ঢাকা ০৯:১৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ১৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সেনাবিরোধী বক্তব্য দেওয়ায় মিয়ানমারের জাতিসংঘ দূত বরখাস্ত

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মিয়ানমারের সেনাবাহিনীকে ক্ষমতা থেকে বিদায় করতে কঠোর পদক্ষেপের জন্য আন্তর্জাতিক মহলের প্রতি আহ্বান জানানিয়েছিলেন জাতিসংঘে নিযুক্ত মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত কিয়াও মোয়ে তুন। তার এই আহ্বানের পর তাকে বরখাস্ত করেছে মিয়ানমানের সেনা শাসকরা।

রাষ্ট্রদূত কিয়াও মোয়ে তুন জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে তার দেশে সেনাশাসনের বিরুদ্ধে আবেগঘন বক্তব্য দেন। তিনি বলেছিলেন, ‘দ্রুত সামরিক অভ্যুত্থানের অবসান ঘটাতে, নিরীহ লোকজনের ওপর নির্যাতন বন্ধে, জনগণের কাছে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা ফিরিয়ে দিতে ও গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় আন্তর্জাতিক মহলের কাছ থেকে সম্ভাব্য কঠোরতম পদক্ষেপ প্রয়োজন।’

এরপর শনিবার তাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার কথা জানানো হয় মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে। এতে বলা হয়, “তিনি দেশের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। সরকার স্বীকৃত নয় এমন একটি সংগঠনের পক্ষে বলেছেন, যারা দেশকে প্রতিনিধিত্ব করে না। তিনি রাষ্ট্রদূতের ‘ক্ষমতা ও দায়িত্বের’ অপব্যবহার করেছেন।’

মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত জাতিসংঘে বর্মিজ ভাষায় বক্তব্য শেষে তিন আঙুল উঁচিয়ে স্যালুট দেন, যা মিয়ানমারে সেনাশাসনবিরোধী চলমান আন্দোলনে জান্তা সরকারকে বিদায় করার প্রতীকী চিহ্ন হিসেবে বিক্ষোভকারীরা প্রদর্শন করছেন।

মিয়ানমার নিয়ে বিশেষ বৈঠকে কিয়াও মোয়ে তুন জাতিসংঘের সদস্যরাষ্ট্রগুলোর প্রতি তার দেশের জান্তা সরকারের বিরুদ্ধে প্রকাশ্য বিবৃতি জারি করে কঠোর ভাষায় নিন্দা জানানোরও আহ্বান জানান।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সেনাবিরোধী বক্তব্য দেওয়ায় মিয়ানমারের জাতিসংঘ দূত বরখাস্ত

আপডেট সময় ০১:১৬:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২১

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মিয়ানমারের সেনাবাহিনীকে ক্ষমতা থেকে বিদায় করতে কঠোর পদক্ষেপের জন্য আন্তর্জাতিক মহলের প্রতি আহ্বান জানানিয়েছিলেন জাতিসংঘে নিযুক্ত মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত কিয়াও মোয়ে তুন। তার এই আহ্বানের পর তাকে বরখাস্ত করেছে মিয়ানমানের সেনা শাসকরা।

রাষ্ট্রদূত কিয়াও মোয়ে তুন জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে তার দেশে সেনাশাসনের বিরুদ্ধে আবেগঘন বক্তব্য দেন। তিনি বলেছিলেন, ‘দ্রুত সামরিক অভ্যুত্থানের অবসান ঘটাতে, নিরীহ লোকজনের ওপর নির্যাতন বন্ধে, জনগণের কাছে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা ফিরিয়ে দিতে ও গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় আন্তর্জাতিক মহলের কাছ থেকে সম্ভাব্য কঠোরতম পদক্ষেপ প্রয়োজন।’

এরপর শনিবার তাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার কথা জানানো হয় মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে। এতে বলা হয়, “তিনি দেশের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। সরকার স্বীকৃত নয় এমন একটি সংগঠনের পক্ষে বলেছেন, যারা দেশকে প্রতিনিধিত্ব করে না। তিনি রাষ্ট্রদূতের ‘ক্ষমতা ও দায়িত্বের’ অপব্যবহার করেছেন।’

মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত জাতিসংঘে বর্মিজ ভাষায় বক্তব্য শেষে তিন আঙুল উঁচিয়ে স্যালুট দেন, যা মিয়ানমারে সেনাশাসনবিরোধী চলমান আন্দোলনে জান্তা সরকারকে বিদায় করার প্রতীকী চিহ্ন হিসেবে বিক্ষোভকারীরা প্রদর্শন করছেন।

মিয়ানমার নিয়ে বিশেষ বৈঠকে কিয়াও মোয়ে তুন জাতিসংঘের সদস্যরাষ্ট্রগুলোর প্রতি তার দেশের জান্তা সরকারের বিরুদ্ধে প্রকাশ্য বিবৃতি জারি করে কঠোর ভাষায় নিন্দা জানানোরও আহ্বান জানান।