ঢাকা ১২:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

শর্ত পূরণ হলে কোরীয় যুদ্ধ শেষ করতে রাজি উ. কোরিয়া

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং-উনের বোন কিম ইও-জং বলেছেন, দক্ষিণ কোরিয়া যদি তাদের ‘বৈরী নীতির’ অবসান ঘটায় তাহলে তারা কোরীয় যুদ্ধ শেষ করার ব্যাপারে আলোচনা শুরু করতে আগ্রহী। কোরীয় যুদ্ধ আনুষ্ঠানিকভাবে সমাপ্তি ঘোষণার ব্যাপারে দক্ষিণ কোরিয়ার পক্ষ থেকে আবেদন জানানোর পর উত্তর কোরিয়ার পক্ষ থেকে এমন মন্তব্য এলো।

১৯৫০ সালে শুরু হয়ে ১৯৫৩ সালে শেষ হয়েছিল কোরীয় যুদ্ধ। এই যুদ্ধ শেষ হয়েছিল যুদ্ধবিরতি চুক্তির মাধ্যমে। কিন্তু কোনো শান্তি চুক্তি হয়নি। তখন থেকেই দেশ দুইটি টেকনিক্যালি যুদ্ধে লিপ্ত আছে। প্রায়ই দুই কোরিয়ার মধ্যে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।

চলতি সপ্তাহে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কোরীয় যুদ্ধ আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ করার আহ্বান জানান। এই যুদ্ধে দক্ষিণ কোরিয়ার পক্ষে ছিল যুক্তরাষ্ট্র। আর উত্তর কোরিয়ার পক্ষে ছিল চীন। বর্তমানে চীন উত্তর কোরিয়ার বৃহত্তম অর্থনৈতিক অংশীদার। দক্ষিণ কোরিয়া যুদ্ধের সঙ্গে জড়িত প্রতিটি পক্ষকেই আহ্বান জানিয়েছে যেন আনুষ্ঠানিকভাবে এই যদ্ধের ইতি টানা যায়।

প্রাথমিকভাবে উত্তর কোরিয়ার একজন উচ্চ পর্যায়ের মন্ত্রী এই ধারণাকে নাকচ করে দেন। তিনি এই প্রস্তাবকে ‘অকালপক্ক’ বলে উল্লেখ করেন। কিন্তু শুক্রবার অপ্রত্যাশিতভাবে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে কিম ইও জং এই প্রস্তাবকে ‘প্রশংসাযোগ্য’ বলে উল্লেখ করেছেন। তবে তিনি বলেছেন, যদি দক্ষিণ কোরিয়া তাদের ‘বৈরী নীতি’ থেকে সরে আসে তাহলে আলোচনার টেবিলে বসা সম্ভব।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘দক্ষিণ কোরিয়াকে দ্বিমুখী মনোভাব পরিহার করতে হবে। অযৌক্তিক কুসংস্কার থেকে মুক্ত হতে হবে। খারাপ অভ্যাস ও বৈরী নীতি পরিহার করতে হবে। নিজেরা যা করবে সেটি সঠিক আর উত্তর কোরিয়া আত্মরক্ষার জন্য মহড়া করলে সেটি অন্যায্য এমন অবস্থান থেকে সরে আসতে হবে।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

শর্ত পূরণ হলে কোরীয় যুদ্ধ শেষ করতে রাজি উ. কোরিয়া

আপডেট সময় ০৪:৪১:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং-উনের বোন কিম ইও-জং বলেছেন, দক্ষিণ কোরিয়া যদি তাদের ‘বৈরী নীতির’ অবসান ঘটায় তাহলে তারা কোরীয় যুদ্ধ শেষ করার ব্যাপারে আলোচনা শুরু করতে আগ্রহী। কোরীয় যুদ্ধ আনুষ্ঠানিকভাবে সমাপ্তি ঘোষণার ব্যাপারে দক্ষিণ কোরিয়ার পক্ষ থেকে আবেদন জানানোর পর উত্তর কোরিয়ার পক্ষ থেকে এমন মন্তব্য এলো।

১৯৫০ সালে শুরু হয়ে ১৯৫৩ সালে শেষ হয়েছিল কোরীয় যুদ্ধ। এই যুদ্ধ শেষ হয়েছিল যুদ্ধবিরতি চুক্তির মাধ্যমে। কিন্তু কোনো শান্তি চুক্তি হয়নি। তখন থেকেই দেশ দুইটি টেকনিক্যালি যুদ্ধে লিপ্ত আছে। প্রায়ই দুই কোরিয়ার মধ্যে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।

চলতি সপ্তাহে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কোরীয় যুদ্ধ আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ করার আহ্বান জানান। এই যুদ্ধে দক্ষিণ কোরিয়ার পক্ষে ছিল যুক্তরাষ্ট্র। আর উত্তর কোরিয়ার পক্ষে ছিল চীন। বর্তমানে চীন উত্তর কোরিয়ার বৃহত্তম অর্থনৈতিক অংশীদার। দক্ষিণ কোরিয়া যুদ্ধের সঙ্গে জড়িত প্রতিটি পক্ষকেই আহ্বান জানিয়েছে যেন আনুষ্ঠানিকভাবে এই যদ্ধের ইতি টানা যায়।

প্রাথমিকভাবে উত্তর কোরিয়ার একজন উচ্চ পর্যায়ের মন্ত্রী এই ধারণাকে নাকচ করে দেন। তিনি এই প্রস্তাবকে ‘অকালপক্ক’ বলে উল্লেখ করেন। কিন্তু শুক্রবার অপ্রত্যাশিতভাবে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে কিম ইও জং এই প্রস্তাবকে ‘প্রশংসাযোগ্য’ বলে উল্লেখ করেছেন। তবে তিনি বলেছেন, যদি দক্ষিণ কোরিয়া তাদের ‘বৈরী নীতি’ থেকে সরে আসে তাহলে আলোচনার টেবিলে বসা সম্ভব।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘দক্ষিণ কোরিয়াকে দ্বিমুখী মনোভাব পরিহার করতে হবে। অযৌক্তিক কুসংস্কার থেকে মুক্ত হতে হবে। খারাপ অভ্যাস ও বৈরী নীতি পরিহার করতে হবে। নিজেরা যা করবে সেটি সঠিক আর উত্তর কোরিয়া আত্মরক্ষার জন্য মহড়া করলে সেটি অন্যায্য এমন অবস্থান থেকে সরে আসতে হবে।’