ঢাকা ০১:৩৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়া উচিত, এতেই সবার মঙ্গল: মান্না প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে নিয়ে নাসীরুদ্দীনের ক্রমাগত মিথ্যাচার ভাইরাল হওয়ার কৌশল: মাহদী আমিন আমাদের ব্যবহার করতে চেয়েছিল, বের হয়েছি ইসলামের কল্যাণে: রেজাউল করীম ‘যারা দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছে, তারা বেঈমান’:আজহারুল ইসলাম ১২ ফেব্রুয়ারি রাজনীতির চেহারা পাল্টে দিতে পারে: রুমিন ফারহানা তারেক রহমানের ওপর বিশ্বাসে করে দেখেন ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশ ঠকবে না: পার্থ নির্বাচনে দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা গণভোটের পক্ষে–বিপক্ষে যাবেন না: ইসি আনোয়ারুল রাষ্ট্র পরিচালানার জন্য অভিজ্ঞতার দরকার আছে: নজরুল ইসলাম একটি দল ‘স্বৈরাচারী ভাষায়’ বিএনপির বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করছে: তারেক রহমান নির্বাচনে পুলিশ নিরপেক্ষতা ও দায়িত্ববোধের প্রমাণ রাখবে: আইজিপি

গণতন্ত্র এখনও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পায়নি: কাদের

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

শহীদ নূর হোসেনের রক্তদানের মধ্য দিয়ে দেশে বহুল কাঙ্ক্ষিত গণতন্ত্র এসেছে। তবে সেই গণতন্ত্র এখনও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পায়নি বলে মনে করেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

বুধবার (১০ নভেম্বর) সকালে শহীদ নূর হোসেন দিবস উপলক্ষে গুলিস্তান জিরো পয়েন্টে নূর হোসেন চত্বরে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই মন্তব্য করেন।

শহীদ নূর হোসেনের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘এই দিনে গণতন্ত্র শৃঙ্খলমুক্ত হলেও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করেনি। বাংলার মানুষকে অর্থনৈতিক মুক্তি ও গণতন্ত্র নিশ্চিতে কাজ করছে শেখ হাসিনা সরকার। গণতন্ত্রের ক্রমবিকাশিত ধারা অব্যাহত রাখতে সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার কোনো বিকল্প নেই।’

সকাল ৮টায় আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের নূর হোসেনের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানান। এরপর নূর হোসেনের পরিবার শ্রদ্ধা জানান।

এ সময় আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ, উত্তর আওয়ামী লীগ, বাংলাদেশ যুবলীগ, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, নূর হোসেন স্মৃতি সংসদ, ঢাবি ছাত্রলীগ, বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টি, গণসংহতি আন্দোলনসহ বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা জানানো হয়।

আজ পালিত হচ্ছে শহীদ নূর হোসেন দিবস। ১৯৮৭ সালের এই দিনে যুবলীগ নেতা নূর হোসেনের রক্তে রঞ্জিত হয়েছিল ঢাকার রাজপথ। সেদিন সচিবালয়ের সামনে ১৫ দল, ৭ দল ও ৫ দলের অবস্থান ধর্মঘট কর্মসূচি ছিল। সেই কর্মসূচির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছাত্র সংগঠনগুলোর সমর্থনে অবস্থান ধর্মঘট ঘেরাও কর্মসূচিতে রূপ লাভ করে। স্বৈরশাসকের সকল বাধাকে উপেক্ষা করে ১০ নভেম্বর সকাল থেকেই সচিবালয়ের চারদিকে আন্দোলনকারী ছাত্র-জনতার মিছিল সমবেত হয়। তখন তোপখানা রোডের মুখে পুলিশ বক্স পেরিয়ে শুরু হয় নূর হোসেনদের সাহসী মিছিল, সাহসী যুবক উদাম গায়ে লিখেছিল ‘গণতন্ত্র মুক্তিপাক-স্বৈরাচার নিপাত যাক’।

সমাবেশ শুরুর সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয় পুলিশের বেধড়ক লাঠিচার্জ, টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ। পল্টন তখন রণক্ষেত্র। এরই মধ্যে খবর আসে পুলিশের গুলিবর্ষণে শহীদ হয়েছেন নূর হোসেন। আহত হয়েছেন অসংখ্য। নূর হোসেনের আত্মদানের মাধ্যমে সেদিন গণতন্ত্রের নতুন সংগ্রাম শুরু হয় । সেই সংগ্রামের ধারায় ১৯৯০ সালের ৪ ডিসেম্বর স্বৈরাচারী শাসক পদত্যাগের ঘোষণা দেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়া উচিত, এতেই সবার মঙ্গল: মান্না

গণতন্ত্র এখনও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পায়নি: কাদের

আপডেট সময় ১২:১৩:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ নভেম্বর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

শহীদ নূর হোসেনের রক্তদানের মধ্য দিয়ে দেশে বহুল কাঙ্ক্ষিত গণতন্ত্র এসেছে। তবে সেই গণতন্ত্র এখনও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পায়নি বলে মনে করেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

বুধবার (১০ নভেম্বর) সকালে শহীদ নূর হোসেন দিবস উপলক্ষে গুলিস্তান জিরো পয়েন্টে নূর হোসেন চত্বরে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই মন্তব্য করেন।

শহীদ নূর হোসেনের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘এই দিনে গণতন্ত্র শৃঙ্খলমুক্ত হলেও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করেনি। বাংলার মানুষকে অর্থনৈতিক মুক্তি ও গণতন্ত্র নিশ্চিতে কাজ করছে শেখ হাসিনা সরকার। গণতন্ত্রের ক্রমবিকাশিত ধারা অব্যাহত রাখতে সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার কোনো বিকল্প নেই।’

সকাল ৮টায় আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের নূর হোসেনের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানান। এরপর নূর হোসেনের পরিবার শ্রদ্ধা জানান।

এ সময় আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ, উত্তর আওয়ামী লীগ, বাংলাদেশ যুবলীগ, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, নূর হোসেন স্মৃতি সংসদ, ঢাবি ছাত্রলীগ, বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টি, গণসংহতি আন্দোলনসহ বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা জানানো হয়।

আজ পালিত হচ্ছে শহীদ নূর হোসেন দিবস। ১৯৮৭ সালের এই দিনে যুবলীগ নেতা নূর হোসেনের রক্তে রঞ্জিত হয়েছিল ঢাকার রাজপথ। সেদিন সচিবালয়ের সামনে ১৫ দল, ৭ দল ও ৫ দলের অবস্থান ধর্মঘট কর্মসূচি ছিল। সেই কর্মসূচির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছাত্র সংগঠনগুলোর সমর্থনে অবস্থান ধর্মঘট ঘেরাও কর্মসূচিতে রূপ লাভ করে। স্বৈরশাসকের সকল বাধাকে উপেক্ষা করে ১০ নভেম্বর সকাল থেকেই সচিবালয়ের চারদিকে আন্দোলনকারী ছাত্র-জনতার মিছিল সমবেত হয়। তখন তোপখানা রোডের মুখে পুলিশ বক্স পেরিয়ে শুরু হয় নূর হোসেনদের সাহসী মিছিল, সাহসী যুবক উদাম গায়ে লিখেছিল ‘গণতন্ত্র মুক্তিপাক-স্বৈরাচার নিপাত যাক’।

সমাবেশ শুরুর সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয় পুলিশের বেধড়ক লাঠিচার্জ, টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ। পল্টন তখন রণক্ষেত্র। এরই মধ্যে খবর আসে পুলিশের গুলিবর্ষণে শহীদ হয়েছেন নূর হোসেন। আহত হয়েছেন অসংখ্য। নূর হোসেনের আত্মদানের মাধ্যমে সেদিন গণতন্ত্রের নতুন সংগ্রাম শুরু হয় । সেই সংগ্রামের ধারায় ১৯৯০ সালের ৪ ডিসেম্বর স্বৈরাচারী শাসক পদত্যাগের ঘোষণা দেন।