ঢাকা ০৯:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
একটি রাজনৈতিক দল বিভিন্ন এলাকা থেকে ভোটারদের ঢাকায় স্থানান্তর করে আনছে: ফখরুলের অভিযোগ নরসিংদীতে দুই ব্যবসায়ীর ঝগড়ায় একজনের মৃত্যু, অভিযুক্তর বাড়িতে ভাঙচুর-আগুন ৭ কলেজ নিয়ে ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ অধ্যাদেশ চূড়ান্ত আমি এসেছি শুধু শুনতে, শিখতে এবং একসঙ্গে কাজ করার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে যেতে: জাইমা রহমান চাকরির ক্ষেত্রে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হয়েছে কিনা তা দেখা উচিত : আমীর খসরু ওসমানী হাসপাতাল ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার যুক্তরাষ্ট্রেকেও খেসারত দিতে হবে, ফরাসি কৃষিমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি ভুয়া জরিপ ও মিথ্যা প্রচারণা দিয়ে রাজনৈতিক ইতিহাস বদলানো যাবে না : দুদু গণ-অভ্যুত্থানের নিষ্ঠুরতম খুনিদের বিচার নিশ্চিত করা হবে : তাজুল ইসলাম এক্সপেকটেশন যদি ১০ থাকে, অন্তত চার তো অর্জন করতে পেরেছি : আসিফ নজরুল

আপনার ফেসবুক নজরদারিতে কি না, বুঝবেন যেভাবে

আকাশ আইসিটি ডেস্ক :

ফেসবুক প্ল্যাটফর্মে ব্যবহারকারীদের টার্গেট করে গোপন নজরদারি চালানোর জন্য সাতটি নজরদারি সংস্থাকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ফেসবুকের মালিক সংস্থা মেটা।

 নতুন এক রিপোর্টে মেটা এ তথ্য জানায়।

মেটার কর্মকর্তারা বলছেন, ফেসবুক ব্যবহারকারী যারা গোপন নজরদারির শিকার হয়েছেন, তাদের কাছে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সতর্ক নোটিশ পাঠানো হবে। তবে কী ধরনের নজরদারি চালানো হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে না।

মেটা জানায়, এ ধরনের ‘দুরভিসন্ধিমূলক কার্যকলাপ’ সম্পর্কে প্রায় ৫০ হাজার ব্যবহারকারী তাদের কাছ থেকে সতর্কবার্তা পাবেন।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, মেটা এই গোপন নজরদারি সংস্থাগুলোর বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ এনেছে, তার মধ্যে রয়েছে ভুয়া অ্যাকাউন্ট খোলা, যাদের টার্গেট করা হয়েছে তাদের ফেসবুক বন্ধুদের সরিয়ে দেওয়া এবং হ্যাকিং পদ্ধতি ব্যবহার করে এই ব্যবহারকারীদের মাধ্যমে তথ্য ছড়ানো।

মেটার অভিযোগ, এই সাইবার গুপ্তচর কোম্পানিগুলো সাংবাদিক ও মানবিধকার কর্মীসহ বিভিন্ন ব্যক্তিকে টার্গেট করে এসব নজরদারি চালিয়েছে।

রিপোর্টে বলা হয়, কয়েক মাস ধরে তদন্ত চালানোর পর বিভিন্ন দেশে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম এবং হোয়াটসঅ্যাপের প্রায় দেড় হাজার পেজ মেটা বাতিল করে দিয়েছে। নজরদারি সংস্থাগুলো ১০০টির বেশি দেশে বিভিন্ন ব্যক্তিকে লক্ষ্যবস্তু করে এই গোয়েন্দাগিরি করেছে।

মেটার রিপোর্টে আরও বলা হয়, এ বছরের শুরুতে ইসরায়েলে তৈরি স্পাইওয়্যার ‘পেগাসাস’ হাজার হাজার মানুষকে টার্গেট করেছে—এমন অভিযোগের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাদের বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে এই গোপন নজরদারি সংস্থাগুলোর কার্যকলাপের ওপর বাড়তি নজর রাখার কাজ শুরু করে।

পেগাসাসের মালিক সংস্থা ইসরায়েলের এনএসও গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে তাদের সফটওয়্যার ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে ফেসবুক ইতোমধ্যেই তাদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিয়েছে।

এনএসও এবং এ ধরনের অন্যান্য সংস্থাকে নভেম্বরে কালো তালিকাভুক্ত করেছে মার্কিন সরকার। তাদের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র অভিযোগ এনেছে, ব্যক্তিবিশেষকে ‘অন্যায়ভাবে টার্গেট’ করে নজরদারি চালানোর জন্য তারা বিদেশি সরকারগুলোকে এই স্পাইওয়্যার দিয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

উত্তরায় নিরাপত্তাকর্মীকে পিটিয়ে অস্ত্র ছিনতাই-অপহরণ

আপনার ফেসবুক নজরদারিতে কি না, বুঝবেন যেভাবে

আপডেট সময় ০৯:৩৮:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২১

আকাশ আইসিটি ডেস্ক :

ফেসবুক প্ল্যাটফর্মে ব্যবহারকারীদের টার্গেট করে গোপন নজরদারি চালানোর জন্য সাতটি নজরদারি সংস্থাকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ফেসবুকের মালিক সংস্থা মেটা।

 নতুন এক রিপোর্টে মেটা এ তথ্য জানায়।

মেটার কর্মকর্তারা বলছেন, ফেসবুক ব্যবহারকারী যারা গোপন নজরদারির শিকার হয়েছেন, তাদের কাছে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সতর্ক নোটিশ পাঠানো হবে। তবে কী ধরনের নজরদারি চালানো হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে না।

মেটা জানায়, এ ধরনের ‘দুরভিসন্ধিমূলক কার্যকলাপ’ সম্পর্কে প্রায় ৫০ হাজার ব্যবহারকারী তাদের কাছ থেকে সতর্কবার্তা পাবেন।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, মেটা এই গোপন নজরদারি সংস্থাগুলোর বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ এনেছে, তার মধ্যে রয়েছে ভুয়া অ্যাকাউন্ট খোলা, যাদের টার্গেট করা হয়েছে তাদের ফেসবুক বন্ধুদের সরিয়ে দেওয়া এবং হ্যাকিং পদ্ধতি ব্যবহার করে এই ব্যবহারকারীদের মাধ্যমে তথ্য ছড়ানো।

মেটার অভিযোগ, এই সাইবার গুপ্তচর কোম্পানিগুলো সাংবাদিক ও মানবিধকার কর্মীসহ বিভিন্ন ব্যক্তিকে টার্গেট করে এসব নজরদারি চালিয়েছে।

রিপোর্টে বলা হয়, কয়েক মাস ধরে তদন্ত চালানোর পর বিভিন্ন দেশে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম এবং হোয়াটসঅ্যাপের প্রায় দেড় হাজার পেজ মেটা বাতিল করে দিয়েছে। নজরদারি সংস্থাগুলো ১০০টির বেশি দেশে বিভিন্ন ব্যক্তিকে লক্ষ্যবস্তু করে এই গোয়েন্দাগিরি করেছে।

মেটার রিপোর্টে আরও বলা হয়, এ বছরের শুরুতে ইসরায়েলে তৈরি স্পাইওয়্যার ‘পেগাসাস’ হাজার হাজার মানুষকে টার্গেট করেছে—এমন অভিযোগের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাদের বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে এই গোপন নজরদারি সংস্থাগুলোর কার্যকলাপের ওপর বাড়তি নজর রাখার কাজ শুরু করে।

পেগাসাসের মালিক সংস্থা ইসরায়েলের এনএসও গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে তাদের সফটওয়্যার ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে ফেসবুক ইতোমধ্যেই তাদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিয়েছে।

এনএসও এবং এ ধরনের অন্যান্য সংস্থাকে নভেম্বরে কালো তালিকাভুক্ত করেছে মার্কিন সরকার। তাদের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র অভিযোগ এনেছে, ব্যক্তিবিশেষকে ‘অন্যায়ভাবে টার্গেট’ করে নজরদারি চালানোর জন্য তারা বিদেশি সরকারগুলোকে এই স্পাইওয়্যার দিয়েছে।