ঢাকা ০৪:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

আফগানিস্তানকে একঘরে করে রাখা হবে

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিনকেন বলেছেন, তালেবান জোরপূর্বক ক্ষমতা দখল করলে আফগানিস্তানকে ‘একঘরে’ করে রাখা হবে হবে।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এমন এক সময়ে এই কথা বললেন যখন বিদ্রোহীগোষ্ঠী তালেবান একের পর এক আফগানিস্তানের এলাকা দখল করে নিচ্ছে। তালেবান দাবি করেছে, দেশটির ৯০ শতাংশ এলাকা এখন তাদের নিয়ন্ত্রণে। যদিও আফগানিস্তানের সরকার তালেবানের দাবি অস্বীকার করছে।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন মঙ্গলবার রাতে ভারত সফরে এসেছেন। প্রধানত আফগানিস্তান পরিস্থিতি, আঞ্চলিক স্থিতি ও করোনা মোকাবিলাসংক্রান্ত বিষয়ে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার পরিধি বিস্তার নিয়ে আলোচনা করতে ভারতে এসেছেন তিনি।

ভারতে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে যুক্তরাষ্ট্রের এই পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আফগানিস্তানে যদি মানুষের অধিকারকে সম্মান দেখানো না হয়, যদি আফগানিস্তানে নিজ দেশের জনগণের ওপর হত্যাকাণ্ড চালানো হয়, তাহলে দেশটি একটি ‘জাতিচ্যুত রাষ্ট্র’ বা বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন একটি দেশ হবে।

ব্লিনকেন বলেন, তালেবান আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি চায়। তারা আফগানিস্তানের জন্য সমর্থন চায় এবং আরও চায় যে, তাদের (তালেবান) নেতারা বিশ্বে মুক্তভাবে ঘুরে বেড়াবে।

কিন্তু জোরপূর্বক দখল এবং মানবাধিকার লঙ্ঘন করে এসব অর্জন করা যাবে না। এ সময় তিনি বলেন, এসব অর্জনে একটাই পথ; সেটা হলো আলোচনার টেবিলে শান্তিপূর্ণভাবে মীমাংসায় আসা। যুক্তরাষ্ট্র আফগানিস্তানের সমস্যা সমাধানে জোর কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক সমর্থন ও নিজেদের ভিত্তি মজবুত করতে তালেবান নানা পক্ষের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। সশস্ত্র এ গোষ্ঠীর কাতারে নিজেদের রাজনৈতিক কার্যালয় রয়েছে। শান্তিপ্রক্রিয়া নিয়ে সেখানে যুক্তরাষ্ট্র ও আফগান সরকারের সঙ্গে বহুবার আলোচনা করেছে তালেবান। চলতি মাসেই ইরানে আফগান সরকারের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে আলোচনায় বসার কথা আছে তালেবানের।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

আফগানিস্তানকে একঘরে করে রাখা হবে

আপডেট সময় ১০:১০:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জুলাই ২০২১

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিনকেন বলেছেন, তালেবান জোরপূর্বক ক্ষমতা দখল করলে আফগানিস্তানকে ‘একঘরে’ করে রাখা হবে হবে।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এমন এক সময়ে এই কথা বললেন যখন বিদ্রোহীগোষ্ঠী তালেবান একের পর এক আফগানিস্তানের এলাকা দখল করে নিচ্ছে। তালেবান দাবি করেছে, দেশটির ৯০ শতাংশ এলাকা এখন তাদের নিয়ন্ত্রণে। যদিও আফগানিস্তানের সরকার তালেবানের দাবি অস্বীকার করছে।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন মঙ্গলবার রাতে ভারত সফরে এসেছেন। প্রধানত আফগানিস্তান পরিস্থিতি, আঞ্চলিক স্থিতি ও করোনা মোকাবিলাসংক্রান্ত বিষয়ে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার পরিধি বিস্তার নিয়ে আলোচনা করতে ভারতে এসেছেন তিনি।

ভারতে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে যুক্তরাষ্ট্রের এই পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আফগানিস্তানে যদি মানুষের অধিকারকে সম্মান দেখানো না হয়, যদি আফগানিস্তানে নিজ দেশের জনগণের ওপর হত্যাকাণ্ড চালানো হয়, তাহলে দেশটি একটি ‘জাতিচ্যুত রাষ্ট্র’ বা বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন একটি দেশ হবে।

ব্লিনকেন বলেন, তালেবান আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি চায়। তারা আফগানিস্তানের জন্য সমর্থন চায় এবং আরও চায় যে, তাদের (তালেবান) নেতারা বিশ্বে মুক্তভাবে ঘুরে বেড়াবে।

কিন্তু জোরপূর্বক দখল এবং মানবাধিকার লঙ্ঘন করে এসব অর্জন করা যাবে না। এ সময় তিনি বলেন, এসব অর্জনে একটাই পথ; সেটা হলো আলোচনার টেবিলে শান্তিপূর্ণভাবে মীমাংসায় আসা। যুক্তরাষ্ট্র আফগানিস্তানের সমস্যা সমাধানে জোর কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক সমর্থন ও নিজেদের ভিত্তি মজবুত করতে তালেবান নানা পক্ষের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। সশস্ত্র এ গোষ্ঠীর কাতারে নিজেদের রাজনৈতিক কার্যালয় রয়েছে। শান্তিপ্রক্রিয়া নিয়ে সেখানে যুক্তরাষ্ট্র ও আফগান সরকারের সঙ্গে বহুবার আলোচনা করেছে তালেবান। চলতি মাসেই ইরানে আফগান সরকারের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে আলোচনায় বসার কথা আছে তালেবানের।