ঢাকা ০৩:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভাতার আওতায় এলেন আরও ১৭১ খেলোয়াড় তেলের দাম বিশ্ববাজারে দ্বিগুণ বাড়লেও আমরা সামান্য বাড়িয়েছি: জ্বালানি মন্ত্রী আইএমএফের চাপে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়নি: অর্থমন্ত্রী জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি সাধারণ মানুষের কাছে ‘মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা’: গোলাম পরওয়ার ইসরাইল বিজয় ছিনিয়ে আনতে জানে: ট্রাম্প মেরিন ড্রাইভে প্রাইভেটকারে আগুন, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন যাত্রীরা নেতানিয়াহুর প্ররোচনায় ইরানযুদ্ধে জড়িয়েছেন ট্রাম্প: কমলা হ্যারিস ১০৭ বছরের পুরোনো মাঠ দখলমুক্ত করার ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর চাকরি পুনর্বহাল চেয়ে মতিঝিলে ৬ ইসলামী ব্যাংকের সাবেক কর্মীদের অবস্থান ‘যেকোনো মুহূর্তে’ আবার যুদ্ধ শুরু হতে পারে: ইরান

ছুটি না নিয়ে ৬ মাস অনুপস্থিত প্রধান শিক্ষিকা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

মাদারীপুরের ডাসারে ছুটি না নিয়ে ৬ মাস ধরে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষিকার বিরুদ্ধে।

অভিযোগ রয়েছে, উপজেলার ১৪৫নং পশ্চিম শশিকর ওয়াপদারপাড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা তমা রায় প্রায় অর্ধবছর ধরে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত রয়েছেন।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ওই শিক্ষিকা বিদ্যালয়ে যোগ দেন ২০২০ সালের ১৬ মার্চ। কিন্তু এ বছরের ২৩ মার্চ থেকে তিনি অনুপস্থিত রয়েছেন। এতে করে একদিকে বিদ্যালয়টি শিক্ষক সংকটে ভুগছে অন্যদিকে ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষা কার্যক্রম।

বিদ্যালয় সূত্রে আরও জানা গেছে, বিদ্যালয়টিতে মোট পাঁচজন শিক্ষকের পদ রয়েছে। প্রধান শিক্ষিকা অনুপস্থিত, সহকারী এক শিক্ষিকা চিকিৎসা জনিত কারণে ছুটিতে রয়েছেন। বর্তমানে বিদ্যালয়ে তিনজন শিক্ষক কর্মরত রয়েছেন। শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় শতাধিক।

ওই শিক্ষিকার এলাকায় খোঁজ নিয়ে তার পরিবার ও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয়রা বলছে, তিনি ও তার পরিবার সবাই বসবাসের জন্য বাংলাদেশ থেকে ভারতে পাড়ি জমিয়েছেন।

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সঞ্জয় সরকার বলেন, গত ২৩ মার্চ চিকিৎসার কথা বলে চলে যাওয়ার পর থেকে আমাদের প্রধান শিক্ষক আর স্কুলে আসেননি। তিনি কোনো ছুটির দরখাস্তও করেননি। আমরা তার সঙ্গে যোগাযোগের অনেক চেষ্টা করেছি, কিন্তু তার কোনো খোঁজ পাইনি। তাকে অনেকবার ফোন করাও হয়েছে। কিন্তু তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। তিনিও আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন না। এ বিষয়ে ইতিমধ্যে আমরা শিক্ষা অফিসকে জানিয়েছি। তারা আমাদেরকে চিঠি পাঠিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, আমাদের বিদ্যালয় শিক্ষক সংকটে ভুগছে। বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকটের কারণে শিক্ষার্থীর পাঠদান ও অফিসিয়াল কার্যক্রম যথাযথভাবে পালন করতে পারছি না। এ বিষয়ে কতৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, আমরা বিদ্যালয়টিতে বেশ কয়েকবার পরিদর্শন করেছি এবং এ পর্যন্ত তিনটি শোকজ পাঠিয়েছি। এখন আমরা মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছি, যা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে পাঠানো হবে।

এ বিষয়ে ডাসার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শারমীন ইয়াছমীন বলেন, প্রধান শিক্ষিকার অনুপস্থিতির বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

ভাতার আওতায় এলেন আরও ১৭১ খেলোয়াড়

ছুটি না নিয়ে ৬ মাস অনুপস্থিত প্রধান শিক্ষিকা

আপডেট সময় ০১:২৬:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

মাদারীপুরের ডাসারে ছুটি না নিয়ে ৬ মাস ধরে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষিকার বিরুদ্ধে।

অভিযোগ রয়েছে, উপজেলার ১৪৫নং পশ্চিম শশিকর ওয়াপদারপাড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা তমা রায় প্রায় অর্ধবছর ধরে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত রয়েছেন।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ওই শিক্ষিকা বিদ্যালয়ে যোগ দেন ২০২০ সালের ১৬ মার্চ। কিন্তু এ বছরের ২৩ মার্চ থেকে তিনি অনুপস্থিত রয়েছেন। এতে করে একদিকে বিদ্যালয়টি শিক্ষক সংকটে ভুগছে অন্যদিকে ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষা কার্যক্রম।

বিদ্যালয় সূত্রে আরও জানা গেছে, বিদ্যালয়টিতে মোট পাঁচজন শিক্ষকের পদ রয়েছে। প্রধান শিক্ষিকা অনুপস্থিত, সহকারী এক শিক্ষিকা চিকিৎসা জনিত কারণে ছুটিতে রয়েছেন। বর্তমানে বিদ্যালয়ে তিনজন শিক্ষক কর্মরত রয়েছেন। শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় শতাধিক।

ওই শিক্ষিকার এলাকায় খোঁজ নিয়ে তার পরিবার ও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয়রা বলছে, তিনি ও তার পরিবার সবাই বসবাসের জন্য বাংলাদেশ থেকে ভারতে পাড়ি জমিয়েছেন।

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সঞ্জয় সরকার বলেন, গত ২৩ মার্চ চিকিৎসার কথা বলে চলে যাওয়ার পর থেকে আমাদের প্রধান শিক্ষক আর স্কুলে আসেননি। তিনি কোনো ছুটির দরখাস্তও করেননি। আমরা তার সঙ্গে যোগাযোগের অনেক চেষ্টা করেছি, কিন্তু তার কোনো খোঁজ পাইনি। তাকে অনেকবার ফোন করাও হয়েছে। কিন্তু তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। তিনিও আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন না। এ বিষয়ে ইতিমধ্যে আমরা শিক্ষা অফিসকে জানিয়েছি। তারা আমাদেরকে চিঠি পাঠিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, আমাদের বিদ্যালয় শিক্ষক সংকটে ভুগছে। বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকটের কারণে শিক্ষার্থীর পাঠদান ও অফিসিয়াল কার্যক্রম যথাযথভাবে পালন করতে পারছি না। এ বিষয়ে কতৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, আমরা বিদ্যালয়টিতে বেশ কয়েকবার পরিদর্শন করেছি এবং এ পর্যন্ত তিনটি শোকজ পাঠিয়েছি। এখন আমরা মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছি, যা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে পাঠানো হবে।

এ বিষয়ে ডাসার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শারমীন ইয়াছমীন বলেন, প্রধান শিক্ষিকার অনুপস্থিতির বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।