ঢাকা ১২:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শাপলা চত্বরে হত্যা মামলা:শেখ হাসিনাসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল সোনারগাঁয়ে বিএনপি কর্মীকে পিটিয়ে হত্যা বিরতির পর আজ শুরু হচ্ছে চট্টগ্রাম বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষা জামায়াত-এনসিপির বক্তব্যে দেশপ্রেম নিয়ে আশাবাদী হওয়া যাচ্ছে না:পানিসম্পদ মন্ত্রী জঙ্গল সলিমপুরে পানিতে বিষ মিশিয়ে যৌথবাহিনী সদস্যদের হত্যাচেষ্টা! দেশে ১ কোটি লোকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে: পরিবেশমন্ত্রী তুরাবদের রক্তের বিনিময়েই দেশ ফ্যাসিবাদ মুক্ত হয়েছে: ডা. শফিকুর রহমান জনগণের স্বার্থের বিপরীতে কিছু করলে দায়ভার সরকারের ওপরই পড়বে: মান্না অস্ত্র প্রস্তুত, তবে ইরানকে ‘কিছুটা সময়’ দিচ্ছেন ট্রাম্প : মার্কিন রাষ্ট্রদূত বিএনপি মো. সাহাবুদ্দিনকে ‘সেফ এক্সিট’ দিতে চায়: আখতার

শত বছরের রীতি ধরে রাখতে কুমিরকে বিয়ে!

আকাশ নিউজ ডেস্ক:  

ব্যতিক্রমী এক বিয়ে হলো মেক্সিকোর দক্ষিণাঞ্চলীয় ওয়াজাকা রাজ্যে। সাদা গাউন আর স্বর্ণালংকার পরিয়ে একটি কুমিরকে বিয়ে করলেন দেশটির সান পেদ্রো হুয়ামেলুলার শহরের মেয়র। ঐতিহ্যবাহী গান আর নাচের মধ্য দিয়ে অদ্ভুত এ বিয়ের অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। এরই মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে ব্যতিক্রমী এ বিয়ের খবর।

শত বছরের পুরনো রীতি ধরে রাখতেই এমন বিয়ের আয়োজন করেছে সেখানকার আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষেরা। প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের যোগসূত্র গড়ে তোলার জন্য এ বিয়ের মাধ্যমে প্রার্থনা করেন তারা। এই বিয়ে উপলক্ষ্যে আনন্দ আয়োজনে মাতে শহরবাসী। স্থানীয় সময় গত বৃহস্পতিবার মেয়র ভিক্টর হুগো সোসা ৭ বছর বয়সী কুমিরটিকে বিয়ে করেন। মেয়র সোসা বলেন, আমরা প্রকৃতির কাছে পর্যাপ্ত পরিমাণ বৃষ্টি, খাবার ও নদীতে মাছ চেয়ে প্রার্থনা করেছি।

কুমিরের সাথে মানুষের এ বিয়েতে কমতি ছিল না কোনো আয়োজনে। আদিবাসী আয়োজনের সাথে যোগ হয়েছে খ্রিস্টান বিয়ের রীতি। সে অনুযায়ী আগে থেকে নির্বাচিত করা হয় বউয়ের একজন গডমাদার। শুভক্ষণে রীতিমত সাদা গাউন, গহনা আর অন্যান্য অনুসঙ্গে সুসজ্জিত হয়ে হাজির করানো হয় কুমির কনেকে।

ট্রাম্পেট আর ড্রামের বাদ্যের উৎসবমুখর তালের সঙ্গে স্থানীয় জনতা কুমিরটিকে নিয়ে গ্রামের রাস্তায় ঘুরতে গেলে পুরুষরা তাদের মাথার হ্যাট খুলে বাতাস করতে থাকেন। এ বিয়ের আয়োজক ধর্মমাতা হিসিবে পরিচিত এলিয়া এডিথ আগুইলার বলেন, এটা আমাকে অনেক আনন্দ দিয়েছে এবং আমার শেকড় সম্পর্কে আমাকে গর্বিত করেছে।

অনুষ্ঠানটি পরিচালনার দায়িত্ব পেয়ে সম্মানিত বোধ করছেন জানিয়ে তিনি বলেন, কনে (কুমির) কী পোশাক পরবে, সে বিষয়েও আমাকে অনেক সময় ব্যয় করতে হয়েছে। এটি খুবই চমৎকার একটি প্রথা।

হাসি-আনন্দের ছলে বিয়ের গোটা আয়োজন হলেও শুরু থেকেই সতর্ক অবস্থানে ছিলেন সবাই। কেননা দিন শেষে নববধূ এক হিংস্র মাংসাশী। দুর্ঘটনা এড়াতে তাই পুরো অনুষ্ঠান জুড়েই কুমিরটির মুখ বেধে রাখা হয় দড়ি দিয়ে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শাপলা চত্বরে হত্যা মামলা:শেখ হাসিনাসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল

শত বছরের রীতি ধরে রাখতে কুমিরকে বিয়ে!

আপডেট সময় ১১:২৬:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ অগাস্ট ২০২২

আকাশ নিউজ ডেস্ক:  

ব্যতিক্রমী এক বিয়ে হলো মেক্সিকোর দক্ষিণাঞ্চলীয় ওয়াজাকা রাজ্যে। সাদা গাউন আর স্বর্ণালংকার পরিয়ে একটি কুমিরকে বিয়ে করলেন দেশটির সান পেদ্রো হুয়ামেলুলার শহরের মেয়র। ঐতিহ্যবাহী গান আর নাচের মধ্য দিয়ে অদ্ভুত এ বিয়ের অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। এরই মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে ব্যতিক্রমী এ বিয়ের খবর।

শত বছরের পুরনো রীতি ধরে রাখতেই এমন বিয়ের আয়োজন করেছে সেখানকার আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষেরা। প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের যোগসূত্র গড়ে তোলার জন্য এ বিয়ের মাধ্যমে প্রার্থনা করেন তারা। এই বিয়ে উপলক্ষ্যে আনন্দ আয়োজনে মাতে শহরবাসী। স্থানীয় সময় গত বৃহস্পতিবার মেয়র ভিক্টর হুগো সোসা ৭ বছর বয়সী কুমিরটিকে বিয়ে করেন। মেয়র সোসা বলেন, আমরা প্রকৃতির কাছে পর্যাপ্ত পরিমাণ বৃষ্টি, খাবার ও নদীতে মাছ চেয়ে প্রার্থনা করেছি।

কুমিরের সাথে মানুষের এ বিয়েতে কমতি ছিল না কোনো আয়োজনে। আদিবাসী আয়োজনের সাথে যোগ হয়েছে খ্রিস্টান বিয়ের রীতি। সে অনুযায়ী আগে থেকে নির্বাচিত করা হয় বউয়ের একজন গডমাদার। শুভক্ষণে রীতিমত সাদা গাউন, গহনা আর অন্যান্য অনুসঙ্গে সুসজ্জিত হয়ে হাজির করানো হয় কুমির কনেকে।

ট্রাম্পেট আর ড্রামের বাদ্যের উৎসবমুখর তালের সঙ্গে স্থানীয় জনতা কুমিরটিকে নিয়ে গ্রামের রাস্তায় ঘুরতে গেলে পুরুষরা তাদের মাথার হ্যাট খুলে বাতাস করতে থাকেন। এ বিয়ের আয়োজক ধর্মমাতা হিসিবে পরিচিত এলিয়া এডিথ আগুইলার বলেন, এটা আমাকে অনেক আনন্দ দিয়েছে এবং আমার শেকড় সম্পর্কে আমাকে গর্বিত করেছে।

অনুষ্ঠানটি পরিচালনার দায়িত্ব পেয়ে সম্মানিত বোধ করছেন জানিয়ে তিনি বলেন, কনে (কুমির) কী পোশাক পরবে, সে বিষয়েও আমাকে অনেক সময় ব্যয় করতে হয়েছে। এটি খুবই চমৎকার একটি প্রথা।

হাসি-আনন্দের ছলে বিয়ের গোটা আয়োজন হলেও শুরু থেকেই সতর্ক অবস্থানে ছিলেন সবাই। কেননা দিন শেষে নববধূ এক হিংস্র মাংসাশী। দুর্ঘটনা এড়াতে তাই পুরো অনুষ্ঠান জুড়েই কুমিরটির মুখ বেধে রাখা হয় দড়ি দিয়ে।