ঢাকা ০১:৩৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২ সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা

নিম্নআয়ের দেশের জন্য স্বাস্থ্যখাতে প্রয়োজনীয় তহবিল নিশ্চিতের আহ্বান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

ভবিষ্যতে করোনাভাইরাসের মতো অতিমারি মোকাবিলায় নিম্নআয়ের দেশগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় তহবিল সরবরাহ নিশ্চিত করতে উন্নত দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।

নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় শুক্রবার বিকালে অনুষ্ঠিত কোভিড-১৯ গ্লোবাল অ্যাকশন প্ল্যান (জিএপি) মন্ত্রী পর্যায়ের উদ্বোধনী অধিবেশনে তিনি এ আহ্বান জানান।

একইসঙ্গে স্বাস্থ্য খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য একটি বৈশ্বিক স্বাস্থ্য কৌশল প্রণয়নের ওপর গুরাত্বারোপ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, কোভিড ব্যবস্থাপনায় অর্জিত অভিজ্ঞতা ও জ্ঞান অন্যদের সঙ্গে ভাগাভাগি করতে বাংলাদেশ প্রস্তুত রয়েছে।

এসময় বৈশ্বিক অংশীদারিত্ব এবং সমন্বিত প্রচেষ্টার ওপর জোর দিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তত্ত্বাবধানে গঠিত ও পরিচালিত মতো বহুপাক্ষিক প্লাটফর্মগুলোর প্রশংসা করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

কোভিড-১৯ মোকাবিলায় রাজনৈতিক সদিচ্ছা জোরদার করতে বিশ্বব্যাপী অংশীদারদের একত্রিত করার প্রয়াসে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন, স্পেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসে ম্যানুয়েল আলবারেস বুয়েনো ও বতসোয়ানার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. লেমোগাং কোয়াপে যৌথভাবে মন্ত্রী পর্যায়ের এই সভার আয়োজন করেন।

জাপান, সৌদি আরব ও থাইল্যান্ডসহ বেশ কয়েকটি দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক বৈঠকে অংশ নেন। ফ্রান্স, ইন্দোনেশিয়া, জার্মানি, যুক্তরাজ্য, ভারত, নরওয়ে, ইতালি ও দক্ষিণ কোরিয়াসহ বেশ কয়েকটি দেশের উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিরাও যোগ দেন এই বৈঠকে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে কোভিড-১৯ মোকাবিলায় বাংলাদেশ অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছে উল্লেখ করে ড. মোমেন বলেন, এই সাফল্যের মূলে রয়েছে জীবনরক্ষার পাশাপাশি জীবিকার সংস্থান অব্যাহত রাখা। অতি ঝুঁকিপূর্ণদের জন্য বিশেষ সহায়তার ব্যবস্থা করা এবং প্রণোদনা প্রদানের মাধ্যমে অতিমারির ফলে ক্ষতিগ্রস্ত অর্থনীতির দ্রুত পুনর্গঠন নিশ্চিত করা।

মহামারি এখনও শেষ হয়নি, মনে করিয়ে টিকাদান কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী। পাশাপাশি টিকাকে বৈশ্বিক গণ-পণ্য হিসেবে ঘোষণা করা এবং বৈষম্য ছাড়াই সব দেশের মধ্যে বিতরণের গুরুত্ব পুনর্ব্যক্ত করেন।

তিনি স্বাস্থ্য খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য তহবিলের টেকসই এবং উল্লেখযোগ্য ইনজেকশনের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। বিশেষ করে নিম্নআয়ের দেশগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় তহবিল সরবরাহ নিশ্চিত করা প্রয়োজন বলে মোমেন দাবি তোলেন ওই বৈঠকে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাসদ কার্যালয় থেকে গ্রেপ্তার ২৭ জনের জামিন আবেদন নাকচ

নিম্নআয়ের দেশের জন্য স্বাস্থ্যখাতে প্রয়োজনীয় তহবিল নিশ্চিতের আহ্বান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

আপডেট সময় ০৩:৫৪:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

ভবিষ্যতে করোনাভাইরাসের মতো অতিমারি মোকাবিলায় নিম্নআয়ের দেশগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় তহবিল সরবরাহ নিশ্চিত করতে উন্নত দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।

নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় শুক্রবার বিকালে অনুষ্ঠিত কোভিড-১৯ গ্লোবাল অ্যাকশন প্ল্যান (জিএপি) মন্ত্রী পর্যায়ের উদ্বোধনী অধিবেশনে তিনি এ আহ্বান জানান।

একইসঙ্গে স্বাস্থ্য খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য একটি বৈশ্বিক স্বাস্থ্য কৌশল প্রণয়নের ওপর গুরাত্বারোপ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, কোভিড ব্যবস্থাপনায় অর্জিত অভিজ্ঞতা ও জ্ঞান অন্যদের সঙ্গে ভাগাভাগি করতে বাংলাদেশ প্রস্তুত রয়েছে।

এসময় বৈশ্বিক অংশীদারিত্ব এবং সমন্বিত প্রচেষ্টার ওপর জোর দিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তত্ত্বাবধানে গঠিত ও পরিচালিত মতো বহুপাক্ষিক প্লাটফর্মগুলোর প্রশংসা করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

কোভিড-১৯ মোকাবিলায় রাজনৈতিক সদিচ্ছা জোরদার করতে বিশ্বব্যাপী অংশীদারদের একত্রিত করার প্রয়াসে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন, স্পেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসে ম্যানুয়েল আলবারেস বুয়েনো ও বতসোয়ানার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. লেমোগাং কোয়াপে যৌথভাবে মন্ত্রী পর্যায়ের এই সভার আয়োজন করেন।

জাপান, সৌদি আরব ও থাইল্যান্ডসহ বেশ কয়েকটি দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক বৈঠকে অংশ নেন। ফ্রান্স, ইন্দোনেশিয়া, জার্মানি, যুক্তরাজ্য, ভারত, নরওয়ে, ইতালি ও দক্ষিণ কোরিয়াসহ বেশ কয়েকটি দেশের উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিরাও যোগ দেন এই বৈঠকে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে কোভিড-১৯ মোকাবিলায় বাংলাদেশ অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছে উল্লেখ করে ড. মোমেন বলেন, এই সাফল্যের মূলে রয়েছে জীবনরক্ষার পাশাপাশি জীবিকার সংস্থান অব্যাহত রাখা। অতি ঝুঁকিপূর্ণদের জন্য বিশেষ সহায়তার ব্যবস্থা করা এবং প্রণোদনা প্রদানের মাধ্যমে অতিমারির ফলে ক্ষতিগ্রস্ত অর্থনীতির দ্রুত পুনর্গঠন নিশ্চিত করা।

মহামারি এখনও শেষ হয়নি, মনে করিয়ে টিকাদান কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী। পাশাপাশি টিকাকে বৈশ্বিক গণ-পণ্য হিসেবে ঘোষণা করা এবং বৈষম্য ছাড়াই সব দেশের মধ্যে বিতরণের গুরুত্ব পুনর্ব্যক্ত করেন।

তিনি স্বাস্থ্য খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য তহবিলের টেকসই এবং উল্লেখযোগ্য ইনজেকশনের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। বিশেষ করে নিম্নআয়ের দেশগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় তহবিল সরবরাহ নিশ্চিত করা প্রয়োজন বলে মোমেন দাবি তোলেন ওই বৈঠকে।