ঢাকা ০১:১২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিনিয়োগনির্ভর ও উৎপাদনমুখী অর্থনীতি গড়ে তুলতে চায় সরকার : পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ‘জনমুখী স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে চিকিৎসকদের সক্রিয় সহযোগিতা প্রয়োজন’:মির্জা ফখরুল লন্ডনে প্রকাশ্যে ডাব খাওয়ার সময় তোপের মুখে সাবেক মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কে ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে: সার্জিও গর কু‌ড়িগ্রা‌মে এন‌সি‌পির মি‌ছি‌লে হামলা, আহত ১০ আলিফের চোখ ফেরত দিন, আমরা চুপ হয়ে যাব: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী রামপুরায় চলন্ত বাসে উঠতে গিয়ে যাত্রীর মৃত্যু জামালপুরে ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ ফাঁসি দিয়ে দেন, মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত আছি- ট্রাইব্যুনালে বললেন লতিফ সিদ্দিকী ৬০ লাখ টাকায়ও মেলেনি মুক্তি, আরও ২৭ লাখ দিতে দেরি হওয়ায় হত্যা

জিয়া মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি এজেন্ট হিসেবে অনুপ্রবেশ করেছিলো: নানক

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি এজেন্ট হিসেবে অনুপ্রবেশ করেছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক। তিনি বলেছেন, ‘গোলাম আযমকে নাগরিকত্ব ফিরিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে এর পরিষ্কার চিত্র ফুটে উঠেছিলো।’

২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় নিহতদের স্মরণে সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি মিলনায়তনে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় আরও বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য আব্দুর রহমান, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক এবং এসএম কামাল হোসেন।

সভায় জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, ‘প্রতিরাতে গুলির শব্দে আমরা আতঙ্কিত হয়ে উঠতাম। প্রতিদিন ক্যান্টনমেন্টে গুলির শব্দ। প্রায় ১২ শত সামরিক বাহিনীর কর্মকতাকে হত্যা করেছিল জিয়াউর রহমান। কারণ তার ক্ষমতার পথকে সহজ করতে হতো।’

তিনি বলেন, ‘২০০৪ সালের ২১ আগস্ট, আর ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট, একই ধারা, একই সিদ্ধান্ত একই অপশক্তি। তারা জাতির পিতাকে সপরিবারে হত্যা করেছিল, তারা বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতার মূল মন্ত্র অসাম্প্রদায়িকতা, ধর্মনিরপক্ষেতাকে উচ্ছেদ করেছিল।’ ‘সেদিন গ্রেনেড ছোড়ার পর যখন নেত্রী (শেখ হাসিনা) বেরিয়ে গেছেন, তার গাড়ির চাকা গুলি করে পাঞ্চার করে করে দেওয়া হলো। এমনভাবে পরিকল্পনা করা হয়েছিলো, গ্রেনেডে যদি শেষ করে না দেওয়া যায়, তাহলে তাকে গুলি করে হত্যা করে দেওয়া হলো। হাসপাতালগুলোতেও বিএনপিপন্থী ডাক্তাররা চিকিৎসা দিচ্ছিল না।’

তিনি মির্জা ফখরুলের প্রতি প্রশ্ন করেন, ‘‘হামলার নিন্দা না করার অর্থ কি এটাই নয় যে, আপনারা রাজনৈতিক দল হিসেবেই এ হামলাকে ‘এনডোর্স’ (অনুমোদন) করছেন?’’

সভায় আব্দুর রহমান বলেন, ‘২১ বার শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু মৃত্যুকে তিনি পায়ের ভৃত্য বানিয়ে এগিয়ে চলছেন। ২০০৪ সালে তাকে মেরে ফেলার বন্দোবস্ত চূড়ান্ত হয়েছিল। আজও ঘুমের মধ্যে সেই হামলার ভয়াবহতা অনুভব করে বিহ্বল হয়ে যাই।’

বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, ‘২১ আগস্টের খুনীদের নিম্ন আদালতে বিচার হয়েছে, চূড়ান্ত বিচার এখনও হয়নি। বিচারের অপেক্ষায় আছে। আজকে বলতে চাই, আর কালক্ষেপণ নয়। অনতিবিলম্বে উচ্চ আদালতে সম্পূর্ণ রায়টি আমরা পেতে চাই। খুনিদের চূড়ান্ত রায়ের কার্যকরও দেখতে চাই।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিনিয়োগনির্ভর ও উৎপাদনমুখী অর্থনীতি গড়ে তুলতে চায় সরকার : পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী

জিয়া মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি এজেন্ট হিসেবে অনুপ্রবেশ করেছিলো: নানক

আপডেট সময় ১০:৪১:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ অগাস্ট ২০২২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি এজেন্ট হিসেবে অনুপ্রবেশ করেছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক। তিনি বলেছেন, ‘গোলাম আযমকে নাগরিকত্ব ফিরিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে এর পরিষ্কার চিত্র ফুটে উঠেছিলো।’

২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় নিহতদের স্মরণে সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি মিলনায়তনে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় আরও বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য আব্দুর রহমান, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক এবং এসএম কামাল হোসেন।

সভায় জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, ‘প্রতিরাতে গুলির শব্দে আমরা আতঙ্কিত হয়ে উঠতাম। প্রতিদিন ক্যান্টনমেন্টে গুলির শব্দ। প্রায় ১২ শত সামরিক বাহিনীর কর্মকতাকে হত্যা করেছিল জিয়াউর রহমান। কারণ তার ক্ষমতার পথকে সহজ করতে হতো।’

তিনি বলেন, ‘২০০৪ সালের ২১ আগস্ট, আর ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট, একই ধারা, একই সিদ্ধান্ত একই অপশক্তি। তারা জাতির পিতাকে সপরিবারে হত্যা করেছিল, তারা বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতার মূল মন্ত্র অসাম্প্রদায়িকতা, ধর্মনিরপক্ষেতাকে উচ্ছেদ করেছিল।’ ‘সেদিন গ্রেনেড ছোড়ার পর যখন নেত্রী (শেখ হাসিনা) বেরিয়ে গেছেন, তার গাড়ির চাকা গুলি করে পাঞ্চার করে করে দেওয়া হলো। এমনভাবে পরিকল্পনা করা হয়েছিলো, গ্রেনেডে যদি শেষ করে না দেওয়া যায়, তাহলে তাকে গুলি করে হত্যা করে দেওয়া হলো। হাসপাতালগুলোতেও বিএনপিপন্থী ডাক্তাররা চিকিৎসা দিচ্ছিল না।’

তিনি মির্জা ফখরুলের প্রতি প্রশ্ন করেন, ‘‘হামলার নিন্দা না করার অর্থ কি এটাই নয় যে, আপনারা রাজনৈতিক দল হিসেবেই এ হামলাকে ‘এনডোর্স’ (অনুমোদন) করছেন?’’

সভায় আব্দুর রহমান বলেন, ‘২১ বার শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু মৃত্যুকে তিনি পায়ের ভৃত্য বানিয়ে এগিয়ে চলছেন। ২০০৪ সালে তাকে মেরে ফেলার বন্দোবস্ত চূড়ান্ত হয়েছিল। আজও ঘুমের মধ্যে সেই হামলার ভয়াবহতা অনুভব করে বিহ্বল হয়ে যাই।’

বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, ‘২১ আগস্টের খুনীদের নিম্ন আদালতে বিচার হয়েছে, চূড়ান্ত বিচার এখনও হয়নি। বিচারের অপেক্ষায় আছে। আজকে বলতে চাই, আর কালক্ষেপণ নয়। অনতিবিলম্বে উচ্চ আদালতে সম্পূর্ণ রায়টি আমরা পেতে চাই। খুনিদের চূড়ান্ত রায়ের কার্যকরও দেখতে চাই।’