ঢাকা ০৯:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তরুণ উদ্ভাবকরাই দেশের ভবিষ্যৎ: প্রধানমন্ত্রী আমরা ফ্যাসিস্ট ব্যবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছি : মির্জা ফখরুল জুলাইয়ে দেশে এলো ৩৫ হাজার ৪০০ কোটি টাকার রেমিট্যান্স মার্কিন চুক্তির মাঝেই গাজায় পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার ডাক ইসরাইলের স্বাক্ষরিত জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও গণহত্যার বিচার নিশ্চিত করবে সরকার সৌদি জোটে যোগদান ইরানকে আঘাত করা নয়: প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ১৬ বছরের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে জুলাইয়ের ভিত্তি রচিত হয় : পানিসম্পদমন্ত্রী বেনজিরকে ফেরাতে ল’ফার্ম নিয়োগ করেছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বক্তব্যের প্রতিবাদে যাত্রাবাড়ীতে বিএনপির বিক্ষোভ ডিএনসিসি প্রশাসক ও এমপির ওপর হামলার অভিযোগ

হোটেল-রেস্তোরাঁর ভ্যাট ৫ শতাংশ করার দাবি মালিক সমিতির

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেটে সব হোটেল-রেস্তোরাঁর ভ্যাট ৫ শতাংশ করার দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির নেতারা। এছাড়া তারা ভ্যাট দেওয়ার জন্য এনবিআরের আলাদা ইউনিট, রেস্তোরাঁর জন্য ওয়ান স্টপ সার্ভিস সেন্টার স্থাপন ও শিল্পের মর্যাদা চেয়েছেন।

শনিবার (১২ জুন) সংগঠনের কার্যালয়ে আয়োজিত আসছে অর্থবছরের বাজেট ঘোষণা পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে সরকারের কাছে এসব দাবি তুলে ধরেন সংগঠনের মহাসচিব ইমরান হাসান।

তিনি বলেন, চার ও পাঁচ তারকা হোটেল-রেস্তোরাঁর ভ্যাটের হার ১৫ শতাংশ, বিদেশি ফুড বিক্রির জন্য ৭ দশমিক ৫ শতাংশ, কর্মজীবী, শ্রমজীবী, দিনমজুরদের জন্য বাংলা ও স্ট্রিট ফুডের ভ্যাট ৩ থেকে ৫ শতাংশ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্যান্টিনের ভ্যাট ২ শতাংশ করার দাবি জানাচ্ছি। এ খাত থেকে ভ্যাট আদায় শতভাগ নিশ্চিত করার জন্য সব প্রকার হোটেল-রেস্তোরাঁয় ইএফডি মেশিন স্থাপন করা হোক। যদিও এখনো অনেক হোটেল-রেস্তোরাঁয় ইএফডি মেশিন স্থাপন করা হয়নি। যেসব হোটেল-রেস্তোরাঁয় ইএফডি মেশিন স্থাপন করা হয়েছে সেসব হোটেলেই মামলা হচ্ছে। একই সঙ্গে তৃতীয়পক্ষের মাধ্যমে ভ্যাট আদায়ের নামে হয়রানি বন্ধ করতে হবে। ভ্যাট আদায়ে সব প্রকার জরিমানা ও অন্যান্য সার-চার্জ বাতিলের দাবি করেন।

ইমরান হাসান বলেন, রেস্তোরাঁর স্থান/স্থাপনার ভাড়ার ভ্যাট ৩ শতাংশ করা উচিত। হোটেল-রেস্তোরাঁ চলমান রাখতে মালিকদের চলতি মূলধন হিসেবে সর্বোচ্চ ৪ শতাংশ সুদে ১০ লাখ থেকে ১ কোটি টাকা পর্যন্ত এসএমই ঋণ দিতে সরকারের কাছে অনুরোধ করেন তিনি। পচনশীল পণ্য বিক্রেতাদের ঋণ দিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের এ বিষয়ে নীতিমালা বা সার্কুলার জারি করা প্রয়োজন।

এছাড়া হোটেল-রেস্তোরাঁ খাতকে পর্যটন শিল্পের প্রধান নিয়ামক শক্তি হিসেবে শিল্পের মর্যাদা দিতে হবে। কারণ ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প কারখানা পরিচালনা করতে যেসব নিয়ম-নীতি বাস্তবায়ন করতে হয় তার চেয়ে বেশি নিয়মের মধ্যে চলে হোটেল-রেস্তোরাঁ।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে হোটেল-রেস্তোরাঁ পরিচালনার জন্য সরকারের ১৩টি সংস্থার অনুমোদন ও সেবা নিতে হয়। এসব সেবাকে একটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে দেওয়ার জন্য ওয়ান স্টপ সার্ভিস সেন্টার চালু করা দরকার।

এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন- সংগঠনের সভাপতি ওসমান গণি, নবাবী ভোজ রেস্টুরেন্টের মালিক লাবনী চৌধরী প্রমুখ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দোয়া কবুলের বিশেষ ১০ মুহূর্ত: যে সময় আল্লাহর রহমতের দরজা উন্মুক্ত থাকে

হোটেল-রেস্তোরাঁর ভ্যাট ৫ শতাংশ করার দাবি মালিক সমিতির

আপডেট সময় ১০:০৪:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ জুন ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেটে সব হোটেল-রেস্তোরাঁর ভ্যাট ৫ শতাংশ করার দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির নেতারা। এছাড়া তারা ভ্যাট দেওয়ার জন্য এনবিআরের আলাদা ইউনিট, রেস্তোরাঁর জন্য ওয়ান স্টপ সার্ভিস সেন্টার স্থাপন ও শিল্পের মর্যাদা চেয়েছেন।

শনিবার (১২ জুন) সংগঠনের কার্যালয়ে আয়োজিত আসছে অর্থবছরের বাজেট ঘোষণা পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে সরকারের কাছে এসব দাবি তুলে ধরেন সংগঠনের মহাসচিব ইমরান হাসান।

তিনি বলেন, চার ও পাঁচ তারকা হোটেল-রেস্তোরাঁর ভ্যাটের হার ১৫ শতাংশ, বিদেশি ফুড বিক্রির জন্য ৭ দশমিক ৫ শতাংশ, কর্মজীবী, শ্রমজীবী, দিনমজুরদের জন্য বাংলা ও স্ট্রিট ফুডের ভ্যাট ৩ থেকে ৫ শতাংশ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্যান্টিনের ভ্যাট ২ শতাংশ করার দাবি জানাচ্ছি। এ খাত থেকে ভ্যাট আদায় শতভাগ নিশ্চিত করার জন্য সব প্রকার হোটেল-রেস্তোরাঁয় ইএফডি মেশিন স্থাপন করা হোক। যদিও এখনো অনেক হোটেল-রেস্তোরাঁয় ইএফডি মেশিন স্থাপন করা হয়নি। যেসব হোটেল-রেস্তোরাঁয় ইএফডি মেশিন স্থাপন করা হয়েছে সেসব হোটেলেই মামলা হচ্ছে। একই সঙ্গে তৃতীয়পক্ষের মাধ্যমে ভ্যাট আদায়ের নামে হয়রানি বন্ধ করতে হবে। ভ্যাট আদায়ে সব প্রকার জরিমানা ও অন্যান্য সার-চার্জ বাতিলের দাবি করেন।

ইমরান হাসান বলেন, রেস্তোরাঁর স্থান/স্থাপনার ভাড়ার ভ্যাট ৩ শতাংশ করা উচিত। হোটেল-রেস্তোরাঁ চলমান রাখতে মালিকদের চলতি মূলধন হিসেবে সর্বোচ্চ ৪ শতাংশ সুদে ১০ লাখ থেকে ১ কোটি টাকা পর্যন্ত এসএমই ঋণ দিতে সরকারের কাছে অনুরোধ করেন তিনি। পচনশীল পণ্য বিক্রেতাদের ঋণ দিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের এ বিষয়ে নীতিমালা বা সার্কুলার জারি করা প্রয়োজন।

এছাড়া হোটেল-রেস্তোরাঁ খাতকে পর্যটন শিল্পের প্রধান নিয়ামক শক্তি হিসেবে শিল্পের মর্যাদা দিতে হবে। কারণ ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প কারখানা পরিচালনা করতে যেসব নিয়ম-নীতি বাস্তবায়ন করতে হয় তার চেয়ে বেশি নিয়মের মধ্যে চলে হোটেল-রেস্তোরাঁ।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে হোটেল-রেস্তোরাঁ পরিচালনার জন্য সরকারের ১৩টি সংস্থার অনুমোদন ও সেবা নিতে হয়। এসব সেবাকে একটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে দেওয়ার জন্য ওয়ান স্টপ সার্ভিস সেন্টার চালু করা দরকার।

এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন- সংগঠনের সভাপতি ওসমান গণি, নবাবী ভোজ রেস্টুরেন্টের মালিক লাবনী চৌধরী প্রমুখ।