ঢাকা ১০:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্ত্রীর কোনো স্বর্ণ নেই, তাহেরির আছে ৩১ ভরি স্বর্ণ নির্বাচনে ভোট ডাকাতি যেন আর কখনো না ঘটে, সে ব্যবস্থা করতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা ইরানে অর্ধশতাধিক মসজিদ-১৮০ অ্যাম্বুলেন্সে আগুন দিয়েছে বিক্ষোভকারীরা নির্বাচনে ৩০ আসনে লড়বে এনসিপি: আসিফ মাহমুদ নির্বাচন বানচালে দেশবিরোধী শক্তি অপচেষ্টা ও সহিংসতা চালাচ্ছে : মির্জা আব্বাস বিজয় আমাদের হয়েই গেছে, ১২ ফেব্রুয়ারি শুধু আনুষ্ঠানিকতা: নুরুল হক নুর জাপানি বিনিয়োগ বাড়ানোর পাশাপাশি আরো বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা আছে, নির্বাচনী অঙ্গনে অনেক দুর্বৃত্ত ঢুকে গেছে: ড. বদিউল আলম ঢাকায় এসে পৌঁছেছেন নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন ‘ভারতে গিয়ে খেলার পরিবেশ নেই বাংলাদেশের :আসিফ নজরুল

এবার মহাকাশে কাঁচা মরিচের চাষ

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

ধনে পাতা, পালং শাক, মুলার পর এবার মহাকাশে চাষ হলো কাঁচা মরিচ। শূন্য মহাকর্ষে ফলেছে ঝাঁঝালো কাঁচা মরিচ। বিজ্ঞানীরা বলছেন, চাষের জগতে এভাবে মরিচ উৎপাদন নতুন বিপ্লবের সূচনা করল।

কেন ট্রায়ালের জন্য মরিচকেই বেছে নিলেন মহাকাশ বিজ্ঞানীরা? এর কয়েকটি কারণ আছে। প্রথমত, মরচি ভিটামিন সি সমৃদ্ধ। মহাশূন্যে দিনের পর দিন ভেসে থাকতে হলে ভিটামিন সি শরীরে গ্রহণ করা খুবই প্রয়োজনীয়। তাই সহজে তা পেতে মরিচ চাষের উদ্যোগ।

দ্বিতীয়ত, মরিচের পরাগমিলনের জন্য কোনও বাহ্যিক অনুঘটক প্রয়োজন হয় না। তাই একবার তা ফলাতে পারলে, আর উৎপাদন নিয়ে ভাবতে হবে না। তবে যে স্থানে কোনও শূন্য আকর্ষণ বল ছাড়া এভাবে ফসল ফলানোটা খুবই কঠিন চ্যালেঞ্জ ছিল কৃষিবিজ্ঞানীদের কাছে। সেই কঠিন কাজটাই দিব্যি সফলভাবে করে ফেললেন। নাসাও জানিয়েছে, এই কাজ অন্যতম বড় কঠিন কাজ ছিল।

সেই সাফল্যের প্রমাণ মহাকাশ স্টেশন থেকে বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরলেন বিজ্ঞানী মার্ক টি ভ্যানডে। লঙ্কার নানা প্রজাতি নিয়ে বিজ্ঞানীরা বছরের পর বছর ধরে গবেষণা চালিয়েছেন, কোনটি মহাকাশে চাষের জন্য উপযুক্ত। পরীক্ষানিরীক্ষার পর শেষপর্যন্ত নিউ মেক্সিকোর হ্যাচ নামে সবুজ মরিচটিকেই বেছে নেওয়া হয়। তারপর এই মরিচ চাষে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেন বিজ্ঞানীরা। মহাকাশ স্টেশনে হ্যাচ লঙ্কা ফলনের অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়। তবে সমস্যা হয়ে দাঁড়ায় শূন্য মহাকর্ষ বল। সেসব বাধাবিপত্তি কাটিয়েই মাটিতে পোঁতা বীজ থেকে শেষমেশ কচি সবুজ মরিচ উঁকি দেয়। মাটিভরতি পাত্র মহাকাশ স্টেশন পৌঁছে দিয়েছিল স্পেস এক্স’র কার্গো শিপ। তারপর যা ঘটল, তা বিপ্লব ছাড়া আর কী-ই বা?

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চেহারা সুন্দর করতে ৩৮৮ বার প্লাস্টিক সার্জারি, খরচ ৬০০ কোটি টাকা

এবার মহাকাশে কাঁচা মরিচের চাষ

আপডেট সময় ১০:০০:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ নভেম্বর ২০২১

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

ধনে পাতা, পালং শাক, মুলার পর এবার মহাকাশে চাষ হলো কাঁচা মরিচ। শূন্য মহাকর্ষে ফলেছে ঝাঁঝালো কাঁচা মরিচ। বিজ্ঞানীরা বলছেন, চাষের জগতে এভাবে মরিচ উৎপাদন নতুন বিপ্লবের সূচনা করল।

কেন ট্রায়ালের জন্য মরিচকেই বেছে নিলেন মহাকাশ বিজ্ঞানীরা? এর কয়েকটি কারণ আছে। প্রথমত, মরচি ভিটামিন সি সমৃদ্ধ। মহাশূন্যে দিনের পর দিন ভেসে থাকতে হলে ভিটামিন সি শরীরে গ্রহণ করা খুবই প্রয়োজনীয়। তাই সহজে তা পেতে মরিচ চাষের উদ্যোগ।

দ্বিতীয়ত, মরিচের পরাগমিলনের জন্য কোনও বাহ্যিক অনুঘটক প্রয়োজন হয় না। তাই একবার তা ফলাতে পারলে, আর উৎপাদন নিয়ে ভাবতে হবে না। তবে যে স্থানে কোনও শূন্য আকর্ষণ বল ছাড়া এভাবে ফসল ফলানোটা খুবই কঠিন চ্যালেঞ্জ ছিল কৃষিবিজ্ঞানীদের কাছে। সেই কঠিন কাজটাই দিব্যি সফলভাবে করে ফেললেন। নাসাও জানিয়েছে, এই কাজ অন্যতম বড় কঠিন কাজ ছিল।

সেই সাফল্যের প্রমাণ মহাকাশ স্টেশন থেকে বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরলেন বিজ্ঞানী মার্ক টি ভ্যানডে। লঙ্কার নানা প্রজাতি নিয়ে বিজ্ঞানীরা বছরের পর বছর ধরে গবেষণা চালিয়েছেন, কোনটি মহাকাশে চাষের জন্য উপযুক্ত। পরীক্ষানিরীক্ষার পর শেষপর্যন্ত নিউ মেক্সিকোর হ্যাচ নামে সবুজ মরিচটিকেই বেছে নেওয়া হয়। তারপর এই মরিচ চাষে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেন বিজ্ঞানীরা। মহাকাশ স্টেশনে হ্যাচ লঙ্কা ফলনের অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়। তবে সমস্যা হয়ে দাঁড়ায় শূন্য মহাকর্ষ বল। সেসব বাধাবিপত্তি কাটিয়েই মাটিতে পোঁতা বীজ থেকে শেষমেশ কচি সবুজ মরিচ উঁকি দেয়। মাটিভরতি পাত্র মহাকাশ স্টেশন পৌঁছে দিয়েছিল স্পেস এক্স’র কার্গো শিপ। তারপর যা ঘটল, তা বিপ্লব ছাড়া আর কী-ই বা?