আকাশ জাতীয় ডেস্ক:
জনগণের কাছে হেয়প্রতিপন্ন করার জন্য ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সাঈদ খোকনের বিরুদ্ধে অপচেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।
গত রবিবার তার ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার বিষয়টিকেও এর অংশ হিসেবেই দেখছেন সাবেক মেয়র।
সাঈদ খোকন বলেন, ‘মেয়র তাপস বিভিন্ন সময় আমাকে জনগণের কাছে হেয়প্রতিপন্ন করার জন্য নানা অপ্রচেষ্টা চালাচ্ছেন। আমি এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় আইনী পদক্ষেপ নিব।’
মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
ঢাকা দক্ষিণের সাবেক এই মেয়র বলেন, ‘আমার বাবা, আমার পরিবার সব সময় আওয়ামী লীগের জন্য ও জনগণের জন্য কাজ করে এসেছে। আমার বাবা রাজনীতির জন্য জীবন উৎসর্গ করেছেন। আমার মা সব সময় বাবাকে তার রাজনৈতিক কাজে সহযোগিতা করতেন। অথচ আমার পরিবারকে ছাড় দেওয়া হয়নি। আমার আদরের ছোটবোনকেও ছাড় দেওয়া হয়নি। আমার প্রিয়তমা স্ত্রীকেও ছাড় দেওয়া হয়নি।’
এর আগে রবিবার সাঈদ খোকনের তিনটি প্রতিষ্ঠান, স্ত্রী, মা ও বোনের মোট আটটি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের বিষয়ে আদালতের আদেশ আসে। সোমবার দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর গণমাধ্যম বলেন, ‘মামলার অনুসন্ধান স্বার্থে দুদকের উপ-পরিচালক জালাল উদ্দিন আহমেদ রবিবার সাঈদ খোকনের তিনটি প্রতিষ্ঠানের তিনটি, স্ত্রী ফারহানা আলমের দুইটি, বোন শাহানা হানিফের দুইটি ও মায়ের একটি ব্যাংক হিসাব ফ্রিজের আবেদন করে। আদালত আবেদনটি মঞ্জুর করেন।’
সংবাদ সম্মেলনে সাঈদ খোকন বলেন, বিভিন্ন সময় সাংবাদিকরা আমাকে নানা বিষয়ে প্রশ্ন করে। তাদের প্রশ্নের জবাব দিতেই আজকের সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছি।
সাবেক এই মেয়র অভিযোগ করেন, বর্তমানের ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নানা কাজে অনিয়ম চলছে। তিনি বলেন, ‘ঢাকা শহরে বিভিন্ন জায়গায় তাপসের লোকেরা স্লিপ দিয়ে দিয়ে টাকা আদায় করছে। যেটি সিটি করপোরেশনের কাজ নয়।’
সিটি করপোরেশনের কাজে অনিয়মের অভিযোগের কী প্রমাণ আছে তার কাছে? এমন প্রশ্নের জবাবে সাঈদ খোকন বলেন, ‘এটি আমার একার কথা নয়। এটা সবার কথা। সিটি করপোরেশনে আমি যেভাবে কাজ করেছি, সেটিও সবাই দেখেছে। আমার সময়ে গরিব মানুষ মারা গেলে তাদের বিনামূল্যে দাফনের ব্যবস্থা করেছি। বর্তমানে দাফনের জন্য টাকা নেওয়া হচ্ছে।’
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমি ২০২০-২০২১ সালের আয়কর রিটার্ন দাখিল করেছি।’
আকাশ নিউজ ডেস্ক 



















