ঢাকা ১০:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সরকারি দপ্তর ও উন্নয়ন প্রকল্পে দলীয় সিন্ডিকেট চলবে না: আইনমন্ত্রী ফাঁসির রায় কার্যকর হওয়ার জন্যই হাসিনা দেশে ফিরবেন: নাহিদ ইসলাম নাহিদ-আসিফ-পাটওয়ারীকে নিয়ে বিস্ফোরক তথ্য দিলেন নুর জনগণের জীবনমান উন্নয়ন বর্তমান সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী বন্যার দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রতিমন্ত্রী অমিতকে দায়িত্ব দিল সরকার কালেমা লেখা পতাকায় জঙ্গি নাটক তৈরির ষড়যন্ত্র চলছে সরকারকে সতর্ক থাকার পরামর্শ ফয়জুল করিমের খামেনি হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকার ইরানের ১৩ উপজেলায় নতুন হাসপাতাল অনুমোদন মেধাভিত্তিক ও বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ গড়াই সরকারের অঙ্গীকার : মাহদী আমিন

আপনার ফেসবুক নজরদারিতে কি না, বুঝবেন যেভাবে

আকাশ আইসিটি ডেস্ক :

ফেসবুক প্ল্যাটফর্মে ব্যবহারকারীদের টার্গেট করে গোপন নজরদারি চালানোর জন্য সাতটি নজরদারি সংস্থাকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ফেসবুকের মালিক সংস্থা মেটা।

 নতুন এক রিপোর্টে মেটা এ তথ্য জানায়।

মেটার কর্মকর্তারা বলছেন, ফেসবুক ব্যবহারকারী যারা গোপন নজরদারির শিকার হয়েছেন, তাদের কাছে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সতর্ক নোটিশ পাঠানো হবে। তবে কী ধরনের নজরদারি চালানো হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে না।

মেটা জানায়, এ ধরনের ‘দুরভিসন্ধিমূলক কার্যকলাপ’ সম্পর্কে প্রায় ৫০ হাজার ব্যবহারকারী তাদের কাছ থেকে সতর্কবার্তা পাবেন।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, মেটা এই গোপন নজরদারি সংস্থাগুলোর বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ এনেছে, তার মধ্যে রয়েছে ভুয়া অ্যাকাউন্ট খোলা, যাদের টার্গেট করা হয়েছে তাদের ফেসবুক বন্ধুদের সরিয়ে দেওয়া এবং হ্যাকিং পদ্ধতি ব্যবহার করে এই ব্যবহারকারীদের মাধ্যমে তথ্য ছড়ানো।

মেটার অভিযোগ, এই সাইবার গুপ্তচর কোম্পানিগুলো সাংবাদিক ও মানবিধকার কর্মীসহ বিভিন্ন ব্যক্তিকে টার্গেট করে এসব নজরদারি চালিয়েছে।

রিপোর্টে বলা হয়, কয়েক মাস ধরে তদন্ত চালানোর পর বিভিন্ন দেশে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম এবং হোয়াটসঅ্যাপের প্রায় দেড় হাজার পেজ মেটা বাতিল করে দিয়েছে। নজরদারি সংস্থাগুলো ১০০টির বেশি দেশে বিভিন্ন ব্যক্তিকে লক্ষ্যবস্তু করে এই গোয়েন্দাগিরি করেছে।

মেটার রিপোর্টে আরও বলা হয়, এ বছরের শুরুতে ইসরায়েলে তৈরি স্পাইওয়্যার ‘পেগাসাস’ হাজার হাজার মানুষকে টার্গেট করেছে—এমন অভিযোগের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাদের বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে এই গোপন নজরদারি সংস্থাগুলোর কার্যকলাপের ওপর বাড়তি নজর রাখার কাজ শুরু করে।

পেগাসাসের মালিক সংস্থা ইসরায়েলের এনএসও গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে তাদের সফটওয়্যার ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে ফেসবুক ইতোমধ্যেই তাদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিয়েছে।

এনএসও এবং এ ধরনের অন্যান্য সংস্থাকে নভেম্বরে কালো তালিকাভুক্ত করেছে মার্কিন সরকার। তাদের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র অভিযোগ এনেছে, ব্যক্তিবিশেষকে ‘অন্যায়ভাবে টার্গেট’ করে নজরদারি চালানোর জন্য তারা বিদেশি সরকারগুলোকে এই স্পাইওয়্যার দিয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সরকারি দপ্তর ও উন্নয়ন প্রকল্পে দলীয় সিন্ডিকেট চলবে না: আইনমন্ত্রী

আপনার ফেসবুক নজরদারিতে কি না, বুঝবেন যেভাবে

আপডেট সময় ০৯:৩৮:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২১

আকাশ আইসিটি ডেস্ক :

ফেসবুক প্ল্যাটফর্মে ব্যবহারকারীদের টার্গেট করে গোপন নজরদারি চালানোর জন্য সাতটি নজরদারি সংস্থাকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ফেসবুকের মালিক সংস্থা মেটা।

 নতুন এক রিপোর্টে মেটা এ তথ্য জানায়।

মেটার কর্মকর্তারা বলছেন, ফেসবুক ব্যবহারকারী যারা গোপন নজরদারির শিকার হয়েছেন, তাদের কাছে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সতর্ক নোটিশ পাঠানো হবে। তবে কী ধরনের নজরদারি চালানো হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে না।

মেটা জানায়, এ ধরনের ‘দুরভিসন্ধিমূলক কার্যকলাপ’ সম্পর্কে প্রায় ৫০ হাজার ব্যবহারকারী তাদের কাছ থেকে সতর্কবার্তা পাবেন।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, মেটা এই গোপন নজরদারি সংস্থাগুলোর বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ এনেছে, তার মধ্যে রয়েছে ভুয়া অ্যাকাউন্ট খোলা, যাদের টার্গেট করা হয়েছে তাদের ফেসবুক বন্ধুদের সরিয়ে দেওয়া এবং হ্যাকিং পদ্ধতি ব্যবহার করে এই ব্যবহারকারীদের মাধ্যমে তথ্য ছড়ানো।

মেটার অভিযোগ, এই সাইবার গুপ্তচর কোম্পানিগুলো সাংবাদিক ও মানবিধকার কর্মীসহ বিভিন্ন ব্যক্তিকে টার্গেট করে এসব নজরদারি চালিয়েছে।

রিপোর্টে বলা হয়, কয়েক মাস ধরে তদন্ত চালানোর পর বিভিন্ন দেশে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম এবং হোয়াটসঅ্যাপের প্রায় দেড় হাজার পেজ মেটা বাতিল করে দিয়েছে। নজরদারি সংস্থাগুলো ১০০টির বেশি দেশে বিভিন্ন ব্যক্তিকে লক্ষ্যবস্তু করে এই গোয়েন্দাগিরি করেছে।

মেটার রিপোর্টে আরও বলা হয়, এ বছরের শুরুতে ইসরায়েলে তৈরি স্পাইওয়্যার ‘পেগাসাস’ হাজার হাজার মানুষকে টার্গেট করেছে—এমন অভিযোগের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাদের বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে এই গোপন নজরদারি সংস্থাগুলোর কার্যকলাপের ওপর বাড়তি নজর রাখার কাজ শুরু করে।

পেগাসাসের মালিক সংস্থা ইসরায়েলের এনএসও গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে তাদের সফটওয়্যার ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে ফেসবুক ইতোমধ্যেই তাদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিয়েছে।

এনএসও এবং এ ধরনের অন্যান্য সংস্থাকে নভেম্বরে কালো তালিকাভুক্ত করেছে মার্কিন সরকার। তাদের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র অভিযোগ এনেছে, ব্যক্তিবিশেষকে ‘অন্যায়ভাবে টার্গেট’ করে নজরদারি চালানোর জন্য তারা বিদেশি সরকারগুলোকে এই স্পাইওয়্যার দিয়েছে।