ঢাকা ০৩:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গর্ভে কন্যা সন্তান ধারণ করায় গৃহবধূকে মারপিট

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

গোপালগঞ্জে গর্ভে কন্যা সন্তান ধারণ করায় শামীমা বেগম (২২) নামে ৮ মাসের অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে মারপিট করা হয়েছে। কাশিয়ানী উপজেলার ভুতপাশা গ্রামে বৃহস্পতিবার এ ঘটনা ঘটেছে। ওই গৃহবধূ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

শামীমা উপজেলার ভাটিয়া পাড়া গ্রামের আলমগীর বিশ্বাসের মেয়ে। তিনি একই উপজেলার ভুতপাশা গ্রামের সালাম শেখের ছেলে উজ্জ্বল শেখের স্ত্রী।

শমীমা অভিযোগ করেন, ৪ বছর আগে উজ্জ্বল শেখের সঙ্গে আমার বিয়ে হয়। আমাদের আনিকা (৩) নামের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। এদিকে ৮ মাস আগে আমি আবারও অন্তঃসত্বা হই। ২৬ আগস্ট উপজেলা সদরের একটি ক্লিনিকে আমার আলট্রাসনোগ্রাম করা হয়। রিপোর্টে বলা হয় আমার গর্ভে সন্তান কন্যা। এটা জানতে পেরে আমার স্বামী ও তার পরিবারের লোকজন ক্ষিপ্ত হয়। এরপর থেকে গর্ভপাত করার জন্য আমাকে চাপ দিতে থাকে। উজ্জ্বল আমাকে টাকা পয়সা, চিকিৎসা দেয়াসহ সব ধরণের সহযোগিতা ও যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়।

সে ময়মনসিংহের বাদশা টেক্সটাইল মিলে চাকরি করে। ছুটিতে বাড়ি এসে বৃহস্পতিবার সকালে আমাকে গর্ভপাত করানোর জন্য ক্লিনিকে নিয়ে যেতে চায়। আমি যেতে অস্বীকার করলে স্বামী, শ্বশুর সালম শেখ ও শাশুড়ি নিলুফা বেগম আমাকে বেধড়ক মারপিঠ করে।

অভিযুক্ত উজ্জ্বলের মোবাইল ফোনে বার বার যোগাযোগ করা হলেও কল রিসিভ করেনি।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. নুরুল আফসার বলেন, শমীমার শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ৮ মাসের অন্তঃসত্ত্বা থাকায় ওই নারী বেশি অসুস্থ্ হয়ে পড়েছেন। কাশিয়ানী থানার ওসি এ কে এম আলী নূর হোসেন বলেন, অভিযোগ পেলেই আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

রাজধানীর অপরাধপ্রবণ এলাকাগুলোতে ব্লক রেইড জোরদার

গর্ভে কন্যা সন্তান ধারণ করায় গৃহবধূকে মারপিট

আপডেট সময় ০১:৫০:০৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

গোপালগঞ্জে গর্ভে কন্যা সন্তান ধারণ করায় শামীমা বেগম (২২) নামে ৮ মাসের অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে মারপিট করা হয়েছে। কাশিয়ানী উপজেলার ভুতপাশা গ্রামে বৃহস্পতিবার এ ঘটনা ঘটেছে। ওই গৃহবধূ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

শামীমা উপজেলার ভাটিয়া পাড়া গ্রামের আলমগীর বিশ্বাসের মেয়ে। তিনি একই উপজেলার ভুতপাশা গ্রামের সালাম শেখের ছেলে উজ্জ্বল শেখের স্ত্রী।

শমীমা অভিযোগ করেন, ৪ বছর আগে উজ্জ্বল শেখের সঙ্গে আমার বিয়ে হয়। আমাদের আনিকা (৩) নামের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। এদিকে ৮ মাস আগে আমি আবারও অন্তঃসত্বা হই। ২৬ আগস্ট উপজেলা সদরের একটি ক্লিনিকে আমার আলট্রাসনোগ্রাম করা হয়। রিপোর্টে বলা হয় আমার গর্ভে সন্তান কন্যা। এটা জানতে পেরে আমার স্বামী ও তার পরিবারের লোকজন ক্ষিপ্ত হয়। এরপর থেকে গর্ভপাত করার জন্য আমাকে চাপ দিতে থাকে। উজ্জ্বল আমাকে টাকা পয়সা, চিকিৎসা দেয়াসহ সব ধরণের সহযোগিতা ও যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়।

সে ময়মনসিংহের বাদশা টেক্সটাইল মিলে চাকরি করে। ছুটিতে বাড়ি এসে বৃহস্পতিবার সকালে আমাকে গর্ভপাত করানোর জন্য ক্লিনিকে নিয়ে যেতে চায়। আমি যেতে অস্বীকার করলে স্বামী, শ্বশুর সালম শেখ ও শাশুড়ি নিলুফা বেগম আমাকে বেধড়ক মারপিঠ করে।

অভিযুক্ত উজ্জ্বলের মোবাইল ফোনে বার বার যোগাযোগ করা হলেও কল রিসিভ করেনি।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. নুরুল আফসার বলেন, শমীমার শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ৮ মাসের অন্তঃসত্ত্বা থাকায় ওই নারী বেশি অসুস্থ্ হয়ে পড়েছেন। কাশিয়ানী থানার ওসি এ কে এম আলী নূর হোসেন বলেন, অভিযোগ পেলেই আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।