ঢাকা ০৯:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বাংলাদেশ চুপ থাকবে না: শামা ওবায়েদ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সফল পারমাণবিক বিক্রিয়া সম্পন্ন চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

টিকটক করতে এসে দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার গৃহবধূ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় টিকটক করতে এসে দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক নারী। এ ঘটনায় শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ৬ যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাদের রোববার দুপুরে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। এর আগে ভাঙ্গা থানায় দুটি ধর্ষণের ও একটি পর্নোগ্রাফি মামলা করেন ভুক্তভোগীর মা। এদিকে ভৈরবে এক গৃহবুধূকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর।

ভাঙ্গা (ফরিদপুর) : ভাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মোকছেদুর রহমান জানান, শুক্রবার রাতে টিকটকার এক নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে মৌখিক অভিযোগ দিয়েছেন। পরদিন রাতে তিনটি মামলা করেন তার মা। এর মধ্যে দুটি ধর্ষণের, অপরটি পর্নোগ্রাফির। এরপর ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা হলো, ধর্ষক দুই যুবক ভাঙ্গার চুমুরদী গ্রামের আমজাদ খানের ছেলে আকরাম খান ও মধুখালির কাঁঠালবাড়ি গ্রামের সাগর মোল্লার ছেলে জুয়েল মোল্লা। পর্নোগ্রাফি আইনে মামলার আসামি, সাইদুল মোল্লা, মামুন শরীফ, বাবু মোল্লা ও মো. জুয়েল মোল্লা।

তিনি আরও জানান, অন্য এলাকা থেকে টিকটক করতে পূর্বপরিচিত আকরাম খানের কাছে এসেছিলেন ওই নারী। পরে আকরাম খান ও জুয়েল মোল্লা তাকে চুমুরদীর একটি ভাড়া বাসায় নিয়ে ধর্ষণ করে। পরে এলাকার ৪ যুবক টের পেয়ে তাদের আটকে রেখে ওই নারীর অশ্লীল ভিডিও ধারণ করে এবং ভয় দেখিয়ে ৬টি মোবাইল, ১০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে দুজন ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে।

ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) : মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গৃহবধূর স্বামীর সঙ্গে প্রতিবেশী অভিযুক্তদের শত্রুতা ছিল। বৃহস্পতিবার রাতে তার স্বামী ঢাকায় ছিলেন। গৃহবধূ বাসায় একা আছেন জেনে অভিযুক্তরা রাত ২টায় তার ঘরে ঢোকে। তারা গৃহবধূর মুখ চেপে ধরে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়। ঘটনার পর গৃহবধূ অজ্ঞান হয়ে পড়েন। জ্ঞান ফিরলে রাতে স্বামীকে ফোনে ধর্ষণের ঘটনাটি অবহিত করেন। শুক্রবার সকালে স্বামী ভৈরবে এসে থানায় তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। অভিযুক্তরা হলো, গ্রামের শওকত মিয়ার ছেলে মোশারফ মিয়া, জাহির উল্লাহর ছেলে শাহ আলম ও মানিক মিয়ার ছেলে আনোয়ার মিয়া। আনোয়ার মিয়াকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। অপর দুই আসামি পলাতক।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

টিকটক করতে এসে দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার গৃহবধূ

আপডেট সময় ১০:২৭:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৫

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় টিকটক করতে এসে দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক নারী। এ ঘটনায় শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ৬ যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাদের রোববার দুপুরে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। এর আগে ভাঙ্গা থানায় দুটি ধর্ষণের ও একটি পর্নোগ্রাফি মামলা করেন ভুক্তভোগীর মা। এদিকে ভৈরবে এক গৃহবুধূকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর।

ভাঙ্গা (ফরিদপুর) : ভাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মোকছেদুর রহমান জানান, শুক্রবার রাতে টিকটকার এক নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে মৌখিক অভিযোগ দিয়েছেন। পরদিন রাতে তিনটি মামলা করেন তার মা। এর মধ্যে দুটি ধর্ষণের, অপরটি পর্নোগ্রাফির। এরপর ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা হলো, ধর্ষক দুই যুবক ভাঙ্গার চুমুরদী গ্রামের আমজাদ খানের ছেলে আকরাম খান ও মধুখালির কাঁঠালবাড়ি গ্রামের সাগর মোল্লার ছেলে জুয়েল মোল্লা। পর্নোগ্রাফি আইনে মামলার আসামি, সাইদুল মোল্লা, মামুন শরীফ, বাবু মোল্লা ও মো. জুয়েল মোল্লা।

তিনি আরও জানান, অন্য এলাকা থেকে টিকটক করতে পূর্বপরিচিত আকরাম খানের কাছে এসেছিলেন ওই নারী। পরে আকরাম খান ও জুয়েল মোল্লা তাকে চুমুরদীর একটি ভাড়া বাসায় নিয়ে ধর্ষণ করে। পরে এলাকার ৪ যুবক টের পেয়ে তাদের আটকে রেখে ওই নারীর অশ্লীল ভিডিও ধারণ করে এবং ভয় দেখিয়ে ৬টি মোবাইল, ১০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে দুজন ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে।

ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) : মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গৃহবধূর স্বামীর সঙ্গে প্রতিবেশী অভিযুক্তদের শত্রুতা ছিল। বৃহস্পতিবার রাতে তার স্বামী ঢাকায় ছিলেন। গৃহবধূ বাসায় একা আছেন জেনে অভিযুক্তরা রাত ২টায় তার ঘরে ঢোকে। তারা গৃহবধূর মুখ চেপে ধরে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়। ঘটনার পর গৃহবধূ অজ্ঞান হয়ে পড়েন। জ্ঞান ফিরলে রাতে স্বামীকে ফোনে ধর্ষণের ঘটনাটি অবহিত করেন। শুক্রবার সকালে স্বামী ভৈরবে এসে থানায় তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। অভিযুক্তরা হলো, গ্রামের শওকত মিয়ার ছেলে মোশারফ মিয়া, জাহির উল্লাহর ছেলে শাহ আলম ও মানিক মিয়ার ছেলে আনোয়ার মিয়া। আনোয়ার মিয়াকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। অপর দুই আসামি পলাতক।