরা হলেন- জামায়াত নেতা মাইন উদ্দিন, কর্মী আবু তৈয়ব, যুব বিভাগের নেতা মো. তারেক, জুয়েল হোসেন, রিয়াদ হোসেন ও রুবেল হোসেন।

‎সদর উপজেলা (পশ্চিম) বিএনপির সভাপতি মাহবুবুর রহমান খোকন বলেন, বিএনপি নেতা ইকবালসহ নেতাকর্মীরা ধানের শীষের প্রচার করছিলেন। তখন মহিলা জামায়াতের লোকজন একটা ঘরে ছিলেন। সেখানেই হঠাৎ ইউনিয়ন জামায়াতের আমিরসহ কয়েকজন এসে উত্তপ্ত পরিবেশ তৈরি করে। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে তর্কাতর্কি হয়। তবে মারামারি বা বড় ধরণের কোন ঘটনা ঘটেনি।

জামায়াতের প্রার্থী রুহুল আমিন ভূঁইয়া বলেন, মাঠ পর্যায়ে বিএনপির ভোট নেই। তাই তারা পাগল হয়ে গেছে। আমরা আজকের হামলার তীব্র নিন্দা জানাই এবং এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারের দাবি জানাই।

বিএনপির প্রার্থী আবুল খায়ের ভূঁইয়া বলেন, ভুল বুঝাবুঝির কারণে বশিকপুরে অপ্রত্যাশিত ঘটনা ঘটেছে। ঘটনা ছোট হলেও এটি আমরা গুরুত্ব দিয়ে দেখছি। নেতাকর্মীদের সতর্ক করা হয়েছে। আমরা আন্দোলন সংগ্রাম করেছি নির্বাচনের জন্য। এসব অপ্রত্যাশিত ঘটনা কাম্য নয়। যেভাবেই হোক দ্রুত বিষয়টি সমাধান করার জন্য স্থানীয় নেতাদের বলেছি।

‎চন্দ্রগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ মোরশেদ আলম বলেন, প্রচারের সময় দুপক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি তদন্তের জন্য পোদ্দার বাজার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তবে কোন পক্ষ থেকে আমরা অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।