ঢাকা ০৪:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ২৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বউসহ শ্যালিকাকে অন্তঃসত্ত্বা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ময়মনসিংহের ফুলপুরে নিজ শ্যালিকাকে অন্তঃসত্ত্বা করার অভিযোগ উঠেছে দুলাভাই আলম মিয়ার (৩০) বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১১টায় নিজ বাড়ি থেকে আলমকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

আলম ফুলপুর সদর ইউনিয়নের নয়াগাঁও প্রকাশ নগুয়া গ্রামের মৃত আহমাদ আলীর ছেলে এবং পেশায় একজন রাজমিস্ত্রি। এদিকে জানা যায়, আলম মিয়ার স্ত্রীও অন্তঃসত্ত্বা।

তার শ্বশুর বলেন, তার ছোট মেয়ে ফুলপুরের একটি কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্রী (১৭)। কলেজে যাওয়ার পথে প্রায় ৪ মাস আগে তার বড় মেয়ের জামাতা আলম তাকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। বিষয়টি জানার পর তার বাড়িতে গিয়ে জানালে আলমের পরিবার বিষয়টি স্বীকার করে এবং মেয়েকে ফেরত দেবে বলে কথা দেন। কিন্তু ৪ মাস অতিবাহিত হয়ে গেলেও মেয়েকে ফেরত দেয়নি। শুনেছি তাকেও সে বিয়ে করে ফেলেছে এবং বর্তমানে আমার দুই মেয়েই অন্তঃসত্ত্বা।

ছোট মেয়েকে ফেরত না পেয়ে ও বড় মেয়ের সংসার ভাঙার কারণে অবশেষে আলমের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। এরপর বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১১টায় তার নিজ বাড়ি থেকে আলমকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানান মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই কবির।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ফুলপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, আলমকে আমরা গ্রেফতার করে শুক্রবার বিকেল তিনটার দিকে ময়মনসিংহ আদালতে সোপর্দ করেছি। আর ভিকটিমকে আদালতে হাজির করলে ম্যাজিস্ট্রেট তাকে তার বাবার হেফাজতে দিয়ে দেন।

এখন দুই বোনই বাবার হেফাজতে রয়েছে। আলমের সহযোগীদেরও খোঁজা হচ্ছে বলে জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

বউসহ শ্যালিকাকে অন্তঃসত্ত্বা

আপডেট সময় ১০:১৩:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ নভেম্বর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ময়মনসিংহের ফুলপুরে নিজ শ্যালিকাকে অন্তঃসত্ত্বা করার অভিযোগ উঠেছে দুলাভাই আলম মিয়ার (৩০) বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১১টায় নিজ বাড়ি থেকে আলমকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

আলম ফুলপুর সদর ইউনিয়নের নয়াগাঁও প্রকাশ নগুয়া গ্রামের মৃত আহমাদ আলীর ছেলে এবং পেশায় একজন রাজমিস্ত্রি। এদিকে জানা যায়, আলম মিয়ার স্ত্রীও অন্তঃসত্ত্বা।

তার শ্বশুর বলেন, তার ছোট মেয়ে ফুলপুরের একটি কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্রী (১৭)। কলেজে যাওয়ার পথে প্রায় ৪ মাস আগে তার বড় মেয়ের জামাতা আলম তাকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। বিষয়টি জানার পর তার বাড়িতে গিয়ে জানালে আলমের পরিবার বিষয়টি স্বীকার করে এবং মেয়েকে ফেরত দেবে বলে কথা দেন। কিন্তু ৪ মাস অতিবাহিত হয়ে গেলেও মেয়েকে ফেরত দেয়নি। শুনেছি তাকেও সে বিয়ে করে ফেলেছে এবং বর্তমানে আমার দুই মেয়েই অন্তঃসত্ত্বা।

ছোট মেয়েকে ফেরত না পেয়ে ও বড় মেয়ের সংসার ভাঙার কারণে অবশেষে আলমের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। এরপর বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১১টায় তার নিজ বাড়ি থেকে আলমকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানান মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই কবির।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ফুলপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, আলমকে আমরা গ্রেফতার করে শুক্রবার বিকেল তিনটার দিকে ময়মনসিংহ আদালতে সোপর্দ করেছি। আর ভিকটিমকে আদালতে হাজির করলে ম্যাজিস্ট্রেট তাকে তার বাবার হেফাজতে দিয়ে দেন।

এখন দুই বোনই বাবার হেফাজতে রয়েছে। আলমের সহযোগীদেরও খোঁজা হচ্ছে বলে জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।