ঢাকা ০৭:২৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টাকা খেয়ে ভোট দিলে নেতা এসে রাস্তা খেয়ে ফেলবে: আখতার হোসেন সুষ্ঠু নির্বাচনে জার্মানির সহায়তা চাইলেন জামায়াত আমির জাতীয় পতাকা হাতে প্যারাস্যুট জাম্প, গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে বাংলাদেশ বরেণ্য লোকসংগীতশিল্পী ও মুক্তিযুদ্ধের কণ্ঠযোদ্ধা মলয় কুমার মারা গেছেন ভবিষ্যৎ অর্থনীতির শক্ত ভিত্তি গড়ার দায়িত্ব সরকারের : আশিক মাহমুদ গণভোটে ‘হ্যাঁ’র পক্ষে বিএনপি : নজরুল ইসলাম খান অবিলম্বে মার্কিন নাগরিকদের ইরান ত্যাগের নির্দেশ প্রতারণা করে অর্থ আদায়, ৫১ হাজার সিমসহ ৫ চীনা নাগরিক গ্রেপ্তার সংসদে আর নৃত্যগীত হবে না, মানুষের উন্নয়নের কথা বলা হবে: সালাহউদ্দিন আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খুঁজতে বাংলাদেশকে অনুরোধ আইসিসির, অনড় বিসিবি

ক্যাসপিয়ান সাগরের তীরে দাঁড়িয়ে এ কোন বিমান!

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

দেখতে অনেকটা বিমানের মতো। কিন্তু সাধারণ বিমান বললে একটু কম বলা হয়। বিমানের চেয়েও কয়েক গুণ বেশি ক্ষমতাশালী। এর নাম এক্রানোপ্ল্যান। এটি রাশিয়ার নৌ বাহিনীর এয়ারক্র্যাফ্ট।

এক্রানোপ্ল্যান একটি রাশিয়ান শব্দ। এর অর্থ ‘গ্রাউন্ড এফেক্ট ভেহিকল’। ক্যাসপিয়ান সাগরের তীরে এই বিশাল বিমান দেখে যে কেউ চমকে যেতে পারেন। এর আর এক নাম ‘ক্যাসপিয়ান সি মনস্টার’। এক সময় ক্যাসপিয়ান সাগরের বুক থেকেই উড়ত এই ‘দৈত্যাকার’ বিমান। সে কারণেই এমন নামকরণ।

১৯৮৭ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন এই এক্রানোপ্ল্যান তৈরি করেছিল। ১৯৮৭ সাল থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত সোভিয়েত এবং রাশিয়ার নৌসেনা এই বিমান ব্যবহার করত। পানিতে ভেসে থাকা অবস্থাতেও খুব সহজেই উড়তে পারত এটি। কিন্তু খুব বেশি দিন নৌসেনা এই বিমান ব্যবহার করেনি।
তিন বছর পর ১৯৯০ সালে অবসর নেয় এটি। তারপর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত ক্যাসপিয়ানের উপকূলে পরিত্যক্ত হয়েই পড়েছিল এই লুন ক্লাস এক্রানোপ্ল্যান। নির্জন সমুদ্র তীরে এমন একটা এয়ারক্র্যাফ্ট দেখে যে কেউ চমকে যেতেন।

এই লুন ক্লাস এক্রানোপ্ল্যানের দৈর্ঘ্য ২৪০ ফুট। উচ্চতায় ৬৫ ফুট এবং দু’পাশে দুই ডানা-সহ এর প্রস্থ ১৪৪ ফুট। সে সময়ে সোভিয়েত ইউনিয়নের জন্য এই শ্রেণির একটিমাত্র ভেহিকল তৈরি করা হয়েছিল।

রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে এবং সমুদ্র উপকূলে দীর্ঘ সময় পড়ে থাকার দরুন এর অনেক অংশই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ঐতিহাসিক এই এয়ারক্র্যাফ্টকে রক্ষা করার জন্য সম্প্রতি অভিনব উপায় নেওয়া হয়েছে। এটিকে সমুদ্র উপকূল থেকে সরিয়ে নতুন একটি স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। দারবেন্ট শহরের কাছে পর্যটকদের জন্য একটি পার্কে রাখার সিদ্ধান্ত হয়। পার্কটি এখনও সাধারণের জন্য খোলা হয়নি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ক্যাসপিয়ান সাগরের তীরে দাঁড়িয়ে এ কোন বিমান!

আপডেট সময় ১১:১৮:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২১

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

দেখতে অনেকটা বিমানের মতো। কিন্তু সাধারণ বিমান বললে একটু কম বলা হয়। বিমানের চেয়েও কয়েক গুণ বেশি ক্ষমতাশালী। এর নাম এক্রানোপ্ল্যান। এটি রাশিয়ার নৌ বাহিনীর এয়ারক্র্যাফ্ট।

এক্রানোপ্ল্যান একটি রাশিয়ান শব্দ। এর অর্থ ‘গ্রাউন্ড এফেক্ট ভেহিকল’। ক্যাসপিয়ান সাগরের তীরে এই বিশাল বিমান দেখে যে কেউ চমকে যেতে পারেন। এর আর এক নাম ‘ক্যাসপিয়ান সি মনস্টার’। এক সময় ক্যাসপিয়ান সাগরের বুক থেকেই উড়ত এই ‘দৈত্যাকার’ বিমান। সে কারণেই এমন নামকরণ।

১৯৮৭ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন এই এক্রানোপ্ল্যান তৈরি করেছিল। ১৯৮৭ সাল থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত সোভিয়েত এবং রাশিয়ার নৌসেনা এই বিমান ব্যবহার করত। পানিতে ভেসে থাকা অবস্থাতেও খুব সহজেই উড়তে পারত এটি। কিন্তু খুব বেশি দিন নৌসেনা এই বিমান ব্যবহার করেনি।
তিন বছর পর ১৯৯০ সালে অবসর নেয় এটি। তারপর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত ক্যাসপিয়ানের উপকূলে পরিত্যক্ত হয়েই পড়েছিল এই লুন ক্লাস এক্রানোপ্ল্যান। নির্জন সমুদ্র তীরে এমন একটা এয়ারক্র্যাফ্ট দেখে যে কেউ চমকে যেতেন।

এই লুন ক্লাস এক্রানোপ্ল্যানের দৈর্ঘ্য ২৪০ ফুট। উচ্চতায় ৬৫ ফুট এবং দু’পাশে দুই ডানা-সহ এর প্রস্থ ১৪৪ ফুট। সে সময়ে সোভিয়েত ইউনিয়নের জন্য এই শ্রেণির একটিমাত্র ভেহিকল তৈরি করা হয়েছিল।

রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে এবং সমুদ্র উপকূলে দীর্ঘ সময় পড়ে থাকার দরুন এর অনেক অংশই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ঐতিহাসিক এই এয়ারক্র্যাফ্টকে রক্ষা করার জন্য সম্প্রতি অভিনব উপায় নেওয়া হয়েছে। এটিকে সমুদ্র উপকূল থেকে সরিয়ে নতুন একটি স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। দারবেন্ট শহরের কাছে পর্যটকদের জন্য একটি পার্কে রাখার সিদ্ধান্ত হয়। পার্কটি এখনও সাধারণের জন্য খোলা হয়নি।