ঢাকা ০৬:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মানবসম্পদ উন্নয়নসহ বিভিন্ন খাতে জাপানের সক্রিয় সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী শিক্ষাব্যবস্থার মৌলিক সংস্কার সরকারের অন্যতম প্রধান অঙ্গীকার : গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাপানে ৭.১ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্প মেট্রোরেলসহ গণপরিবহনে সহযোগিতা বাড়াতে একমত বাংলাদেশ-জাপান মিরপুর কলেজের দেয়াল ধসে নিহত ২, আহত ৬ ট্রাম্পের স্ত্রীকে বিষ প্রয়োগে হত্যার পরিকল্পনা, নিশানায় ছেলেও স্বাস্থ্যসেবায় প্রযুক্তির বিকাশে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী সরকারের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের নির্ভুল অগ্রগতি প্রতিবেদন তৈরির নির্দেশনা চাপে পড়ে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে সব মামলা প্রত্যাহার করবে শুভেন্দু সরকার ফ্যামিলি কার্ডে অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হলে কঠোর ব্যবস্থা: তথ্যমন্ত্রী

যে নামাজে সব গুনাহ মাফ হয়ে যায়

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

মুমিন চেষ্টা করে গুনাহ থেকে বেঁচে থাকতে। কিন্তু কখনো শয়তানের ধোঁকায় পড়ে গুনাহ হয়ে যায়। তখন মুমিনের আফসোস ও আক্ষেপের শেষ থাকে না; কেন গুনাহে জড়ালাম, কেন গুনাহের পথে পা বাড়ালাম, কীভাবে পরিত্রাণ পাব এ গুনাহ থেকে।

কৃত গুনাহ তাকে কষ্টে নিপতিত করে। আর এটিই মুমিনের পরিচয়। এটিই তার ঈমানের প্রমাণ।

আবু উমামা (রা.) বলেন, এক ব্যক্তি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞেস করল, ঈমান কী আল্লাহর রাসুল! (আমি কীভাবে বুঝব আমার মাঝে ঈমান আছে?)

তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন- যখন তোমার নেক আমল তোমাকে আনন্দিত করবে এবং তোমার গুনাহ তোমাকে কষ্টে নিপতিত করবে (গুনাহের কারণে তুমি কষ্ট পেতে থাকবে)- তাহলে (বুঝবে) তুমি মুমিন। (মুসনাদে আহমাদ, হাদিস ২২১৬৬; মুসতাদরাকে হাকেম, হাদিস ৩৩)

হাঁ, মুমিনের এ কষ্ট হল গুনাহ থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য ব্যাকুলতার কষ্ট। এ কষ্ট থেকেই মুমিন আল্লাহর দুয়ারে ক্ষমার ভিখারী হয়ে ধরনা দেয়। উত্তমরূপে ওজু করে এবং নামাজে দাঁড়িয়ে যায়। ইসতিগফারের অশ্রুতে সিক্ত হয়।

আর তখনই রাহমানুর রাহীমের ক্ষমার দরিয়ায় মৌজ ওঠে। বান্দার সব গুনাহ ধুয়ে সাফ করে দেয়।

সিদ্দীকে আকবর আবু বকর (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন- মুসলিম যখন কোনো গুনাহ করে ফেলে অতঃপর ওজু করে দুই রাকাত নামাজ আদায় করে এবং উক্ত পাপের জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা চায় তখন আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দেন।

এরপর নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ দুটি আয়াত তিলাওয়াত করেন, যে ব্যক্তি কোনো মন্দ কাজ করে ফেলে বা নিজের প্রতি জুলুম করে বসে, তারপর আল্লাহর কাছে ক্ষমা চায়, সে অবশ্যই আল্লাহকে অতি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালুই পাবে। (সুরা নিসা: ১১০)

এবং তারা সেই সকল লোক, যারা কখনও কোনো অশ্লীল কাজ করে ফেললে বা (অন্য কোনোভাবে) নিজেদের প্রতি জুলুম করলে সঙ্গে সঙ্গে আল্লাহকে স্মরণ করে এবং তার ফলশ্রুতিতে নিজেদের গুনাহের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে…। (সুরা আলে ইমরান: ১৩৫)

তথ্যসূত্র- মুসনাদে আহমাদ, হাদিস ৪৭; সহীহ ইবনে হিব্বান, হাদিস ৬২৩; মুসনাদে আবু ইয়ালা, হাদিস ১৩

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মানবসম্পদ উন্নয়নসহ বিভিন্ন খাতে জাপানের সক্রিয় সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী

যে নামাজে সব গুনাহ মাফ হয়ে যায়

আপডেট সময় ০৬:৩৯:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

মুমিন চেষ্টা করে গুনাহ থেকে বেঁচে থাকতে। কিন্তু কখনো শয়তানের ধোঁকায় পড়ে গুনাহ হয়ে যায়। তখন মুমিনের আফসোস ও আক্ষেপের শেষ থাকে না; কেন গুনাহে জড়ালাম, কেন গুনাহের পথে পা বাড়ালাম, কীভাবে পরিত্রাণ পাব এ গুনাহ থেকে।

কৃত গুনাহ তাকে কষ্টে নিপতিত করে। আর এটিই মুমিনের পরিচয়। এটিই তার ঈমানের প্রমাণ।

আবু উমামা (রা.) বলেন, এক ব্যক্তি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞেস করল, ঈমান কী আল্লাহর রাসুল! (আমি কীভাবে বুঝব আমার মাঝে ঈমান আছে?)

তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন- যখন তোমার নেক আমল তোমাকে আনন্দিত করবে এবং তোমার গুনাহ তোমাকে কষ্টে নিপতিত করবে (গুনাহের কারণে তুমি কষ্ট পেতে থাকবে)- তাহলে (বুঝবে) তুমি মুমিন। (মুসনাদে আহমাদ, হাদিস ২২১৬৬; মুসতাদরাকে হাকেম, হাদিস ৩৩)

হাঁ, মুমিনের এ কষ্ট হল গুনাহ থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য ব্যাকুলতার কষ্ট। এ কষ্ট থেকেই মুমিন আল্লাহর দুয়ারে ক্ষমার ভিখারী হয়ে ধরনা দেয়। উত্তমরূপে ওজু করে এবং নামাজে দাঁড়িয়ে যায়। ইসতিগফারের অশ্রুতে সিক্ত হয়।

আর তখনই রাহমানুর রাহীমের ক্ষমার দরিয়ায় মৌজ ওঠে। বান্দার সব গুনাহ ধুয়ে সাফ করে দেয়।

সিদ্দীকে আকবর আবু বকর (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন- মুসলিম যখন কোনো গুনাহ করে ফেলে অতঃপর ওজু করে দুই রাকাত নামাজ আদায় করে এবং উক্ত পাপের জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা চায় তখন আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দেন।

এরপর নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ দুটি আয়াত তিলাওয়াত করেন, যে ব্যক্তি কোনো মন্দ কাজ করে ফেলে বা নিজের প্রতি জুলুম করে বসে, তারপর আল্লাহর কাছে ক্ষমা চায়, সে অবশ্যই আল্লাহকে অতি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালুই পাবে। (সুরা নিসা: ১১০)

এবং তারা সেই সকল লোক, যারা কখনও কোনো অশ্লীল কাজ করে ফেললে বা (অন্য কোনোভাবে) নিজেদের প্রতি জুলুম করলে সঙ্গে সঙ্গে আল্লাহকে স্মরণ করে এবং তার ফলশ্রুতিতে নিজেদের গুনাহের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে…। (সুরা আলে ইমরান: ১৩৫)

তথ্যসূত্র- মুসনাদে আহমাদ, হাদিস ৪৭; সহীহ ইবনে হিব্বান, হাদিস ৬২৩; মুসনাদে আবু ইয়ালা, হাদিস ১৩