ঢাকা ০৯:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

সৌদির পাথুরে উটের বয়স ৮ হাজার বছর!

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

বিশাল পাথরখণ্ড। উপরে খোদাই উটের ভাস্কর্য। সৌদি আরবে সন্ধান পাওয়া গিয়েছিল এই ভাস্কর্যের। ইদানীং এগুলোকেই বিশ্বের প্রাচীনতম অ্যানিম্যাল রিলিফ বলে মনে করছেন গবেষকেরা।

গবেষকেরা সৌদি আরবের এই পাথুরে ভাস্কর্যগুলোর সন্ধান প্রথম পান ২০১৮ সালে। তখন তারা বলেছিলেন, ভাস্কর্যগুলো দু’হাজার বছরের পুরনো হতে পারে। জর্ডানের বিখ্যাত প্রাচীন নগরী পেত্রার ভাস্কর্যগুলোর সঙ্গে এগুলোর মিল থাকায় গবেষকেরা সেই ধারণা করেছিলেন।

কিন্তু নতুন একটি গবেষণায় বলা হয়েছে, সৌদি আরবের উটের ভাস্কর্যগুলি সাত-আট হাজার বছরের পুরনো। মধ্যপ্রাচ্যে শিলা কেটে বানানো বিশাল ভাস্কর্যের সন্ধান পাওয়ার বিষয়টি বিরলও।

গবেষকেরা উটের ওই ভাস্কর্য নিয়ে গবেষণা করেন। সেই গবেষণা আর্কিওলজিক্যাল সায়েন্স-এ প্রকাশিত হয়। সেখানে বলা হয়েছে, ভাস্কর্যগুলোর ক্ষয়ের ধরন, ভাস্কর্যের কাজে ব্যবহৃত জিনিসপত্রের চিহ্ন বিশ্লেষণ এবং ঘটনাস্থলে পাওয়া প্রাণীর হাড়ের নমুনা পরীক্ষা করে এগুলোর নির্মাণের সম্ভাব্য তারিখ সম্পর্কে এই ধারণা করেছেন গবেষকেরা।

গবেষণায় বলা হয়েছে, ভাস্কর্যগুলো ইংল্যান্ডের ঐতিহাসিক প্রাচীন স্থাপনা স্টোনহেঞ্জ ও মিশরের গিজার পিরামিডগুলোর চেয়েও পুরনো। স্টোনহেঞ্জ পাঁচ হাজার আর গিজার পিরামিড সাড়ে চার হাজার বছরের পুরনো বলে মনে করা হয়।

গবেষণায় বলা হয়েছে, উটের ভাস্কর্য নিয়ে গবেষণার পর দেখা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যে বিভিন্ন কাজে উটের ব্যবহার আরও আগে হয়েছে, যা ওই অঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বড় রকম প্রভাব ফেলেছে। যখন ভাস্কর্যগুলো বানানো হয়েছিল, তখন সৌদির চেহারাও ভিন্ন ছিল। সেখানে মরুভূমির চেয়ে হ্রদ ও ঘাসে-ঢাকা জমিই বেশি ছিল।

কেন এই উটের ভাস্কর্য বানানো হয়েছিল, তা স্পষ্ট নয়। গবেষকেরা মনে করেন, যাযাবর উপজাতিদের সাময়িক বিশ্রামের স্থান হিসেবে জায়গাটি ব্যবহৃত হত। হাজার হাজার বছর আগে এ রকম ভাস্কর্য বানানো কঠিন ছিল। বেশ কিছু ভাস্কর্য মাটি থেকে যথেষ্ট উঁচুতে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

সৌদির পাথুরে উটের বয়স ৮ হাজার বছর!

আপডেট সময় ১০:৩৬:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

বিশাল পাথরখণ্ড। উপরে খোদাই উটের ভাস্কর্য। সৌদি আরবে সন্ধান পাওয়া গিয়েছিল এই ভাস্কর্যের। ইদানীং এগুলোকেই বিশ্বের প্রাচীনতম অ্যানিম্যাল রিলিফ বলে মনে করছেন গবেষকেরা।

গবেষকেরা সৌদি আরবের এই পাথুরে ভাস্কর্যগুলোর সন্ধান প্রথম পান ২০১৮ সালে। তখন তারা বলেছিলেন, ভাস্কর্যগুলো দু’হাজার বছরের পুরনো হতে পারে। জর্ডানের বিখ্যাত প্রাচীন নগরী পেত্রার ভাস্কর্যগুলোর সঙ্গে এগুলোর মিল থাকায় গবেষকেরা সেই ধারণা করেছিলেন।

কিন্তু নতুন একটি গবেষণায় বলা হয়েছে, সৌদি আরবের উটের ভাস্কর্যগুলি সাত-আট হাজার বছরের পুরনো। মধ্যপ্রাচ্যে শিলা কেটে বানানো বিশাল ভাস্কর্যের সন্ধান পাওয়ার বিষয়টি বিরলও।

গবেষকেরা উটের ওই ভাস্কর্য নিয়ে গবেষণা করেন। সেই গবেষণা আর্কিওলজিক্যাল সায়েন্স-এ প্রকাশিত হয়। সেখানে বলা হয়েছে, ভাস্কর্যগুলোর ক্ষয়ের ধরন, ভাস্কর্যের কাজে ব্যবহৃত জিনিসপত্রের চিহ্ন বিশ্লেষণ এবং ঘটনাস্থলে পাওয়া প্রাণীর হাড়ের নমুনা পরীক্ষা করে এগুলোর নির্মাণের সম্ভাব্য তারিখ সম্পর্কে এই ধারণা করেছেন গবেষকেরা।

গবেষণায় বলা হয়েছে, ভাস্কর্যগুলো ইংল্যান্ডের ঐতিহাসিক প্রাচীন স্থাপনা স্টোনহেঞ্জ ও মিশরের গিজার পিরামিডগুলোর চেয়েও পুরনো। স্টোনহেঞ্জ পাঁচ হাজার আর গিজার পিরামিড সাড়ে চার হাজার বছরের পুরনো বলে মনে করা হয়।

গবেষণায় বলা হয়েছে, উটের ভাস্কর্য নিয়ে গবেষণার পর দেখা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যে বিভিন্ন কাজে উটের ব্যবহার আরও আগে হয়েছে, যা ওই অঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বড় রকম প্রভাব ফেলেছে। যখন ভাস্কর্যগুলো বানানো হয়েছিল, তখন সৌদির চেহারাও ভিন্ন ছিল। সেখানে মরুভূমির চেয়ে হ্রদ ও ঘাসে-ঢাকা জমিই বেশি ছিল।

কেন এই উটের ভাস্কর্য বানানো হয়েছিল, তা স্পষ্ট নয়। গবেষকেরা মনে করেন, যাযাবর উপজাতিদের সাময়িক বিশ্রামের স্থান হিসেবে জায়গাটি ব্যবহৃত হত। হাজার হাজার বছর আগে এ রকম ভাস্কর্য বানানো কঠিন ছিল। বেশ কিছু ভাস্কর্য মাটি থেকে যথেষ্ট উঁচুতে।