ঢাকা ১০:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নির্বাচনে ‘অনিয়ম’ হলেই কেবল জামায়াত ক্ষমতায় আসতে পারবে: হর্ষবর্ধন শ্রিংলা বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর এটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন: আসিফ নজরুল ওরা দেশকে ভালোবাসার নামে আমেরিকার সঙ্গে গোপন বৈঠক করে: চরমোনাই পীর বিশ্বকাপে বাংলাদেশে বাদকে দিয়ে স্কটল্যান্ডকে নিলো আইসিসি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তিতে সংলাপ জরুরি : শিক্ষা উপদেষ্টা আমার কোনো প্রতিশ্রুতি নেই, যা প্রয়োজন তাই করব: মির্জা আব্বাস নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ না থাকলে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না : সুজন শিশুদের সঠিক শিক্ষা প্রদানের জন্য আমরা প্রাইমারি শিক্ষার ওপর জোর দিতে চাচ্ছি: তারেক রহমান ‘অতীতেও পাশে ছিলাম, এখনো আছি এবং ইনশাআল্লাহ ভবিষ্যতেও থাকব’:মির্জা ফখরুল দ.আফ্রিকায় বাংলাদেশি ব্যবসায়ীকে গুলি করে খুন

প্রধান বিচারপতির ছুটির দরখাস্ত নিয়ে বার নেতাদের সংশয়

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রধান বিচারপতির ছুটির দরখাস্ত নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন। তিনি বলেন, ‘প্রধান বিচারপতি ছুটির যেই কথিত চিঠি প্রকাশ করেছে, সেই চিঠিতে অনেক জায়গায় বানান ভুল রয়েছে। চিঠি নিয়ে দেশের বিভিন্ন মহল থেকে সন্দেহ প্রকাশ করছে। প্রধান বিচারপতির মত একজন দায়িত্বশীল ব্যক্তি কিভাবে ৫টি বানান ভূল থাকা চিঠিতে স্বাক্ষর করতে পারে!’

আজ শনিবার সকালে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে একথা বলেন তিনি। একইসঙ্গে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার সঙ্গে নেতৃবৃন্দকে সাক্ষাতে বাধা দেওয়ার প্রতিবাদে এবং বিচার বিভাগের ভাবমূর্তি রক্ষার দাবিতে রবিবার থেকে দেশের সকল জেলা বারে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসুচি ঘোষণা করেছে সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতি।

অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন বলেছেন, গত দুই দিন প্রধান বিচারপতির সঙ্গে আইনমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাসহ সরকারি বিভিন্ন কর্মকর্তাগণ সাক্ষাত করেছেন। কিন্তু আমাদের সাক্ষাত করতে বাধা প্রদান করা হয়। এতেই প্রমাণ হয় প্রধান বিচারপতি স্বেচ্ছায় ছুটিতে যাননি, তাকে বল প্রয়োগ করে ছুটিতে পাঠানো হয়েছে। তারা প্রধান বিচারপতিকে তাদের নিয়ন্ত্রণে রেখেছে। তিনি অন্তরীন। একমাত্র সরকারি নির্দেশিত ব্যক্তিরাই প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সাক্ষাত করতে পারবে অন্যরা নয়।

সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি এডভোকেট জয়নুল আবেদীন বলেছেন, ‘সংবিধানের ৯৪ অনুচ্ছেদে স্বাধীন বিচার ব্যবস্থার কথা আছে। কিন্তু আজ এই স্বাধীন বিচার বিভাগের প্রধান কর্তা ব্যক্তি প্রধান বিচারপতি নিজেই স্বাধীন নয়। তিনি পরাধীন। উনাকে সরকার বল প্রয়োগ করে ছুটিতে পাঠিয়েছে। যা বিচার বিভাগের সাথে সরকারের প্রতারণা বলে আমরা আইনজীবী সমিতি মনে করি।’

প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সুপ্রিম কোর্ট বারের সভাপতি-সম্পাদকসহ নির্বাহী কমিটির নেতারা শুক্রবার বিকেলে সাক্ষাত করতে গেলে সুরেন্দ্র কুমার সিনহার সঙ্গে সাক্ষাত করতে গেলে বাধা দেওয়া হয বলে জানান জয়নুল আবেদীন। আইনজীবী সমিতির সম্পা্দক বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ব্যরিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন, প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে যারা অবস্থান নিয়েছেন তারা বিচার বিভাগের স্বাধীনতা চায় না।

আইনমন্ত্রী ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির মাধ্যমে জানিয়েছিলেন প্রধান বিচারপতির সঙ্গে দেখা করতে বাধা দেয়া হবে না। কিন্তু তারপরও বাধা দেয়া হয়েছে এতে এক ধরনের প্রতারণা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। খোকন বলেন,এ ঘটনায় মানুষ অনেক কষ্টে আছে। আইনজীবীরাও অনেক কষ্টে আছে। সংবাদ সম্মেলনে সুপ্রিম কোর্ট বারের বিএনপিপন্থি নেতারা উপস্থিত ছিলেন। সুপ্রিম কোর্ট বারে বর্তমানে বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা সংখ্যাগরিষ্ঠ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সরকার চাইলে বিশ্বকাপ বয়কট করবে পাকিস্তান: নাকভি

প্রধান বিচারপতির ছুটির দরখাস্ত নিয়ে বার নেতাদের সংশয়

আপডেট সময় ০৫:২১:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রধান বিচারপতির ছুটির দরখাস্ত নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন। তিনি বলেন, ‘প্রধান বিচারপতি ছুটির যেই কথিত চিঠি প্রকাশ করেছে, সেই চিঠিতে অনেক জায়গায় বানান ভুল রয়েছে। চিঠি নিয়ে দেশের বিভিন্ন মহল থেকে সন্দেহ প্রকাশ করছে। প্রধান বিচারপতির মত একজন দায়িত্বশীল ব্যক্তি কিভাবে ৫টি বানান ভূল থাকা চিঠিতে স্বাক্ষর করতে পারে!’

আজ শনিবার সকালে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে একথা বলেন তিনি। একইসঙ্গে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার সঙ্গে নেতৃবৃন্দকে সাক্ষাতে বাধা দেওয়ার প্রতিবাদে এবং বিচার বিভাগের ভাবমূর্তি রক্ষার দাবিতে রবিবার থেকে দেশের সকল জেলা বারে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসুচি ঘোষণা করেছে সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতি।

অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন বলেছেন, গত দুই দিন প্রধান বিচারপতির সঙ্গে আইনমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাসহ সরকারি বিভিন্ন কর্মকর্তাগণ সাক্ষাত করেছেন। কিন্তু আমাদের সাক্ষাত করতে বাধা প্রদান করা হয়। এতেই প্রমাণ হয় প্রধান বিচারপতি স্বেচ্ছায় ছুটিতে যাননি, তাকে বল প্রয়োগ করে ছুটিতে পাঠানো হয়েছে। তারা প্রধান বিচারপতিকে তাদের নিয়ন্ত্রণে রেখেছে। তিনি অন্তরীন। একমাত্র সরকারি নির্দেশিত ব্যক্তিরাই প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সাক্ষাত করতে পারবে অন্যরা নয়।

সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি এডভোকেট জয়নুল আবেদীন বলেছেন, ‘সংবিধানের ৯৪ অনুচ্ছেদে স্বাধীন বিচার ব্যবস্থার কথা আছে। কিন্তু আজ এই স্বাধীন বিচার বিভাগের প্রধান কর্তা ব্যক্তি প্রধান বিচারপতি নিজেই স্বাধীন নয়। তিনি পরাধীন। উনাকে সরকার বল প্রয়োগ করে ছুটিতে পাঠিয়েছে। যা বিচার বিভাগের সাথে সরকারের প্রতারণা বলে আমরা আইনজীবী সমিতি মনে করি।’

প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সুপ্রিম কোর্ট বারের সভাপতি-সম্পাদকসহ নির্বাহী কমিটির নেতারা শুক্রবার বিকেলে সাক্ষাত করতে গেলে সুরেন্দ্র কুমার সিনহার সঙ্গে সাক্ষাত করতে গেলে বাধা দেওয়া হয বলে জানান জয়নুল আবেদীন। আইনজীবী সমিতির সম্পা্দক বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ব্যরিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন, প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে যারা অবস্থান নিয়েছেন তারা বিচার বিভাগের স্বাধীনতা চায় না।

আইনমন্ত্রী ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির মাধ্যমে জানিয়েছিলেন প্রধান বিচারপতির সঙ্গে দেখা করতে বাধা দেয়া হবে না। কিন্তু তারপরও বাধা দেয়া হয়েছে এতে এক ধরনের প্রতারণা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। খোকন বলেন,এ ঘটনায় মানুষ অনেক কষ্টে আছে। আইনজীবীরাও অনেক কষ্টে আছে। সংবাদ সম্মেলনে সুপ্রিম কোর্ট বারের বিএনপিপন্থি নেতারা উপস্থিত ছিলেন। সুপ্রিম কোর্ট বারে বর্তমানে বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা সংখ্যাগরিষ্ঠ।