ঢাকা ০৩:৩২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আইজিপি: চাঁদাবাজির অভিযোগে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করার ক্ষমতা পাচ্ছে পুলিশ জাপান সফরে তারেক রহমান: অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে নতুন গতির আশা রাষ্ট্রদূতকে আনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ বিষয়: শামা ওবায়েদ সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটির নবম বৈঠক চলছে স্মরণকালের সেরা দুর্গাপূজা উপহার দিলেন দেশনায়ক  তারেক রহমান ঢাকার বাস টার্মিনাল ও অটোরিকশা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে সোহেল গরিবের বিচার, ধনীর বিচার এক করতে হবে —এটাই তারেক রহমানের নতুন বাংলাদেশ আইএইচএফ নেশনস ট্রফিতে ভারতের কাছে হেরে রানার্সআপ বাংলাদেশ কাতার, তুরস্ক, পাকিস্তান ও ইন্দোনেশিয়ার ঐতিহাসিক বদর প্রতিরক্ষা চুক্তি দ্বিগুণ যাত্রী সামলাতে হিমশিম দেশের বিমানবন্দরগুলো

শুধু দুদক দিয়ে দুর্নীতি রোধ সম্ভব নয়: চেয়ারম্যান

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

শুধু দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদক এবং এ সংক্রান্ত একটি আইনের ওপর নির্ভর করে দেশ থেকে দুর্নীতি দূর করা সম্ভব নয় বলে মনে করেন দুর্নীতিবিরোধী সংস্থাটির চেয়ারম্যান ড. মঈনুদ্দিন আবদুল্লাহ। দুর্নীতি দূর করতে চাইলে সবার অংশগ্রহণ প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।

রবিবার (২১ নভেম্বর) বিকালে রাজধানীর সেগুনবাগিচার দুদক প্রধান কার্যালয়ে প্রতিষ্ঠানটির ১৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এই কথা বলেন।

দুদক চেয়ারম্যান জানান, সব দেশেই দুর্নীতি হয়, আমাদের দেশেও হচ্ছে। এটা প্রতিরোধ করতে সবাই একত্রে কাজ করতে হবে। এজন্য তিনি দেশ থেকে দুর্নীতি রোধ করতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ে মঈনুদ্দিন আবদুল্লাহ বলেন, ‘সাংবাদিকরা দুদককে সবসময় সহযোগিতা করেছেন। দুদকও সাংবাদিকদের সব ধরনের সহযোগিতা করছে এবং করবে বলে আমি আশা করি। তদন্ত-অনুসন্ধানে কোনো ব্যাঘাত সৃষ্টি না করে এমন সব তথ্য দিতে বলা হয়েছে। দুদক সাংবাদিকদের প্রতিপক্ষ ভাবে না, আমরা তো একই দেশের নাগরিক। একই সমাজ থেকে এসেছি। আমাদের উদ্দেশ্যও অভিন্ন। সরকারি অফিসে কিছু নিয়ম-কানুন পালন করতে হয়। এজন্য এটাকে কেউ কেউ হয়ত হয়রানি ভাবছেন। এটা আলোচনার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা সম্ভব।’

দুদক কর্মচারীদের অনিয়ম ও দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়া বিষয়ে কমিশন কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘দুদকের কর্মচারীদের দুর্নীতি প্রতিরোধে আমাদের আইনে ও বিধিমালাতেও অভ্যন্তরীণ দুর্নীতি দমন কমিটি করা হয়েছে। নতুন কমিশন এই পর্যন্ত দুটি সভা করেছে। অভিযোগগুলো অনুসন্ধান পর্যায়ে আছে।’

দুদকের জালে আটক এমন আসামি পালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে চেয়ারম্যান বলেন, ‘এ ব্যাপারে দুদক কী করতে পারে? যাদের আমরা ঝুঁকিপূর্ণ মনে করি তাদের বিদেশ যাত্রায় নিষেধাজ্ঞা, অ্যাকাউন্ট ফ্রিজের চিঠি জারি করে আমরা কোর্টে যাই। কোর্ট আমাদের শতভাগ সহায়তা করেছে। কোর্ট থেকে আমাদের নিষেধাজ্ঞা কনফার্ম করে, আমরা বিভিন্ন জায়গায় তা পাঠিয়ে দিই। এরপরেও কেউ পালিয়ে গেলে দুদককে জিজ্ঞেস না করে, যেখান থেকে পালিয়ে যায় সেখানে জিজ্ঞেস করতে হবে।’

একজনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি প্রমাণ করা অত্যন্ত দুরূহ বিষয় জানিয়ে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমরা তিলকে তাল বানিয়ে বলি। যার বিরুদ্ধে অভিযোগ সেও মিথ্যা বলে। সাক্ষীও সত্যি কথা বলে না। দুর্নীতি প্রমাণ করাটা অনেক। যারা দুর্নীতিবাজ হিসেবে জনশ্রুত তাদের চিহ্নিত করে বর্জন করলেই হয়।’

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন দুর্নীতি দমন কমিশনের দুই কমিশনার ড. মোজাম্মেল হক খান, ড. জহুরুল হক এবং আজকের পত্রিকার সম্পাদক গোলাম রহমান, এএফপির ঢাকা ব্যুরো প্রধান শফিকুল ইসলাম।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

সংবিধান সংশোধন কমিটিতে সর্বোচ্চ অর্জন প্রত্যাশা আসিফ নজরুলের

শুধু দুদক দিয়ে দুর্নীতি রোধ সম্ভব নয়: চেয়ারম্যান

আপডেট সময় ০৬:১৪:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ নভেম্বর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

শুধু দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদক এবং এ সংক্রান্ত একটি আইনের ওপর নির্ভর করে দেশ থেকে দুর্নীতি দূর করা সম্ভব নয় বলে মনে করেন দুর্নীতিবিরোধী সংস্থাটির চেয়ারম্যান ড. মঈনুদ্দিন আবদুল্লাহ। দুর্নীতি দূর করতে চাইলে সবার অংশগ্রহণ প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।

রবিবার (২১ নভেম্বর) বিকালে রাজধানীর সেগুনবাগিচার দুদক প্রধান কার্যালয়ে প্রতিষ্ঠানটির ১৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এই কথা বলেন।

দুদক চেয়ারম্যান জানান, সব দেশেই দুর্নীতি হয়, আমাদের দেশেও হচ্ছে। এটা প্রতিরোধ করতে সবাই একত্রে কাজ করতে হবে। এজন্য তিনি দেশ থেকে দুর্নীতি রোধ করতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ে মঈনুদ্দিন আবদুল্লাহ বলেন, ‘সাংবাদিকরা দুদককে সবসময় সহযোগিতা করেছেন। দুদকও সাংবাদিকদের সব ধরনের সহযোগিতা করছে এবং করবে বলে আমি আশা করি। তদন্ত-অনুসন্ধানে কোনো ব্যাঘাত সৃষ্টি না করে এমন সব তথ্য দিতে বলা হয়েছে। দুদক সাংবাদিকদের প্রতিপক্ষ ভাবে না, আমরা তো একই দেশের নাগরিক। একই সমাজ থেকে এসেছি। আমাদের উদ্দেশ্যও অভিন্ন। সরকারি অফিসে কিছু নিয়ম-কানুন পালন করতে হয়। এজন্য এটাকে কেউ কেউ হয়ত হয়রানি ভাবছেন। এটা আলোচনার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা সম্ভব।’

দুদক কর্মচারীদের অনিয়ম ও দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়া বিষয়ে কমিশন কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘দুদকের কর্মচারীদের দুর্নীতি প্রতিরোধে আমাদের আইনে ও বিধিমালাতেও অভ্যন্তরীণ দুর্নীতি দমন কমিটি করা হয়েছে। নতুন কমিশন এই পর্যন্ত দুটি সভা করেছে। অভিযোগগুলো অনুসন্ধান পর্যায়ে আছে।’

দুদকের জালে আটক এমন আসামি পালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে চেয়ারম্যান বলেন, ‘এ ব্যাপারে দুদক কী করতে পারে? যাদের আমরা ঝুঁকিপূর্ণ মনে করি তাদের বিদেশ যাত্রায় নিষেধাজ্ঞা, অ্যাকাউন্ট ফ্রিজের চিঠি জারি করে আমরা কোর্টে যাই। কোর্ট আমাদের শতভাগ সহায়তা করেছে। কোর্ট থেকে আমাদের নিষেধাজ্ঞা কনফার্ম করে, আমরা বিভিন্ন জায়গায় তা পাঠিয়ে দিই। এরপরেও কেউ পালিয়ে গেলে দুদককে জিজ্ঞেস না করে, যেখান থেকে পালিয়ে যায় সেখানে জিজ্ঞেস করতে হবে।’

একজনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি প্রমাণ করা অত্যন্ত দুরূহ বিষয় জানিয়ে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমরা তিলকে তাল বানিয়ে বলি। যার বিরুদ্ধে অভিযোগ সেও মিথ্যা বলে। সাক্ষীও সত্যি কথা বলে না। দুর্নীতি প্রমাণ করাটা অনেক। যারা দুর্নীতিবাজ হিসেবে জনশ্রুত তাদের চিহ্নিত করে বর্জন করলেই হয়।’

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন দুর্নীতি দমন কমিশনের দুই কমিশনার ড. মোজাম্মেল হক খান, ড. জহুরুল হক এবং আজকের পত্রিকার সম্পাদক গোলাম রহমান, এএফপির ঢাকা ব্যুরো প্রধান শফিকুল ইসলাম।