ঢাকা ০২:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হাসিনাকে গুম-খুন নিয়ে প্রশ্ন না করে অনেক সাংবাদিক তৈলমর্দনে ব্যস্ত ছিলেন: কাদের গনি ঢাকায় ফের ওয়াটার বাস চালুর উদ্যোগ, যুক্ত হতে পারে বেসরকারি খাত জনগণ আপনাকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত, কীভাবে আসবেন আসেন: শেখ হাসিনাকে পরওয়ার নতুন আইন কর্মকর্তাদের সততার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান অ্যাটর্নি জেনারেলের চট্টগ্রামে ডেভিড ইমনসহ ৫ আসামির ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ও বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষায় আইন প্রণয়নের উদ্যোগ ৩.৪ বিলিয়ন ডলারের সেতু নির্মাণের প্রস্তাব জাপানি প্রতিষ্ঠানের রাজধানীর কাঁঠালবাগানে পারিবারিক দ্বন্দ্বে স্ত্রী-শাশুড়িকে হত্যা পুলিশ কোনো দলের বা গোষ্ঠীর লাঠিয়াল বাহিনী নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হামলার লক্ষ্যবস্তু হতে পারে পুলিশের গাড়ি, দেশজুড়ে সতর্কতা জারি

‘মতলবি মহল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকেন্দ্রিক অস্থিরতা সৃষ্টির ষড়যন্ত্রে লিপ্ত’

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

কোমলমতি শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক শিক্ষাজীবনে ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে যখন সরকারের পক্ষ থেকে সকল ধরনের প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে তখন একটি মতলবি মহল সেটিকে নসাৎ করতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকেন্দ্রিক অস্থিরতা ও নৈরাজ্য সৃষ্টির লক্ষ্যে গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ নেতা ওবায়দুল কাদের।

রবিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন তিনি।

গত শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দাবি করে বলেন, সরকার আন্দোলন ঠেকাতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখেছে। এর জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রাণঘাতি করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সময়ে প্রয়োজনীয় বিধিনিষেধ জারি করা হয়। এরই অংশ হিসেবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ন্যায় আমাদের দেশেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার ফলে আমাদের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনে অপূরণীয় ক্ষতি হলেও তাদের এবং তাদের পরিবারের বয়োজ্যেষ্ঠদের জীবন বাঁচাতে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। এটি করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সারাবিশ্বের স্বীকৃত প্রক্রিয়ার একটি অংশ।

সেতুমন্ত্রী বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে সরকার সবসময় জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ গ্রহণ করছে। উন্নত বিশ্বের দেশগুলো যে প্রক্রিয়ায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা হচ্ছে আমাদের দেশেও সেই প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে। তবে অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম চলমান রয়েছে। শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার দিয়ে টিকা প্রদান করা হচ্ছে। এমনকি উচ্চ শিক্ষার জন্য বিদেশগামী শিক্ষার্থীদের বিশেষ ব্যবস্থাপনায় টিকা প্রদান করা হচ্ছে।

একটি মহল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ঘিরে ষড়যন্ত্র করছে দাবি করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, সরকার যখন শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক শিক্ষাজীবনে ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে সব ধরনের প্রচেষ্টা চালাচ্ছে তখন একটি মতলবি মহল এটিকে নসাৎ করার জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকেন্দ্রিক অস্থিরতা ও নৈরাজ্য সৃষ্টির লক্ষ্যে গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। বর্তমানে বিএনপির নেতাকর্মীদের আচরণ ও উস্কানিমূলক বক্তৃতা-বিবৃতি পর্যালোচনা করলেই বোঝা যায় যে, তারা দেশবিরোধী গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে চন্দ্রিমা উদ্যানে পুলিশের উপর তাদের নেতাকর্মীদের হামলা এবং মেট্রোরেলের যানবাহন ভাঙচুরের ঘটনায় যার প্রতিফলন ঘটেছে।

সেতুমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ এদেশের স্বাধীনতা, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধবিরোধী কোন ষড়যন্ত্রকে ভয় করে না। যেকোনো ষড়যন্ত্রের দাঁতভাঙা জবাব দেওয়ার রাজনৈতিক শক্তি আমাদের রয়েছে।

শেখ হাসিনা ছাত্র রাজনীতি নিয়মিত ছাত্রদের হাতে তুলে দিয়েছেন বলে জানান কাদের। বলেন, অসুস্থ ধারার ছাত্র রাজনীতির বিপরীতে দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখার চেষ্টা তিনি করেছেন।

ছাত্রসমাজ কারো স্বার্থরক্ষার পাহারাদার হবে না বলে মনে করেন কাদের। বলেন, শিক্ষা এদেশের মানুষের মৌলিক ও সাংবিধানিক অধিকার। এই অধিকার প্রতিষ্ঠায় শেখ হাসিনার সরকার সর্বদা বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করে আসছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হাসিনাকে গুম-খুন নিয়ে প্রশ্ন না করে অনেক সাংবাদিক তৈলমর্দনে ব্যস্ত ছিলেন: কাদের গনি

‘মতলবি মহল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকেন্দ্রিক অস্থিরতা সৃষ্টির ষড়যন্ত্রে লিপ্ত’

আপডেট সময় ০৬:২১:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

কোমলমতি শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক শিক্ষাজীবনে ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে যখন সরকারের পক্ষ থেকে সকল ধরনের প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে তখন একটি মতলবি মহল সেটিকে নসাৎ করতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকেন্দ্রিক অস্থিরতা ও নৈরাজ্য সৃষ্টির লক্ষ্যে গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ নেতা ওবায়দুল কাদের।

রবিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন তিনি।

গত শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দাবি করে বলেন, সরকার আন্দোলন ঠেকাতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখেছে। এর জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রাণঘাতি করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সময়ে প্রয়োজনীয় বিধিনিষেধ জারি করা হয়। এরই অংশ হিসেবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ন্যায় আমাদের দেশেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার ফলে আমাদের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনে অপূরণীয় ক্ষতি হলেও তাদের এবং তাদের পরিবারের বয়োজ্যেষ্ঠদের জীবন বাঁচাতে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। এটি করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সারাবিশ্বের স্বীকৃত প্রক্রিয়ার একটি অংশ।

সেতুমন্ত্রী বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে সরকার সবসময় জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ গ্রহণ করছে। উন্নত বিশ্বের দেশগুলো যে প্রক্রিয়ায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা হচ্ছে আমাদের দেশেও সেই প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে। তবে অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম চলমান রয়েছে। শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার দিয়ে টিকা প্রদান করা হচ্ছে। এমনকি উচ্চ শিক্ষার জন্য বিদেশগামী শিক্ষার্থীদের বিশেষ ব্যবস্থাপনায় টিকা প্রদান করা হচ্ছে।

একটি মহল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ঘিরে ষড়যন্ত্র করছে দাবি করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, সরকার যখন শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক শিক্ষাজীবনে ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে সব ধরনের প্রচেষ্টা চালাচ্ছে তখন একটি মতলবি মহল এটিকে নসাৎ করার জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকেন্দ্রিক অস্থিরতা ও নৈরাজ্য সৃষ্টির লক্ষ্যে গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। বর্তমানে বিএনপির নেতাকর্মীদের আচরণ ও উস্কানিমূলক বক্তৃতা-বিবৃতি পর্যালোচনা করলেই বোঝা যায় যে, তারা দেশবিরোধী গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে চন্দ্রিমা উদ্যানে পুলিশের উপর তাদের নেতাকর্মীদের হামলা এবং মেট্রোরেলের যানবাহন ভাঙচুরের ঘটনায় যার প্রতিফলন ঘটেছে।

সেতুমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ এদেশের স্বাধীনতা, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধবিরোধী কোন ষড়যন্ত্রকে ভয় করে না। যেকোনো ষড়যন্ত্রের দাঁতভাঙা জবাব দেওয়ার রাজনৈতিক শক্তি আমাদের রয়েছে।

শেখ হাসিনা ছাত্র রাজনীতি নিয়মিত ছাত্রদের হাতে তুলে দিয়েছেন বলে জানান কাদের। বলেন, অসুস্থ ধারার ছাত্র রাজনীতির বিপরীতে দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখার চেষ্টা তিনি করেছেন।

ছাত্রসমাজ কারো স্বার্থরক্ষার পাহারাদার হবে না বলে মনে করেন কাদের। বলেন, শিক্ষা এদেশের মানুষের মৌলিক ও সাংবিধানিক অধিকার। এই অধিকার প্রতিষ্ঠায় শেখ হাসিনার সরকার সর্বদা বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করে আসছে।