ঢাকা ০৯:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

বাজপাখির দাম ৭৯ লাখ টাকা!

আকাশ নিউজ ডেস্ক:  

সৌদি আরবের এক নিলামে বিরল প্রজাতির একটি বাজপাখির দাম উঠেছে ৯৩ হাজার ৩৪৭ মার্কিন ডলার বা ৭৯ লাখ টাকা। যা এখন পর্যন্ত বাজপাখির জন্য কোনো সৌদি নিলামে ওঠা সর্বোচ্চ মূল্য। বাজপাখিটি সুপার হোয়াইট গিরফ্যালকন ফরখ প্রজাতির। সৌদি ফ্যালকন ক্লাব আয়োজিত ইন্টারন্যাশনাল ফ্যালকন ব্রিডার্স অকশানের অষ্টম দিনে গত রবিবার এই পাখিটি রেকর্ডসংখ্যক দামে বিক্রি হয়।

বাজপাখিটির বয়স এক বছরেরও কম। বাজপাখিটি ১৮.৫ ইঞ্চি লম্বা ও চওড়া। ওজন ১.৬ কিলোগ্রাম। এ মাসের শুরুতেই প্রায় ৬১ লাখ টাকায় বিক্রি হওয়া সৌদি প্রজননকৃত বাজপাখি রাঘওয়ানের রেকর্ড ভেঙেছে পাখিটি।

কানাডীয় প্রতিষ্ঠান জিম উইলসন ফ্যালকনসে প্রজননকৃত এই পাখির নিলাম শুরুই হয় প্রায় ৫৬ লাখ টাকায়। ৭৯ লাখ টাকায় শেষ পর্যন্ত বিক্রি হয় বিরল প্রজাতির বাজপাখিটি। তবে ক্রেতার নাম-পরিচয় প্রকাশ করেনি কর্তৃপক্ষ।

জিম উইলসন ফ্যালকনসের মুখপাত্র ফারিস আল-ফারিস বলেন, খামারটি রোববারের রেকর্ড ভাঙা পাখিটির সমান গুণের প্রায় ৩০০টি বাজপাখি প্রজনন করে প্রতি বছর। তাদের খামারটি আল-মাজায়েন প্রতিযোগিতা (বাজপাখির সৌন্দর্য প্রতিযোগিতা) এবং বাজপাখির দৌড় প্রতিযোগিতায় অন্য যেকোনো আন্তর্জাতিক খামারের তুলনায় বেশি সাফল্য অর্জন করেছে।

বাজপাখি পালন মধ্যপ্রাচ্যের এই অঞ্চলের মানুষদের খুবই প্রাচীন এক শখ। তবে সাম্প্রতিক সময়ে বাজপাখি প্রজনন কোটি কোটি ডলারের শিল্পে পরিণত হয়েছে। গতি, সৌন্দর্য ও চাতুর্যের মতো স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য এবং বংশের ওপর ভিত্তি করে রেকর্ড দামে এসব বাজপাখি বিক্রি হতে দেখা যায়।

বাজপাখি শিল্পে দুই দশকেরও বেশি অভিজ্ঞতাসম্পন্ন আবদুল্লাহ শামরুখ বলেন, প্রজননের জন্য এসব পাখি কেনা এখন একটি লাভজনক ও দীর্ঘমেয়াদী ব্যবসায় পরিণত হয়েছে। বাজপাখির বিরলতার কারণে বাজারও খুব প্রতিযোগিতামূলক হয়ে উঠেছে।

আরব নিউজকে তিনি বলেন, কেউ কেউ বিশুদ্ধ জাত পছন্দ করে, অন্যরা হাইব্রিড পছন্দ করে। প্রজনন খামারগুলোর সাফল্যের হার বাজপাখি মালিকদের মালিকানাধীন পাখির সংখ্যা শুধু বৃদ্ধিই করেনি, এটি এখন তাদের কৌশলের অংশ হয়ে গেছে। এখন বাজপাখিগুলোর বিক্রি ওদের প্রজাতি, বৈশিষ্ট্য ও উৎপত্তির ওপর অনেক বেশি নির্ভরশীল।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

বাজপাখির দাম ৭৯ লাখ টাকা!

আপডেট সময় ১০:৩২:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ অগাস্ট ২০২১

আকাশ নিউজ ডেস্ক:  

সৌদি আরবের এক নিলামে বিরল প্রজাতির একটি বাজপাখির দাম উঠেছে ৯৩ হাজার ৩৪৭ মার্কিন ডলার বা ৭৯ লাখ টাকা। যা এখন পর্যন্ত বাজপাখির জন্য কোনো সৌদি নিলামে ওঠা সর্বোচ্চ মূল্য। বাজপাখিটি সুপার হোয়াইট গিরফ্যালকন ফরখ প্রজাতির। সৌদি ফ্যালকন ক্লাব আয়োজিত ইন্টারন্যাশনাল ফ্যালকন ব্রিডার্স অকশানের অষ্টম দিনে গত রবিবার এই পাখিটি রেকর্ডসংখ্যক দামে বিক্রি হয়।

বাজপাখিটির বয়স এক বছরেরও কম। বাজপাখিটি ১৮.৫ ইঞ্চি লম্বা ও চওড়া। ওজন ১.৬ কিলোগ্রাম। এ মাসের শুরুতেই প্রায় ৬১ লাখ টাকায় বিক্রি হওয়া সৌদি প্রজননকৃত বাজপাখি রাঘওয়ানের রেকর্ড ভেঙেছে পাখিটি।

কানাডীয় প্রতিষ্ঠান জিম উইলসন ফ্যালকনসে প্রজননকৃত এই পাখির নিলাম শুরুই হয় প্রায় ৫৬ লাখ টাকায়। ৭৯ লাখ টাকায় শেষ পর্যন্ত বিক্রি হয় বিরল প্রজাতির বাজপাখিটি। তবে ক্রেতার নাম-পরিচয় প্রকাশ করেনি কর্তৃপক্ষ।

জিম উইলসন ফ্যালকনসের মুখপাত্র ফারিস আল-ফারিস বলেন, খামারটি রোববারের রেকর্ড ভাঙা পাখিটির সমান গুণের প্রায় ৩০০টি বাজপাখি প্রজনন করে প্রতি বছর। তাদের খামারটি আল-মাজায়েন প্রতিযোগিতা (বাজপাখির সৌন্দর্য প্রতিযোগিতা) এবং বাজপাখির দৌড় প্রতিযোগিতায় অন্য যেকোনো আন্তর্জাতিক খামারের তুলনায় বেশি সাফল্য অর্জন করেছে।

বাজপাখি পালন মধ্যপ্রাচ্যের এই অঞ্চলের মানুষদের খুবই প্রাচীন এক শখ। তবে সাম্প্রতিক সময়ে বাজপাখি প্রজনন কোটি কোটি ডলারের শিল্পে পরিণত হয়েছে। গতি, সৌন্দর্য ও চাতুর্যের মতো স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য এবং বংশের ওপর ভিত্তি করে রেকর্ড দামে এসব বাজপাখি বিক্রি হতে দেখা যায়।

বাজপাখি শিল্পে দুই দশকেরও বেশি অভিজ্ঞতাসম্পন্ন আবদুল্লাহ শামরুখ বলেন, প্রজননের জন্য এসব পাখি কেনা এখন একটি লাভজনক ও দীর্ঘমেয়াদী ব্যবসায় পরিণত হয়েছে। বাজপাখির বিরলতার কারণে বাজারও খুব প্রতিযোগিতামূলক হয়ে উঠেছে।

আরব নিউজকে তিনি বলেন, কেউ কেউ বিশুদ্ধ জাত পছন্দ করে, অন্যরা হাইব্রিড পছন্দ করে। প্রজনন খামারগুলোর সাফল্যের হার বাজপাখি মালিকদের মালিকানাধীন পাখির সংখ্যা শুধু বৃদ্ধিই করেনি, এটি এখন তাদের কৌশলের অংশ হয়ে গেছে। এখন বাজপাখিগুলোর বিক্রি ওদের প্রজাতি, বৈশিষ্ট্য ও উৎপত্তির ওপর অনেক বেশি নির্ভরশীল।