ঢাকা ০৭:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘একটি দল দেশকে অস্থিতিশীল করার চক্রান্ত করছে’ বিএনপি সরকার কোনো সময় হারিয়ে যায় না: তথ্যমন্ত্রী অতীতের সরকার ভোট চুরি করত, এই সরকার ফল চুরি করেছে: হাসনাত আবদুল্লাহ সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে : ডিএনসিসি প্রশাসক দেশে আগামী ১০০ বছরেও আর কোনো গণ-অভ্যুত্থান হবে না: রুমিন ফারহানা ১৬ জুলাই পর্যন্ত চট্টগ্রাম বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত নাম থেকে বাবার পদবি মুছে ফেললেন নেতানিয়াহুর ছেলে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীদের ক্ষমা চাইতে হবে: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী ঢামেক হাসপাতালকে মানবিক নেতৃত্বের নতুন প্রতিষ্ঠান গড়ার আহ্বান জুবাইদা রহমানের বাবার ‘নিষ্পাপ রক্তের’ প্রতিশোধ নেওয়া হবে: মোজতবা খামেনি

জি এম কাদেরকে গ্রেফতারে আইনি নোটিশ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হত্যা মামলার আসামি জি এম কাদেরসহ তার অনুসারীদের দ্রুত গ্রেফতার করতে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন ঢাকা জজ কোর্টের আইনজীবী মো. সফিকুল ইসলাম সবুজ খান।

রবিবার অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, পুলিশের আইজিপি, ডিএমপি কমিশনার, মিরপুর জোনের উপকমিশনার (ডিসি) ও মিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) এ নোটিশ পাঠান তিনি।

নোটিশপ্রাপ্তির সাত দিনের মধ্যে তাদের গ্রেফতারে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে আহ্বান জানানো হয়েছে। অন্যথায় আইনগত সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা জানিয়েছেন আইনজীবী মো. সফিকুল ইসলাম সবুজ খান।

আইনি নোটিশে বলা হয়, বিগত হাসিনা সরকারের শাসনামল দেখলে লক্ষ করা যায়, ২০১৪, ২০১৮ ও সর্বশেষ ২০২৪ সালে স্বৈরাচারী সরকারের নির্বাচনে জাতীয় পার্টির কারণেই শেখ হাসিনা একদলীয় নির্বাচন করার সাহস পেয়েছে। জাতীয় পার্টির ওপর ভর করে শেখ হাসিনা জনগণের দিনের ভোট রাতে চুরি করেছে এবং ভোটারবিহীন নির্বাচন করেছে। তথাকথিত গৃহপালিত দল জাতীয় পার্টি স্বৈরাচারের সুরে সুর মিলিয়ে অবাধ লুটপাট করেছে। তাই সব অপরাধের দায় তাদেরও নিতে হবে।

জাতীয় পার্টিকে জাতীয় বেঈমান উল্লেখ করে নোটিশে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনাকে দিয়ে তারা ক্ষমতায় থাকার জন্য একতরফা নির্বাচন করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। শেখ হাসিনা পালানোর পর আওয়ামী লীগের এমপি-মন্ত্রীরা হত্যা মামলার আসামি হয়ে জেলে গেলেও জাতীয় পার্টি অনুতপ্ত না হয়ে উল্টো ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের প্রতিনিধিত্ব করছে এবং শেখ হাসিনাকে পুনর্বাসনের ষড়যন্ত্র করছে।

নোটিশে আইনজীবী সবুজ খান বলেন, ‘আওয়ামী লীগের দুর্নীতিবাজ মন্ত্রী-এমপিরা গ্রেফতার হলেও জাতীয় পার্টির মন্ত্রী-এমপিরা আসামি হওয়া সত্ত্বেও তাদের গ্রেফতার না করে শহীদের রক্তের সঙ্গে বেঈমানি করা হচ্ছে। আইন সবার জন্য সমান হলেও জাতীয় পার্টির দুর্নীতিবাজ এমপি-মন্ত্রীদের আটক না করায় জনমনে প্রশ্ন প্রবল হয়ে উঠছে।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘একটি দল দেশকে অস্থিতিশীল করার চক্রান্ত করছে’

জি এম কাদেরকে গ্রেফতারে আইনি নোটিশ

আপডেট সময় ০৫:৪০:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৪

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হত্যা মামলার আসামি জি এম কাদেরসহ তার অনুসারীদের দ্রুত গ্রেফতার করতে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন ঢাকা জজ কোর্টের আইনজীবী মো. সফিকুল ইসলাম সবুজ খান।

রবিবার অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, পুলিশের আইজিপি, ডিএমপি কমিশনার, মিরপুর জোনের উপকমিশনার (ডিসি) ও মিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) এ নোটিশ পাঠান তিনি।

নোটিশপ্রাপ্তির সাত দিনের মধ্যে তাদের গ্রেফতারে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে আহ্বান জানানো হয়েছে। অন্যথায় আইনগত সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা জানিয়েছেন আইনজীবী মো. সফিকুল ইসলাম সবুজ খান।

আইনি নোটিশে বলা হয়, বিগত হাসিনা সরকারের শাসনামল দেখলে লক্ষ করা যায়, ২০১৪, ২০১৮ ও সর্বশেষ ২০২৪ সালে স্বৈরাচারী সরকারের নির্বাচনে জাতীয় পার্টির কারণেই শেখ হাসিনা একদলীয় নির্বাচন করার সাহস পেয়েছে। জাতীয় পার্টির ওপর ভর করে শেখ হাসিনা জনগণের দিনের ভোট রাতে চুরি করেছে এবং ভোটারবিহীন নির্বাচন করেছে। তথাকথিত গৃহপালিত দল জাতীয় পার্টি স্বৈরাচারের সুরে সুর মিলিয়ে অবাধ লুটপাট করেছে। তাই সব অপরাধের দায় তাদেরও নিতে হবে।

জাতীয় পার্টিকে জাতীয় বেঈমান উল্লেখ করে নোটিশে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনাকে দিয়ে তারা ক্ষমতায় থাকার জন্য একতরফা নির্বাচন করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। শেখ হাসিনা পালানোর পর আওয়ামী লীগের এমপি-মন্ত্রীরা হত্যা মামলার আসামি হয়ে জেলে গেলেও জাতীয় পার্টি অনুতপ্ত না হয়ে উল্টো ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের প্রতিনিধিত্ব করছে এবং শেখ হাসিনাকে পুনর্বাসনের ষড়যন্ত্র করছে।

নোটিশে আইনজীবী সবুজ খান বলেন, ‘আওয়ামী লীগের দুর্নীতিবাজ মন্ত্রী-এমপিরা গ্রেফতার হলেও জাতীয় পার্টির মন্ত্রী-এমপিরা আসামি হওয়া সত্ত্বেও তাদের গ্রেফতার না করে শহীদের রক্তের সঙ্গে বেঈমানি করা হচ্ছে। আইন সবার জন্য সমান হলেও জাতীয় পার্টির দুর্নীতিবাজ এমপি-মন্ত্রীদের আটক না করায় জনমনে প্রশ্ন প্রবল হয়ে উঠছে।’