ঢাকা ০৭:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

যুবকের সাথে স্ত্রী পরিচয়ে হোটেলে স্কুলছাত্রী, রক্ত দিয়ে বাঁচালেন ওসি-এসআই

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলায় দশম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে (১৬) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত যুবক শরিফুল ইসলাম নূরসহ (২৬) দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হওয়ায় ধর্ষিতাকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

রবিবার রাতে সোনাইমুড়ী বাজারের একটি আবাসিক হোটেলে এ ঘটনা ঘটে। আটককৃত শরিফুল ইসলাম নূর চাটখিল উপজেলার নোয়াপাড় গ্রামের বাসিন্দা। অপর ব্যক্তি হোটেলের ম্যানেজার।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রবিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে শরিফুল ইসলাম নূর ও ওই স্কুলছাত্রী সোনাইমুড়ী বাজারের একটি আবাসিক হোটেলে উঠে। রাত সাড়ে ৯টার দিকে ভিকটিমকে রক্তাক্ত অবস্থায় সোনাইমুড়ীর একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার শরীর থেকে প্রচুর রক্তক্ষরণ হওয়ায় রাতে সোনাইমুড়ী থানার ওসি ও একজন এসআই তাকে দুই ব্যাগ রক্ত দেন। বর্তমানে তিনি জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) সৈয়দ মো. আব্দুল আজিম জানান, ধর্ষণের শিকার ওই ছাত্রীর শরীর থেকে প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়েছে। রাত থেকে তাকে তিন ব্যাগ রক্ত দেওয়া হয়েছে। তার শারীরিক অবস্থা আগের চেয়ে এখন ভালো আছে।

সোনাইমুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. গিয়াস উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সোমবার ভোরে সোনাইমুড়ী নদনা এলাকায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত শরিফুল ইসলাম নূরকে আটক করা হয়েছে। রাতেই ওই হোটেল থেকে ম্যানেজারকে আটক করা হয়। ঘটনায় স্কুলছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

দেশে মজুত গ্যাস দিয়ে ১২ বছর পর্যন্ত চাহিদা মেটানো সম্ভব

যুবকের সাথে স্ত্রী পরিচয়ে হোটেলে স্কুলছাত্রী, রক্ত দিয়ে বাঁচালেন ওসি-এসআই

আপডেট সময় ০৫:০০:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ জুন ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলায় দশম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে (১৬) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত যুবক শরিফুল ইসলাম নূরসহ (২৬) দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হওয়ায় ধর্ষিতাকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

রবিবার রাতে সোনাইমুড়ী বাজারের একটি আবাসিক হোটেলে এ ঘটনা ঘটে। আটককৃত শরিফুল ইসলাম নূর চাটখিল উপজেলার নোয়াপাড় গ্রামের বাসিন্দা। অপর ব্যক্তি হোটেলের ম্যানেজার।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রবিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে শরিফুল ইসলাম নূর ও ওই স্কুলছাত্রী সোনাইমুড়ী বাজারের একটি আবাসিক হোটেলে উঠে। রাত সাড়ে ৯টার দিকে ভিকটিমকে রক্তাক্ত অবস্থায় সোনাইমুড়ীর একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার শরীর থেকে প্রচুর রক্তক্ষরণ হওয়ায় রাতে সোনাইমুড়ী থানার ওসি ও একজন এসআই তাকে দুই ব্যাগ রক্ত দেন। বর্তমানে তিনি জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) সৈয়দ মো. আব্দুল আজিম জানান, ধর্ষণের শিকার ওই ছাত্রীর শরীর থেকে প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়েছে। রাত থেকে তাকে তিন ব্যাগ রক্ত দেওয়া হয়েছে। তার শারীরিক অবস্থা আগের চেয়ে এখন ভালো আছে।

সোনাইমুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. গিয়াস উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সোমবার ভোরে সোনাইমুড়ী নদনা এলাকায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত শরিফুল ইসলাম নূরকে আটক করা হয়েছে। রাতেই ওই হোটেল থেকে ম্যানেজারকে আটক করা হয়। ঘটনায় স্কুলছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন।