ঢাকা ০৮:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সেজান ফুড ফ্যাক্টরির আগুনে নিহত বেড়ে ৫২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

নারায়ণগঞ্জে আগুনে পুড়ে গেছে একটি খাদ্য সামগ্রীর কারখানা। পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি গতকাল বিকালে লাগা এই আগুন। আগুনে এখন পর্যন্ত নিহত হয়েছে অন্তত ৫২ জন।

ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে এখনও কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ১৭টি ইউনিট। গতকাল বিকেলে লাগা আগুনের লেলিহান শিখার কাছে যেন অসহায় সব প্রচেষ্টা। বিশাল কারখানা ভবনের পুরোটাতেই ছড়িয়ে পড়ে আগুন।

বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টার দিকে কর্ণগোপ এলাকায় সজিব কর্পোরেশনের কার্টোন ও ফুড ইউনিটের ছয় তলা ভবনের নিচ তলায়, আগুনের সূত্রপাত। এসময় আতঙ্কে শ্রমিকরা ছুটোছুটি শুরু করে। কেউ কেউ অবস্থান নেয় ভবনের ছাদে।

ফায়ার সার্ভিস আরও জানিয়েছে, সেজান ফুড ফ্যাক্টরিত মাত্র দুইটি সিঁড়ি। এ ভবনের পিছনের দিকে যাওয়া যায় না। এছাড়া ভবনের পূর্ব ও উত্তর দিক দিয়ে ভবনে ঢোকারও কোন রাস্তা নেই। এটি আমাদের জন্য বড় প্রতিবন্ধকতা। এছাড়া আশেপাশে পানির উৎস না থাকায় আগুন নেভাতে বেগ পেতে হচ্ছে ফায়ার সার্ভিসকে।

কারখানা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সেকশনের ৫টি ফ্লোরে ওভারটাইম কাজ করছিলেন শ্রমিকেরা। তবে দুর্ঘটনার সময় ভবনটিতে কতজন ছিল তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দুই তরুণীর চুল কেটে দিল গ্রামবাসী, স্ত্রীসহ বাড়ির মালিক গ্রেফতার

সেজান ফুড ফ্যাক্টরির আগুনে নিহত বেড়ে ৫২

আপডেট সময় ০৩:০৫:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ জুলাই ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

নারায়ণগঞ্জে আগুনে পুড়ে গেছে একটি খাদ্য সামগ্রীর কারখানা। পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি গতকাল বিকালে লাগা এই আগুন। আগুনে এখন পর্যন্ত নিহত হয়েছে অন্তত ৫২ জন।

ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে এখনও কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ১৭টি ইউনিট। গতকাল বিকেলে লাগা আগুনের লেলিহান শিখার কাছে যেন অসহায় সব প্রচেষ্টা। বিশাল কারখানা ভবনের পুরোটাতেই ছড়িয়ে পড়ে আগুন।

বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টার দিকে কর্ণগোপ এলাকায় সজিব কর্পোরেশনের কার্টোন ও ফুড ইউনিটের ছয় তলা ভবনের নিচ তলায়, আগুনের সূত্রপাত। এসময় আতঙ্কে শ্রমিকরা ছুটোছুটি শুরু করে। কেউ কেউ অবস্থান নেয় ভবনের ছাদে।

ফায়ার সার্ভিস আরও জানিয়েছে, সেজান ফুড ফ্যাক্টরিত মাত্র দুইটি সিঁড়ি। এ ভবনের পিছনের দিকে যাওয়া যায় না। এছাড়া ভবনের পূর্ব ও উত্তর দিক দিয়ে ভবনে ঢোকারও কোন রাস্তা নেই। এটি আমাদের জন্য বড় প্রতিবন্ধকতা। এছাড়া আশেপাশে পানির উৎস না থাকায় আগুন নেভাতে বেগ পেতে হচ্ছে ফায়ার সার্ভিসকে।

কারখানা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সেকশনের ৫টি ফ্লোরে ওভারটাইম কাজ করছিলেন শ্রমিকেরা। তবে দুর্ঘটনার সময় ভবনটিতে কতজন ছিল তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।