ঢাকা ১১:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নবাবগঞ্জে ৫ বছরের শিশু অপহরণ, ২৬ ঘণ্টা পর ঢাকা থেকে উদ্ধার শাহজালাল মাজারের দানবাক্সে ৩ দিনে মিলল ১৭ লাখ টাকা কাতারে এলএনজি প্রকল্পে বিস্ফোরণ, নিহত ১৩ রাজধানীসহ বিভিন্ন স্থানে ভূকম্পন অনুভূত অধিকার আদায়সহ নানা সংগ্রামে সংগীতের অভুতপূর্ব শক্তি রয়েছে : রিজভী রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে তুরস্কের সহায়তা চায় ঢাকা সংসদকে কার্যকর করতে স্পিকারের ভূমিকার প্রশংসা করেছেন সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত ঢাকা ও তেহরানের মধ্যে সরাসরি ফ্লাইটের প্রস্তাব ইরানের চলতি জুনেই বিশ্বব্যাংক থেকে ১.৫ বিলিয়ন ডলার পাবে বাংলাদেশ অর্থনীতির গণতান্ত্রিকীকরণই নতুন বাজেটের মূল দর্শন: অর্থমন্ত্রী

লক্ষ্মীপুরে বৈদ্যুতিক খুঁটিতে কাজ করার সময় শ্রমিক দগ্ধ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

লক্ষ্মীপুরে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) অফিসের সামনে থাকা একটি বৈদ্যুতিক খুঁটিতে কাজ করতে গিয়ে অগ্নিদগ্ধ হয়েছেন জসিম (৪৫) নামে এক শ্রমিক। এতে তার শরীরের ৪০ শতাংশ পুড়ে গেছে বলে জানিয়েছে চিকিৎসক। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে ঢাকায় প্রেরণ করা হয়েছে।

শনিবার দুপুরে জেলা শহরের ঝুমুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

জসিম লক্ষ্মীপুর পৌর এলাকার দক্ষিণ মজুপুর গ্রামের শাহাবুদ্দিনের ছেলে এবং পিডিবিতে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের পক্ষে শ্রমিকের কাজ করেন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় লোকজন জানায়, সকাল থেকে লক্ষ্মীপুর পিডিবি অফিসের সামনে থাকা একটি বৈদ্যুতিক খুঁটিতে কাজ করেন কর্মীরা। দুপুরের দিকে ওই খুঁটিতে কাজ করা অবস্থায় জসিম নামে একজন কর্মীর দেহে আগুন লেগে যায়। এতে তার শরীরের বেশিভাগ অংশ পুড়ে গেছে। স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে পাঠায়।

তাদের অভিযোগ, বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ এবং ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের অবহেলার কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। বিদ্যুৎ অফিসের সামনেই এমন দুর্ঘটনাকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের গাফিলতিকে দায়ী করছেন তারা।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের পক্ষে মো. সবুজ বলেন, যে খুঁটিতে কাজ করতে ছিল, সেটাতে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়। কিন্তু পাশের খুঁটিতে লাইন চালু ছিল। কাজ করার সময় বৈদ্যুতিক ক্যাবল পাশের চালু লাইনের সংস্পর্শে এসে দুর্ঘটনাটি ঘটে।

পিডিবি লক্ষ্মীপুর কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী নুরুল আমিন বলেন, খুঁটিতে কাজ করতে গিয়ে ঠিকাদারের একজন কর্মী আহত হয়েছেন। তাকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

কিভাবে দুর্ঘটনা ঘটেছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, কর্মীরা কাজ করার সময় ঠিকাদারের চাহিদা অনুযায়ী লাইন বন্ধ রাখা হয়। সকালে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বৈদ্যুতিক লাইন বন্ধ রাখা হয়েছে। তখন ঠিকাদার তাজুল ইসলামের কর্মীরা লাইন মেরামতের কাজ করে। কিন্তু যখন দুর্ঘটনা ঘটেছে তখন লাইন চালু ছিল। ওই সময় বিদ্যুৎকর্মী কাজ করার কথা ছিল না। ওই কর্মী চালু লাইনে কেন উঠেছে, সেটা বোধগম্য নয়। তার সাথে কথা বলতে পারলে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যেত।

জেলা সদর হাসপাতালের ইএমও ডা. মো. আরমান হোসেন বলেন, অগ্নিদগ্ধ জসিমের দুইহাত, বুক পেট পুড়ে গেছে। তার শরীরের ৪০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। তার অবস্থা গুরুতর। তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে প্রেরণ করা হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লক্ষ্মীপুরে বৈদ্যুতিক খুঁটিতে কাজ করার সময় শ্রমিক দগ্ধ

আপডেট সময় ০৭:২৮:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ নভেম্বর ২০২৪

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

লক্ষ্মীপুরে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) অফিসের সামনে থাকা একটি বৈদ্যুতিক খুঁটিতে কাজ করতে গিয়ে অগ্নিদগ্ধ হয়েছেন জসিম (৪৫) নামে এক শ্রমিক। এতে তার শরীরের ৪০ শতাংশ পুড়ে গেছে বলে জানিয়েছে চিকিৎসক। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে ঢাকায় প্রেরণ করা হয়েছে।

শনিবার দুপুরে জেলা শহরের ঝুমুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

জসিম লক্ষ্মীপুর পৌর এলাকার দক্ষিণ মজুপুর গ্রামের শাহাবুদ্দিনের ছেলে এবং পিডিবিতে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের পক্ষে শ্রমিকের কাজ করেন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় লোকজন জানায়, সকাল থেকে লক্ষ্মীপুর পিডিবি অফিসের সামনে থাকা একটি বৈদ্যুতিক খুঁটিতে কাজ করেন কর্মীরা। দুপুরের দিকে ওই খুঁটিতে কাজ করা অবস্থায় জসিম নামে একজন কর্মীর দেহে আগুন লেগে যায়। এতে তার শরীরের বেশিভাগ অংশ পুড়ে গেছে। স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে পাঠায়।

তাদের অভিযোগ, বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ এবং ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের অবহেলার কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। বিদ্যুৎ অফিসের সামনেই এমন দুর্ঘটনাকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের গাফিলতিকে দায়ী করছেন তারা।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের পক্ষে মো. সবুজ বলেন, যে খুঁটিতে কাজ করতে ছিল, সেটাতে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়। কিন্তু পাশের খুঁটিতে লাইন চালু ছিল। কাজ করার সময় বৈদ্যুতিক ক্যাবল পাশের চালু লাইনের সংস্পর্শে এসে দুর্ঘটনাটি ঘটে।

পিডিবি লক্ষ্মীপুর কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী নুরুল আমিন বলেন, খুঁটিতে কাজ করতে গিয়ে ঠিকাদারের একজন কর্মী আহত হয়েছেন। তাকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

কিভাবে দুর্ঘটনা ঘটেছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, কর্মীরা কাজ করার সময় ঠিকাদারের চাহিদা অনুযায়ী লাইন বন্ধ রাখা হয়। সকালে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বৈদ্যুতিক লাইন বন্ধ রাখা হয়েছে। তখন ঠিকাদার তাজুল ইসলামের কর্মীরা লাইন মেরামতের কাজ করে। কিন্তু যখন দুর্ঘটনা ঘটেছে তখন লাইন চালু ছিল। ওই সময় বিদ্যুৎকর্মী কাজ করার কথা ছিল না। ওই কর্মী চালু লাইনে কেন উঠেছে, সেটা বোধগম্য নয়। তার সাথে কথা বলতে পারলে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যেত।

জেলা সদর হাসপাতালের ইএমও ডা. মো. আরমান হোসেন বলেন, অগ্নিদগ্ধ জসিমের দুইহাত, বুক পেট পুড়ে গেছে। তার শরীরের ৪০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। তার অবস্থা গুরুতর। তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে প্রেরণ করা হয়েছে।