ঢাকা ০৯:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গরিবের বিচার, ধনীর বিচার এক করতে হবে —এটাই তারেক রহমানের নতুন বাংলাদেশ আইএইচএফ নেশনস ট্রফিতে ভারতের কাছে হেরে রানার্সআপ বাংলাদেশ কাতার, তুরস্ক, পাকিস্তান ও ইন্দোনেশিয়ার ঐতিহাসিক বদর প্রতিরক্ষা চুক্তি দ্বিগুণ যাত্রী সামলাতে হিমশিম দেশের বিমানবন্দরগুলো মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির মূল দলিল পেশ করলো তুরস্ক সাইবার আইনে মতপ্রকাশ ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা হুমকিতে ফাঁসের ঘটনায় বিএআরসির সহকারী পরিচালক আটক: যুব উন্নয়নের ৪৫তম বিসিএসে গেজেট থেকে বাদ: অনিশ্চিত জীবনে ৫৬ মেধাবী সকল ধর্মের মানুষকে নিয়ে দেশ গড়তে চাই রাজধানীতে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ ও আধুনিক ওসমানী উদ্যান উদ্বোধন করলেন

হাটহাজারীতে বসতঘর থেকে গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে পায়েল মনি (১৮) নামের এক গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (৪ নভেম্বর) রাতে উপজেলার গুমানমর্দ্দন ইউপির ৫নং ওয়ার্ডস্থ বখতেয়ার মাঝির বাড়ির একটি বসতঘর থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত পায়েল মনি ওই বাড়ির গ্রাম পুলিশ আবুল কালামের ছেলে প্রবাসী রুবেল হোসেনের স্ত্রী। স্থানীয় ইউপি সদস্য নঈম উদ্দিন লাশ উদ্ধারের ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুই বছর আগে প্রবাসী রুবেলের সঙ্গে উপজেলার ৮নং মেখল ইউনিয়ন পরিষদের ৮নং ওয়ার্ডের মন্নার দোকান এলাকার ছবুর মিস্ত্রির বাড়ির পারভেজ বাচার মেয়ে পায়েল মনির পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। গত দেড় দুইমাস আগে তার স্বামী রুবেল হোসেন জীবিকার তাগিদে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই গমন করেন।

রুবেলের বাবা আবুল কালাম জানান, দুপুরের দিকে তিনি বাসায় এসে পুত্রবধূকে মোবাইলফোনে কথা বলতে দেখেন। মোবাইলফোন চেক করে দেখা যায় ফোনের অপর প্রান্তের মানুষটি তাদের অচেনা। তবে সে ভবিষ্যতে এমন কাজ আর করবে না জানিয়ে তাকে (শ্বশুরকে) এ ঘটনা তার (নিহতের) বাবাকে না জানানোরও অনুরোধ করেন।

কিন্তু শ্বশুর আবুল কালাম ঘটনাটি তার বেয়াই মো. পারভেজ (নিহতের বাবাকে) জানালে তিনিও ফোন করে তার মেয়ের সঙ্গে কথা বলেন। পরে বিকাল ৩টার দিকে আমি পুনরায় কর্মস্থলে চলে যাই। বিকালে খবর আসে আমার পুত্রবধূ আত্মহত্যা করেছে। পরে পুলিশ এসে দরজা ভেঙে লাশ উদ্ধার করেন।

নিহত পায়েল মনির বাবা রাউজান উপজেলার মোবারকখীল এলাকার মো. পারভেজ জানান, আমার মেয়ের সঙ্গে বেয়াইয়ের পরিবারের কারো সঙ্গে কোনো ঝামেলা ছিলনা। তবে, বেয়াইনের সঙ্গে ঝগড়াঝাঁটি হতো।

এ ব্যাপারে হাটহাজারী মডেল থানার ওসি মো. হাবিবুর রহমান জানান, পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে থেকে লাশ উদ্ধারের পর সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি শেষে থানায় নিয়ে আসে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে জানা যাবে এটি হত্যা না আত্মহত্যা।

আপলোডকারীর তথ্য

কাতারে লাইসেন্স হারাল রিক্রুটমেন্ট এজেন্সি, বন্ধ অফিস

হাটহাজারীতে বসতঘর থেকে গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

আপডেট সময় ০২:০৬:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ নভেম্বর ২০২৪

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে পায়েল মনি (১৮) নামের এক গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (৪ নভেম্বর) রাতে উপজেলার গুমানমর্দ্দন ইউপির ৫নং ওয়ার্ডস্থ বখতেয়ার মাঝির বাড়ির একটি বসতঘর থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত পায়েল মনি ওই বাড়ির গ্রাম পুলিশ আবুল কালামের ছেলে প্রবাসী রুবেল হোসেনের স্ত্রী। স্থানীয় ইউপি সদস্য নঈম উদ্দিন লাশ উদ্ধারের ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুই বছর আগে প্রবাসী রুবেলের সঙ্গে উপজেলার ৮নং মেখল ইউনিয়ন পরিষদের ৮নং ওয়ার্ডের মন্নার দোকান এলাকার ছবুর মিস্ত্রির বাড়ির পারভেজ বাচার মেয়ে পায়েল মনির পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। গত দেড় দুইমাস আগে তার স্বামী রুবেল হোসেন জীবিকার তাগিদে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই গমন করেন।

রুবেলের বাবা আবুল কালাম জানান, দুপুরের দিকে তিনি বাসায় এসে পুত্রবধূকে মোবাইলফোনে কথা বলতে দেখেন। মোবাইলফোন চেক করে দেখা যায় ফোনের অপর প্রান্তের মানুষটি তাদের অচেনা। তবে সে ভবিষ্যতে এমন কাজ আর করবে না জানিয়ে তাকে (শ্বশুরকে) এ ঘটনা তার (নিহতের) বাবাকে না জানানোরও অনুরোধ করেন।

কিন্তু শ্বশুর আবুল কালাম ঘটনাটি তার বেয়াই মো. পারভেজ (নিহতের বাবাকে) জানালে তিনিও ফোন করে তার মেয়ের সঙ্গে কথা বলেন। পরে বিকাল ৩টার দিকে আমি পুনরায় কর্মস্থলে চলে যাই। বিকালে খবর আসে আমার পুত্রবধূ আত্মহত্যা করেছে। পরে পুলিশ এসে দরজা ভেঙে লাশ উদ্ধার করেন।

নিহত পায়েল মনির বাবা রাউজান উপজেলার মোবারকখীল এলাকার মো. পারভেজ জানান, আমার মেয়ের সঙ্গে বেয়াইয়ের পরিবারের কারো সঙ্গে কোনো ঝামেলা ছিলনা। তবে, বেয়াইনের সঙ্গে ঝগড়াঝাঁটি হতো।

এ ব্যাপারে হাটহাজারী মডেল থানার ওসি মো. হাবিবুর রহমান জানান, পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে থেকে লাশ উদ্ধারের পর সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি শেষে থানায় নিয়ে আসে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে জানা যাবে এটি হত্যা না আত্মহত্যা।