ঢাকা ০৬:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সংসদে আর নৃত্যগীত হবে না, মানুষের উন্নয়নের কথা বলা হবে: সালাহউদ্দিন আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খুঁজতে বাংলাদেশকে অনুরোধ আইসিসির, অনড় বিসিবি বিএনপি নেতার মৃত্যু, অভিযানে অংশ নেওয়া সব সেনা সদস্যকে প্রত্যাহার রাজধানীর তিন পয়েন্ট অবরোধের ঘোষণা সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের জনগণের বিশ্বাস অর্জনের দায়িত্ব রাজনীতিবিদদেরই : আমীর খসরু আটকের পর ডাবলুর মৃত্যু, সেনাপ্রধানের হস্তক্ষেপ চান বিএনপি মহাসচিব পে স্কেল বাস্তবায়ন পে কমিশনের প্রতিবেদনের ওপর নির্ভর করছে :অর্থ উপদেষ্টা প্রবাসীদের সুসংবাদ দিলেন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল প্লট দুর্নীতি মামলায় শেখ হাসিনা টিউলিপসহ ১৮ জনের মামলার রায় ২ ফেব্রুয়ারি চুয়াডাঙ্গায় সেনাবাহিনীর হাতে আটকের পর বিএনপি নেতার মৃত্যু

এ বছরই আসছে ক্যানসারের ভ্যাকসিন

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

এবার আলোর মুখ দেখতে পারে ক্যানসারের ভ্যাকসিন। তেমন সুখবর দেয়ার দ্বারপ্রান্তে আছেন বিজ্ঞানীরা। পুরনো এক পদ্ধতি অবলম্বন করেই এই ভ্যাকসিন তৈরির কাজ চলছে।

ক্যানসারের ভ্যাকসিন তৈরিতে প্রথমে টিউমারের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। সেখান থেকেই হয় জিনোম সিকোয়েন্সিং। এরপর এতে থাকা মিউটেশনগুলো বিশ্লেষণ করে এমন প্রোটিন বা নিউঅ্যান্টিজেন সনাক্ত করা হয় যা রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থাকে সক্রিয় করতে পারে। এই ভ্যাকসিন শরীরে ইনজেকশনের মাধ্যমে শরীরকে এসব প্রোটিন তৈরির নির্দেশনা দেয়া হয়। যা টিউমারকে ধ্বংস করতে সাহায্য করে।

ক্যানসারের ভ্যাকসিন তৈরির ধারণাটি ১৯শ শতকের শেষের দিকের। তখন নিউইয়র্কের সার্জন উইলিয়াম কোলি বিশেষ একটি পর্যবেক্ষণ করেছিলেন। গলার টিউমার থাকা এক রোগিই মৃত্যুর প্রায় কাছ থেকে ফিরে আসেন। ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণের মাধ্যমে তাকে সারিয়ে তোলা হয়। এরপর তিনি ভিন্ন রোগীদের শরীরে মৃত ব্যাকটেরিয়ার মিশ্রণ দিয়ে ক্যানসার চিকিৎসার চেষ্টা করেন এই চিকিৎসক। তাতে বেশ ভালো ফল পান।

কোলির ধারণা ছিলো সংক্রমণ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে ক্যানসারের বিরুদ্ধে সক্রিয় করতে পারে। তার এই তত্ত্ব প্রথমদিকে বিতর্কিত থাকলেও ১৯৫০ সালের পর বিজ্ঞানীরা এটি মেনে নিতে শুরু করেন। বর্তমানে এটি ক্যানসার ভ্যাকসিন তৈরির একটি প্রধান ভিত্তি হয়ে উঠেছে। এই ভ্যাকসিনের লক্ষ্য হলো রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থাকে প্রশিক্ষিত করে টিউমার সনাক্ত করা এবং তার বিস্তার রোধ করা।

ভ্যাকসিন উৎপাদন ব্যয়বহুল এবং সময়সাপেক্ষ। আরও সহজলভ্য ভ্যাকসিন তৈরির জন্য বিজ্ঞানীরা সাধারণ ক্যানসার মার্কার ব্যবহার করে ‘অফ-দ্য-শেলফ’ ভ্যাকসিন তৈরির চেষ্টা করছেন। উদাহরণস্বরূপ, বায়োনটেকের একটি এমআরএনএ ভ্যাকসিন ফুসফুসের ক্যানসারের বিরুদ্ধে পরীক্ষাধীন রয়েছে।

বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালেই প্রাথমিকভাবে হাতে আসতে পারে মরণব্যাধী ক্যানসারের ভ্যাকসিন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্র নির্লজ্জ, ‘ঘৃণ্য অপরাধী’ : উত্তর কোরিয়া

এ বছরই আসছে ক্যানসারের ভ্যাকসিন

আপডেট সময় ০৭:১৫:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৫

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

এবার আলোর মুখ দেখতে পারে ক্যানসারের ভ্যাকসিন। তেমন সুখবর দেয়ার দ্বারপ্রান্তে আছেন বিজ্ঞানীরা। পুরনো এক পদ্ধতি অবলম্বন করেই এই ভ্যাকসিন তৈরির কাজ চলছে।

ক্যানসারের ভ্যাকসিন তৈরিতে প্রথমে টিউমারের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। সেখান থেকেই হয় জিনোম সিকোয়েন্সিং। এরপর এতে থাকা মিউটেশনগুলো বিশ্লেষণ করে এমন প্রোটিন বা নিউঅ্যান্টিজেন সনাক্ত করা হয় যা রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থাকে সক্রিয় করতে পারে। এই ভ্যাকসিন শরীরে ইনজেকশনের মাধ্যমে শরীরকে এসব প্রোটিন তৈরির নির্দেশনা দেয়া হয়। যা টিউমারকে ধ্বংস করতে সাহায্য করে।

ক্যানসারের ভ্যাকসিন তৈরির ধারণাটি ১৯শ শতকের শেষের দিকের। তখন নিউইয়র্কের সার্জন উইলিয়াম কোলি বিশেষ একটি পর্যবেক্ষণ করেছিলেন। গলার টিউমার থাকা এক রোগিই মৃত্যুর প্রায় কাছ থেকে ফিরে আসেন। ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণের মাধ্যমে তাকে সারিয়ে তোলা হয়। এরপর তিনি ভিন্ন রোগীদের শরীরে মৃত ব্যাকটেরিয়ার মিশ্রণ দিয়ে ক্যানসার চিকিৎসার চেষ্টা করেন এই চিকিৎসক। তাতে বেশ ভালো ফল পান।

কোলির ধারণা ছিলো সংক্রমণ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে ক্যানসারের বিরুদ্ধে সক্রিয় করতে পারে। তার এই তত্ত্ব প্রথমদিকে বিতর্কিত থাকলেও ১৯৫০ সালের পর বিজ্ঞানীরা এটি মেনে নিতে শুরু করেন। বর্তমানে এটি ক্যানসার ভ্যাকসিন তৈরির একটি প্রধান ভিত্তি হয়ে উঠেছে। এই ভ্যাকসিনের লক্ষ্য হলো রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থাকে প্রশিক্ষিত করে টিউমার সনাক্ত করা এবং তার বিস্তার রোধ করা।

ভ্যাকসিন উৎপাদন ব্যয়বহুল এবং সময়সাপেক্ষ। আরও সহজলভ্য ভ্যাকসিন তৈরির জন্য বিজ্ঞানীরা সাধারণ ক্যানসার মার্কার ব্যবহার করে ‘অফ-দ্য-শেলফ’ ভ্যাকসিন তৈরির চেষ্টা করছেন। উদাহরণস্বরূপ, বায়োনটেকের একটি এমআরএনএ ভ্যাকসিন ফুসফুসের ক্যানসারের বিরুদ্ধে পরীক্ষাধীন রয়েছে।

বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালেই প্রাথমিকভাবে হাতে আসতে পারে মরণব্যাধী ক্যানসারের ভ্যাকসিন।