ঢাকা ০৫:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আগামী সপ্তাহ থেকে কিছুটা গ্যাস সংকট কেটে যাবে : জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অর্থনীতিতে নতুন দিগন্ত খুলবে চায়না অর্থনৈতিক অঞ্চল : অর্থমন্ত্রী কমিউনিটি এনগেজমেন্টের মাধ্যমে প্রাথমিক বিদ্যালয়কে শক্তিশালী করতে হবে: ববি হাজ্জাজ এক হাজার ফাউন্ডারকে জমির দলিল দিল সুখের খামার রাবি ছাত্রীকে চাকু-পিস্তলের ভয় দেখানোর অভিযোগ, পদ্মায় ফেলে দেওয়ার হুমকি বিনিয়োগকারীদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ ১০ আগস্ট মালদ্বীপের স্বাধীনতা দিবসের প্যারেডে বিশেষ অতিথি হিসেবে যোগদান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বার্তা আদান-প্রদান চলছে, তবে আলোচনার পরিস্থিতি নেই: ইরান শাপলা চত্বর হত্যাযজ্ঞ:শেখ হাসিনাসহ পলাতকদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

চার কান নিয়ে জনপ্রিয়তার শীর্ষে বিড়াল

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

দু’জোড়া কান এবং ত্রুটিপূর্ণ চোয়াল নিয়ে জন্মেছিল বিড়ালটি। বাড়তি এক জোড়া কানের কারণে দেখতে কিছুটা অদ্ভূত মিডাস নামের বিড়ালটি। তবে এই বাড়তি এক জোড়া কানই তাকে এনে দিয়েছে বাড়তি জনপ্রিয়তা

মাত্র চার মাস বয়সেই ইন্টারনেটে সাড়া ফেলে দিয়েছে মিডাস। তার রয়েছে নিজস্ব ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট। সেখানে তার নিত্যদিনের কাজকর্মের ছবি আপলোড করা হয়। নেটমাধ্যমে ৭৩ হাজার ফলোয়ার আছে তার।

ইনস্টাগ্রামে মিডাসের ছবি আপলোড করার সঙ্গে সঙ্গেই লাইক এবং ভালবাসার বন্যা বয়ে যায়। মিডাসের জন্য শুভেচ্ছার ঢল নেমে আসে। চারটি কান নিয়ে জন্মে তারকা হয়ে গেছে মিডাস।

মিডাসের জন্ম তুরস্কের আঙ্কারাতে । আরও চার ভাইবোন রয়েছে তার। তবে বেশি দিন ভাইবোনেদের সঙ্গে রাস্তায় পড়ে থাকতে হয়নি তাকে।

আঙ্কারারই একটি পরিবার এই অদ্ভুতদর্শন বিড়ালটিকে দত্তক নিয়ে নেয়। সাধ করে তার নাম রাখে মিডাস। গ্রিক পুরাণ অনুযায়ী মিডাস এক রাজার নাম, যার স্পর্শে সব কিছুই সোনায় পরিণত হত। সেই থেকেই বিড়ালছানার এমন নামকরণ করে ওই পরিবার।

ওই পরিবারের মনে হয়েছিল, তার এই অদ্ভুত রূপের জন্যই হয়তো তাকে ভুগতে হবে। তাকে কেউই ভালবাসবে না, কেউ তাকে আশ্রয় দিতে চাইবে না।

আগে থেকেই তাদের বাড়িতে দু’টি কুকুর রয়েছে। মিডাসের সঙ্গে তাদের বেশ ভাব।

মিডাসের এই রূপ তার স্বাস্থ্যে কোনো খারাপ প্রভাব ফেলে না বলে জানিয়েছেন প্রাণী বিশেষজ্ঞেরা। ঠিকমতো শুনতেও পায় সে। তাদের মতে, এটি এক ধরনের জিনগত ত্রুটি।

মিডাসের শারীরিক পরীক্ষা করার পর বিশেষজ্ঞেরা জানান, অনেকের ধারণা মিডাস বুঝি অন্যদের তুলনায় বেশি শুনতে পায়। কিন্তু কান পরীক্ষা করে দেখা গেছে বাইরে থেকে দেখে চারটি কানযুক্ত বিড়াল মনে হলেও প্রকৃতপক্ষে তা দুটি কানেরই কাজ করে। কারণ মিডাসের কানের পাতাগুলো ভেতরে শ্রবণযন্ত্রের সঙ্গেই যুক্ত।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আগামী সপ্তাহ থেকে কিছুটা গ্যাস সংকট কেটে যাবে : জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

চার কান নিয়ে জনপ্রিয়তার শীর্ষে বিড়াল

আপডেট সময় ১০:০১:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ নভেম্বর ২০২১

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

দু’জোড়া কান এবং ত্রুটিপূর্ণ চোয়াল নিয়ে জন্মেছিল বিড়ালটি। বাড়তি এক জোড়া কানের কারণে দেখতে কিছুটা অদ্ভূত মিডাস নামের বিড়ালটি। তবে এই বাড়তি এক জোড়া কানই তাকে এনে দিয়েছে বাড়তি জনপ্রিয়তা

মাত্র চার মাস বয়সেই ইন্টারনেটে সাড়া ফেলে দিয়েছে মিডাস। তার রয়েছে নিজস্ব ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট। সেখানে তার নিত্যদিনের কাজকর্মের ছবি আপলোড করা হয়। নেটমাধ্যমে ৭৩ হাজার ফলোয়ার আছে তার।

ইনস্টাগ্রামে মিডাসের ছবি আপলোড করার সঙ্গে সঙ্গেই লাইক এবং ভালবাসার বন্যা বয়ে যায়। মিডাসের জন্য শুভেচ্ছার ঢল নেমে আসে। চারটি কান নিয়ে জন্মে তারকা হয়ে গেছে মিডাস।

মিডাসের জন্ম তুরস্কের আঙ্কারাতে । আরও চার ভাইবোন রয়েছে তার। তবে বেশি দিন ভাইবোনেদের সঙ্গে রাস্তায় পড়ে থাকতে হয়নি তাকে।

আঙ্কারারই একটি পরিবার এই অদ্ভুতদর্শন বিড়ালটিকে দত্তক নিয়ে নেয়। সাধ করে তার নাম রাখে মিডাস। গ্রিক পুরাণ অনুযায়ী মিডাস এক রাজার নাম, যার স্পর্শে সব কিছুই সোনায় পরিণত হত। সেই থেকেই বিড়ালছানার এমন নামকরণ করে ওই পরিবার।

ওই পরিবারের মনে হয়েছিল, তার এই অদ্ভুত রূপের জন্যই হয়তো তাকে ভুগতে হবে। তাকে কেউই ভালবাসবে না, কেউ তাকে আশ্রয় দিতে চাইবে না।

আগে থেকেই তাদের বাড়িতে দু’টি কুকুর রয়েছে। মিডাসের সঙ্গে তাদের বেশ ভাব।

মিডাসের এই রূপ তার স্বাস্থ্যে কোনো খারাপ প্রভাব ফেলে না বলে জানিয়েছেন প্রাণী বিশেষজ্ঞেরা। ঠিকমতো শুনতেও পায় সে। তাদের মতে, এটি এক ধরনের জিনগত ত্রুটি।

মিডাসের শারীরিক পরীক্ষা করার পর বিশেষজ্ঞেরা জানান, অনেকের ধারণা মিডাস বুঝি অন্যদের তুলনায় বেশি শুনতে পায়। কিন্তু কান পরীক্ষা করে দেখা গেছে বাইরে থেকে দেখে চারটি কানযুক্ত বিড়াল মনে হলেও প্রকৃতপক্ষে তা দুটি কানেরই কাজ করে। কারণ মিডাসের কানের পাতাগুলো ভেতরে শ্রবণযন্ত্রের সঙ্গেই যুক্ত।