ঢাকা ০৬:৪৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দেশে জনসন অ্যান্ড জনসনের করোনার ভ্যাকসিন অনুমোদন

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

করোনা মহামারি মোকাবিলায় দেশে জরুরি ব্যবহারের জন্য বেলজিয়ামে উৎপাদিত জনসন অ্যান্ড জনসনের করোনার ভ্যাকসিন অনুমোদন দিয়েছে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর।

মঙ্গলবার (১৫ জুন) বিকেলে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, জানসেন-ক্লিয়াগ ইন্টারন্যাশনাল এনবি, বেলজিয়াম উৎপাদিত কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন ইমার্জেন্সি ইউজ অথরাইজেশনের (ইইউএ) জন্য স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য অধিদফতরের লাইন ডিরেক্টর এমএনসি অ্যান্ড এইচ-এর মাধ্যমে ওষুধ প্রশাসনে আবেদন করা হয়।

আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর ভ্যাকসিনটির ডোসিয়ার (ক্লিনিক্যাল পার্ট, সিএমসিপার্ট ও রেগুলেটরি স্ট্যাটাস) মূল্যায়ন করে কোভিড-১৯ চিকিৎসার জন্য পাবলিক হেলথ ইমার্জেন্সির ক্ষেত্রে ওষুধ ইনভেস্টিগেশনাল ড্রাগ, ভ্যাকসিন ও মেডিক্যাল ডিভাইস মূল্যায়নের জন্য গঠিত কমিটির সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে ইইউএ দেয়।

গত ১২ মার্চ ভ্যাকসিনটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জরুরি ব্যবহারের জন্য অনুমোদন পায়। এরও আগে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর ও ১১ মার্চ ইউরোপীয় ইউনিয়ন জরুরি ব্যবহারে জানসেনের টিকার অনুমোদন দেয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, ভ্যাকসিনটি ১৮ বছর এবং তার উপরের বয়সের ব্যক্তির জন্য ব্যবহারযোগ্য। বেলজিয়ামে তৈরি ভ্যাকসিনটি এক ডোজের, এটি সরকারের ডিপ্লয়মেন্ট প্ল্যান অনুযায়ী নির্ধারিত বয়সের ব্যক্তিদের মধ্যে দেওয়া হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়। এর সংরক্ষণ তাপমাত্রা ২-৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

এ নিয়ে দেশে মোট ছয়টি টিকার অনুমোদন দেওয়া হলো।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশে জনসন অ্যান্ড জনসনের করোনার ভ্যাকসিন অনুমোদন

আপডেট সময় ০৭:০৪:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ জুন ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

করোনা মহামারি মোকাবিলায় দেশে জরুরি ব্যবহারের জন্য বেলজিয়ামে উৎপাদিত জনসন অ্যান্ড জনসনের করোনার ভ্যাকসিন অনুমোদন দিয়েছে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর।

মঙ্গলবার (১৫ জুন) বিকেলে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, জানসেন-ক্লিয়াগ ইন্টারন্যাশনাল এনবি, বেলজিয়াম উৎপাদিত কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন ইমার্জেন্সি ইউজ অথরাইজেশনের (ইইউএ) জন্য স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য অধিদফতরের লাইন ডিরেক্টর এমএনসি অ্যান্ড এইচ-এর মাধ্যমে ওষুধ প্রশাসনে আবেদন করা হয়।

আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর ভ্যাকসিনটির ডোসিয়ার (ক্লিনিক্যাল পার্ট, সিএমসিপার্ট ও রেগুলেটরি স্ট্যাটাস) মূল্যায়ন করে কোভিড-১৯ চিকিৎসার জন্য পাবলিক হেলথ ইমার্জেন্সির ক্ষেত্রে ওষুধ ইনভেস্টিগেশনাল ড্রাগ, ভ্যাকসিন ও মেডিক্যাল ডিভাইস মূল্যায়নের জন্য গঠিত কমিটির সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে ইইউএ দেয়।

গত ১২ মার্চ ভ্যাকসিনটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জরুরি ব্যবহারের জন্য অনুমোদন পায়। এরও আগে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর ও ১১ মার্চ ইউরোপীয় ইউনিয়ন জরুরি ব্যবহারে জানসেনের টিকার অনুমোদন দেয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, ভ্যাকসিনটি ১৮ বছর এবং তার উপরের বয়সের ব্যক্তির জন্য ব্যবহারযোগ্য। বেলজিয়ামে তৈরি ভ্যাকসিনটি এক ডোজের, এটি সরকারের ডিপ্লয়মেন্ট প্ল্যান অনুযায়ী নির্ধারিত বয়সের ব্যক্তিদের মধ্যে দেওয়া হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়। এর সংরক্ষণ তাপমাত্রা ২-৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

এ নিয়ে দেশে মোট ছয়টি টিকার অনুমোদন দেওয়া হলো।