ঢাকা ০১:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ২৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রচারণার মাধ্যমে হামের টিকাদান কর্মসূচিকে জনপ্রিয় করতে হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের অভিযান শেষ হয়নি: নেতানিয়াহু বেশ কয়েকটি বিষয়ে সমঝোতা, তবে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে মতপার্থক্য রয়েছে: ইরান ২১ ঘণ্টার আলোচনায়ও ইরানের সঙ্গে সমঝোতা হয়নি: ভ্যান্স কুকুর-কুমির ঘটনা তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের শাস্তির নির্দেশ প্রতিমন্ত্রী টুকুর লিখিত প্রস্তাব বিনিময় করেছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষজ্ঞরা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় টাউন হল সভা চালু থাকবে: শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ফ্যাসিস্ট সরকার দেশে ভঙ্গুর অর্থনীতি রেখে গেছে: প্রতিমন্ত্রী ‘এক-এগারোর’ মাসুদ উদ্দিন ফের ৪ দিনের রিমান্ডে কাল থেকে ৪ সিটিতে হামের টিকা শুরু, যাদের না দেয়ার পরামর্শ

স্কুলছাত্রীকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও ভিডিওচিত্র ধারণের ঘটনা ঘটেছে। উপজেলার গুয়াগাছিয়া ইউনিয়নের নতুন চরচাষী গ্রামে বৃহস্পতিবার রাতে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় শুক্রবার ওই ছাত্রীর মা দুই জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করলে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অভিযুক্তদের তিন আত্মীয়কে আটক করেছে পুলিশ। ধর্ষণের ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে বলে জানিয়েছে গজারিয়া থানা পুলিশ।

ভুক্তভোগী ছাত্রী জানায়, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বসতঘরের সামনে দাঁড়িয়ে ফোনে কথা বলার সময় স্থানীয় লিটন মিয়ার ছেলে আকাশ (১৬) ও পারভেজ হোসেনের ছেলে সালাউদ্দিন (১৭) তার মুখ চেপে ধরে বাড়ির উঠান থেকে তুলে নিয়ে পার্শ্ববর্তী সিদ্দিকুর রহমানের পরিত্যক্ত বসতভিটায় নিয়ে ধর্ষণ করে এবং ভিডিওচিত্র ধারণ করে। এসময় বাঁচতে চিৎকার করে সে, তবে পার্শ্ববর্তী বিয়ে বাড়িতে উচ্চৈঃস্বরে সাউন্ড বক্স বাজার কারণে সে শব্দ শুনতে পায়নি কেউ। ধর্ষণ শেষে তাকে সেখানেই ফেলে পালিয়ে যায় ধর্ষকরা। পরবর্তীতে তার জ্ঞান ফিরে আসলে কোনো রকমে তার বাড়িতে ফেরে।

এদিকে এ ঘটনায় গুরুতর আহত অবস্থায় ধর্ষণের শিকার ওই স্কুলছাত্রীকে হাসপাতালে নেয়ার পর বাধা দেয় অভিযুক্ত আকাশ ও সালাউদ্দিনসহ তাদের স্বজনরা। এ সময় তাদের মারধরের শিকার হন ওই ছাত্রীর মা, বড় বোন ও দুলাভাই।

ওই ছাত্রীর মা জানান, গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নেয়ার পথে ধর্ষক ও তাদের স্বজনরা তাদের ওপর হামলা চালায়। পরবর্তীতে তার বড় মেয়ে ৯৯৯-এ ফোন দিলে গজারিয়া থানা পুলিশের একটি দল তাদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

গজারিয়া থানার ওসি রইছ উদ্দিন জানান, সঙ্গবদ্ধ একটি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অভিযুক্তদের তিন আত্মীয়-স্বজনকে থানায় আনা হয়েছে। অভিযুক্তদের আটকে সর্বাত্মক চেষ্টা চলছে। শারীরিক পরীক্ষার জন্য ওই ছাত্রীকে মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হবে বলে জানান ওসি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রচারণার মাধ্যমে হামের টিকাদান কর্মসূচিকে জনপ্রিয় করতে হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্কুলছাত্রীকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণ

আপডেট সময় ০১:২৬:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও ভিডিওচিত্র ধারণের ঘটনা ঘটেছে। উপজেলার গুয়াগাছিয়া ইউনিয়নের নতুন চরচাষী গ্রামে বৃহস্পতিবার রাতে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় শুক্রবার ওই ছাত্রীর মা দুই জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করলে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অভিযুক্তদের তিন আত্মীয়কে আটক করেছে পুলিশ। ধর্ষণের ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে বলে জানিয়েছে গজারিয়া থানা পুলিশ।

ভুক্তভোগী ছাত্রী জানায়, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বসতঘরের সামনে দাঁড়িয়ে ফোনে কথা বলার সময় স্থানীয় লিটন মিয়ার ছেলে আকাশ (১৬) ও পারভেজ হোসেনের ছেলে সালাউদ্দিন (১৭) তার মুখ চেপে ধরে বাড়ির উঠান থেকে তুলে নিয়ে পার্শ্ববর্তী সিদ্দিকুর রহমানের পরিত্যক্ত বসতভিটায় নিয়ে ধর্ষণ করে এবং ভিডিওচিত্র ধারণ করে। এসময় বাঁচতে চিৎকার করে সে, তবে পার্শ্ববর্তী বিয়ে বাড়িতে উচ্চৈঃস্বরে সাউন্ড বক্স বাজার কারণে সে শব্দ শুনতে পায়নি কেউ। ধর্ষণ শেষে তাকে সেখানেই ফেলে পালিয়ে যায় ধর্ষকরা। পরবর্তীতে তার জ্ঞান ফিরে আসলে কোনো রকমে তার বাড়িতে ফেরে।

এদিকে এ ঘটনায় গুরুতর আহত অবস্থায় ধর্ষণের শিকার ওই স্কুলছাত্রীকে হাসপাতালে নেয়ার পর বাধা দেয় অভিযুক্ত আকাশ ও সালাউদ্দিনসহ তাদের স্বজনরা। এ সময় তাদের মারধরের শিকার হন ওই ছাত্রীর মা, বড় বোন ও দুলাভাই।

ওই ছাত্রীর মা জানান, গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নেয়ার পথে ধর্ষক ও তাদের স্বজনরা তাদের ওপর হামলা চালায়। পরবর্তীতে তার বড় মেয়ে ৯৯৯-এ ফোন দিলে গজারিয়া থানা পুলিশের একটি দল তাদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

গজারিয়া থানার ওসি রইছ উদ্দিন জানান, সঙ্গবদ্ধ একটি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অভিযুক্তদের তিন আত্মীয়-স্বজনকে থানায় আনা হয়েছে। অভিযুক্তদের আটকে সর্বাত্মক চেষ্টা চলছে। শারীরিক পরীক্ষার জন্য ওই ছাত্রীকে মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হবে বলে জানান ওসি।