ঢাকা ০২:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

আপনার ফেসবুক নজরদারিতে কি না, বুঝবেন যেভাবে

আকাশ আইসিটি ডেস্ক :

ফেসবুক প্ল্যাটফর্মে ব্যবহারকারীদের টার্গেট করে গোপন নজরদারি চালানোর জন্য সাতটি নজরদারি সংস্থাকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ফেসবুকের মালিক সংস্থা মেটা।

 নতুন এক রিপোর্টে মেটা এ তথ্য জানায়।

মেটার কর্মকর্তারা বলছেন, ফেসবুক ব্যবহারকারী যারা গোপন নজরদারির শিকার হয়েছেন, তাদের কাছে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সতর্ক নোটিশ পাঠানো হবে। তবে কী ধরনের নজরদারি চালানো হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে না।

মেটা জানায়, এ ধরনের ‘দুরভিসন্ধিমূলক কার্যকলাপ’ সম্পর্কে প্রায় ৫০ হাজার ব্যবহারকারী তাদের কাছ থেকে সতর্কবার্তা পাবেন।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, মেটা এই গোপন নজরদারি সংস্থাগুলোর বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ এনেছে, তার মধ্যে রয়েছে ভুয়া অ্যাকাউন্ট খোলা, যাদের টার্গেট করা হয়েছে তাদের ফেসবুক বন্ধুদের সরিয়ে দেওয়া এবং হ্যাকিং পদ্ধতি ব্যবহার করে এই ব্যবহারকারীদের মাধ্যমে তথ্য ছড়ানো।

মেটার অভিযোগ, এই সাইবার গুপ্তচর কোম্পানিগুলো সাংবাদিক ও মানবিধকার কর্মীসহ বিভিন্ন ব্যক্তিকে টার্গেট করে এসব নজরদারি চালিয়েছে।

রিপোর্টে বলা হয়, কয়েক মাস ধরে তদন্ত চালানোর পর বিভিন্ন দেশে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম এবং হোয়াটসঅ্যাপের প্রায় দেড় হাজার পেজ মেটা বাতিল করে দিয়েছে। নজরদারি সংস্থাগুলো ১০০টির বেশি দেশে বিভিন্ন ব্যক্তিকে লক্ষ্যবস্তু করে এই গোয়েন্দাগিরি করেছে।

মেটার রিপোর্টে আরও বলা হয়, এ বছরের শুরুতে ইসরায়েলে তৈরি স্পাইওয়্যার ‘পেগাসাস’ হাজার হাজার মানুষকে টার্গেট করেছে—এমন অভিযোগের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাদের বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে এই গোপন নজরদারি সংস্থাগুলোর কার্যকলাপের ওপর বাড়তি নজর রাখার কাজ শুরু করে।

পেগাসাসের মালিক সংস্থা ইসরায়েলের এনএসও গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে তাদের সফটওয়্যার ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে ফেসবুক ইতোমধ্যেই তাদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিয়েছে।

এনএসও এবং এ ধরনের অন্যান্য সংস্থাকে নভেম্বরে কালো তালিকাভুক্ত করেছে মার্কিন সরকার। তাদের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র অভিযোগ এনেছে, ব্যক্তিবিশেষকে ‘অন্যায়ভাবে টার্গেট’ করে নজরদারি চালানোর জন্য তারা বিদেশি সরকারগুলোকে এই স্পাইওয়্যার দিয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

আপনার ফেসবুক নজরদারিতে কি না, বুঝবেন যেভাবে

আপডেট সময় ০৯:৩৮:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২১

আকাশ আইসিটি ডেস্ক :

ফেসবুক প্ল্যাটফর্মে ব্যবহারকারীদের টার্গেট করে গোপন নজরদারি চালানোর জন্য সাতটি নজরদারি সংস্থাকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ফেসবুকের মালিক সংস্থা মেটা।

 নতুন এক রিপোর্টে মেটা এ তথ্য জানায়।

মেটার কর্মকর্তারা বলছেন, ফেসবুক ব্যবহারকারী যারা গোপন নজরদারির শিকার হয়েছেন, তাদের কাছে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সতর্ক নোটিশ পাঠানো হবে। তবে কী ধরনের নজরদারি চালানো হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে না।

মেটা জানায়, এ ধরনের ‘দুরভিসন্ধিমূলক কার্যকলাপ’ সম্পর্কে প্রায় ৫০ হাজার ব্যবহারকারী তাদের কাছ থেকে সতর্কবার্তা পাবেন।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, মেটা এই গোপন নজরদারি সংস্থাগুলোর বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ এনেছে, তার মধ্যে রয়েছে ভুয়া অ্যাকাউন্ট খোলা, যাদের টার্গেট করা হয়েছে তাদের ফেসবুক বন্ধুদের সরিয়ে দেওয়া এবং হ্যাকিং পদ্ধতি ব্যবহার করে এই ব্যবহারকারীদের মাধ্যমে তথ্য ছড়ানো।

মেটার অভিযোগ, এই সাইবার গুপ্তচর কোম্পানিগুলো সাংবাদিক ও মানবিধকার কর্মীসহ বিভিন্ন ব্যক্তিকে টার্গেট করে এসব নজরদারি চালিয়েছে।

রিপোর্টে বলা হয়, কয়েক মাস ধরে তদন্ত চালানোর পর বিভিন্ন দেশে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম এবং হোয়াটসঅ্যাপের প্রায় দেড় হাজার পেজ মেটা বাতিল করে দিয়েছে। নজরদারি সংস্থাগুলো ১০০টির বেশি দেশে বিভিন্ন ব্যক্তিকে লক্ষ্যবস্তু করে এই গোয়েন্দাগিরি করেছে।

মেটার রিপোর্টে আরও বলা হয়, এ বছরের শুরুতে ইসরায়েলে তৈরি স্পাইওয়্যার ‘পেগাসাস’ হাজার হাজার মানুষকে টার্গেট করেছে—এমন অভিযোগের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাদের বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে এই গোপন নজরদারি সংস্থাগুলোর কার্যকলাপের ওপর বাড়তি নজর রাখার কাজ শুরু করে।

পেগাসাসের মালিক সংস্থা ইসরায়েলের এনএসও গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে তাদের সফটওয়্যার ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে ফেসবুক ইতোমধ্যেই তাদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিয়েছে।

এনএসও এবং এ ধরনের অন্যান্য সংস্থাকে নভেম্বরে কালো তালিকাভুক্ত করেছে মার্কিন সরকার। তাদের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র অভিযোগ এনেছে, ব্যক্তিবিশেষকে ‘অন্যায়ভাবে টার্গেট’ করে নজরদারি চালানোর জন্য তারা বিদেশি সরকারগুলোকে এই স্পাইওয়্যার দিয়েছে।