ঢাকা ০৭:৩৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হামলার লক্ষ্যবস্তু হতে পারে পুলিশের গাড়ি, দেশজুড়ে সতর্কতা জারি নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা দেশের জনগণই নির্ধারণ করবে ইরানের ভবিষ্যৎ: পেজেশকিয়ান সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়া হয়েছে, হজের বিমান ভাড়া আরও কমবে: পর্যটনমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের দায়িত্ব তারেক রহমানের হাতে ন্যস্ত করা হয়েছে : মির্জা ফখরুল জুলাই সনদ নয়, সংবিধান সংশোধনে ব্যস্ত সরকার: মাহমুদা মিতু গণতন্ত্র শক্তিশালী না হলে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নিশ্চিত হবে না আ.লীগ নেতার ছেলের লাঠির আঘাতে বিএনপি নেতার মৃত্যু গালাগালি ও হামলা দুটোই অতীতমুখী রাজনীতি: মঞ্জু মধ্যস্থতার মাধ্যমে মামলাজট কমিয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা সম্ভব: আইনমন্ত্রী

গোপালগঞ্জে রিজভীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে জড়িয়ে মিথ্যা বক্তব্য দেওয়ায় গোপালগঞ্জে দায়ের করা ১০০ কোটি টাকার মানহানির মামলায় বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া আমলী আদালতের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. শরীফুল রহমান এ আদেশ দেন।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, বিগত ২০১৮ সালের ২৩ ডিসেম্বর সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ্য করে বলেন, জামালপুরের নুরু রাজাকারের গাড়িতে জাতীয় পতাকা তুলে দেওয়ার পাশাপাশি আওয়ামী লীগে স্বাধীনতাবিরোধীরা রয়েছে।

এছাড়া মামলার বাদী সরকারি কৌঁশুলি অ্যাডভোকেট দোলেয়ার হোসেন সরদার ও তার বাবা হাসেম সরদারসহ ২৩ জনকে রাজাকার বলে উল্লেখ করেন রিজভী।

ওই সংবাদটি ২৩ ডিসেম্বর দৈনিক যুগান্তরের অনলাইন ও ২৪ ডিসেম্বর একই পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। এতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বাদী দেলোয়ার হোসেন সরদারের মানহানি হওয়ায় ২০১৯ সালের ২০ জানুয়ারি গোপালগঞ্জ আদালতে ১০০ কোটি টাকার মানহানির একটি মামলা দায়ের করেন।

এরপর মামলাটির দীর্ঘ তদন্ত শেষে সিআইডি ২০২১ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি রুহুল কবির রিজভীকে আসামি করে এবং দৈনিক যুগান্তরের প্রকাশক সালমা ইসলাম ও ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সাইফুল আলমকে অব্যাহতি দিয়ে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন। পরে ২ সেপ্টেম্বর রুহুল কবির রিজভীর বিরুদ্ধে সমন জারি করেন আদালত।

কিন্তু মঙ্গলবার মামলার ধায্য তারিখে তিনি হাজির না হওয়ায় আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

মামলার বাদী ও সরকারি কৌঁসুলি অ্যাডভোকেট দেলোয়ার হোসেন সরদার জানান, মিথ্যা তথ্য দিয়ে সংবাদ সম্মেলন করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, তার নিজের এবং তার বাবার সম্মান ক্ষুণ্ন হয়েছে। এ কারণে তিনি রিজভীর বিরুদ্ধে ১০০ কোটি টাকার মানহানির মামলা দায়ের করেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হামলার লক্ষ্যবস্তু হতে পারে পুলিশের গাড়ি, দেশজুড়ে সতর্কতা জারি

গোপালগঞ্জে রিজভীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

আপডেট সময় ০৮:১৩:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২১

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে জড়িয়ে মিথ্যা বক্তব্য দেওয়ায় গোপালগঞ্জে দায়ের করা ১০০ কোটি টাকার মানহানির মামলায় বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া আমলী আদালতের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. শরীফুল রহমান এ আদেশ দেন।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, বিগত ২০১৮ সালের ২৩ ডিসেম্বর সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ্য করে বলেন, জামালপুরের নুরু রাজাকারের গাড়িতে জাতীয় পতাকা তুলে দেওয়ার পাশাপাশি আওয়ামী লীগে স্বাধীনতাবিরোধীরা রয়েছে।

এছাড়া মামলার বাদী সরকারি কৌঁশুলি অ্যাডভোকেট দোলেয়ার হোসেন সরদার ও তার বাবা হাসেম সরদারসহ ২৩ জনকে রাজাকার বলে উল্লেখ করেন রিজভী।

ওই সংবাদটি ২৩ ডিসেম্বর দৈনিক যুগান্তরের অনলাইন ও ২৪ ডিসেম্বর একই পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। এতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বাদী দেলোয়ার হোসেন সরদারের মানহানি হওয়ায় ২০১৯ সালের ২০ জানুয়ারি গোপালগঞ্জ আদালতে ১০০ কোটি টাকার মানহানির একটি মামলা দায়ের করেন।

এরপর মামলাটির দীর্ঘ তদন্ত শেষে সিআইডি ২০২১ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি রুহুল কবির রিজভীকে আসামি করে এবং দৈনিক যুগান্তরের প্রকাশক সালমা ইসলাম ও ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সাইফুল আলমকে অব্যাহতি দিয়ে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন। পরে ২ সেপ্টেম্বর রুহুল কবির রিজভীর বিরুদ্ধে সমন জারি করেন আদালত।

কিন্তু মঙ্গলবার মামলার ধায্য তারিখে তিনি হাজির না হওয়ায় আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

মামলার বাদী ও সরকারি কৌঁসুলি অ্যাডভোকেট দেলোয়ার হোসেন সরদার জানান, মিথ্যা তথ্য দিয়ে সংবাদ সম্মেলন করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, তার নিজের এবং তার বাবার সম্মান ক্ষুণ্ন হয়েছে। এ কারণে তিনি রিজভীর বিরুদ্ধে ১০০ কোটি টাকার মানহানির মামলা দায়ের করেন।