ঢাকা ০৬:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার যেকোনো অপচেষ্টা মোকাবিলায় প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বস্তিবাসীদের জন্য উন্নত শিক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করা হবে: তারেক রহমান ইমান এনে কোনো লাভ নেই, এরা মুনাফিকি করে মানুষকে ভুল বুঝিয়ে ভোট চাচ্ছে: মির্জা ফখরুল বাড়িভাড়া কত বাড়ানো যাবে, কতদিন পর–নির্ধারণ করে দিল ঢাকা উত্তর সিটি ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা ‘ভারতের চাপে আইসিসি কোনো অযৌক্তিক শর্ত চাপিয়ে দিলে মানবো না’:আসিফ নজরুল পদ্মা সেতুর দায় পরিশোধ করতে গিয়ে চালের দাম ২০ টাকা বেড়েছে: শেখ বশির উদ্দীন ক্ষমতায় গেলে দলীয় গণ্ডি পেরিয়ে যোগ্যদের মন্ত্রী বানাবে জামায়াত: তাহের চানখারপুলে ৬ হত্যা মামলার রায় ঘোষণা পিছিয়ে ২৬ জানুয়ারি আমার পক্ষে কাজ না করায় বিএনপির উপজেলা কমিটি বাতিল করা হয়েছে: নুর

টাঙ্গাইলে শিশু অপহরণ-হত্যা মামলায় দু’জনের আমৃত্যু দণ্ড

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:   

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে এক শিশুকে অপহরণ ও হত্যা মামলায় দুই জনকে আমৃত্যু (স্বাভাবিক মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত) কারাদণ্ড ও ১ লাখ টাকা করে জরিমানা এবং অপর দুই জনকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার দুপুরে টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক খালেদা ইয়াসমিন এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডিত ব্যক্তিরা হলেন, ঘাটাইল উপজেলার রামপুর এলাকার মো. শাহজাহানের ছেলে জাহাঙ্গীর হোসেন (৩০), গোপালপুর উপজেলার কামাক্ষা বাড়ি এলাকার হিরালাল আর্য্য এর ছেলে গৌতম চন্দ্র আর্য্য (৩০) এবং অপর দুই আসামি শিশু বিধায় তাদেরকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

তারা হলেন, ঘাটাইল উপজেলার নিয়ামতপুর কাজিপুর এলাকার মো. আব্দুল হালিমের ছেলে মো. হাসান আলী (১৭) ও ভূঞাপুর উপজেলার রুহুলী পশ্চিম পাড়া এলাকার ফজলুল হকের ছেলে মো. সোহেল (১৭)।

রাষ্ট্রপক্ষের নিয়মিত আইনজীবী ছিলেন এপিপি শাহানশাহ মিন্টু। তিনি জানান, ভূঞাপুর উপজেলার রুহুলী গ্রামের মাজেদা বেগমের নাতি মাসুদ রানা সয়ন ২০১৩ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মাটিকাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যায়। পরে দণ্ডিত আসামিরা শিশু সয়নকে মোটরসাইকেলে করে অপহরণ করে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে আসামিরা শিশুটির পরিবারের কাছে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। মুক্তিপণের টাকা না পেয়ে শিশু মাসুদ রানা সয়নকে হত্যা করে।

এ ঘটনার প্রেক্ষিতে ২০১৩ সালের ৩ অক্টোবর শিশুটির নানী মাজেদা বেগম বাদী হয়ে ভূঞাপুর থানায় অজ্ঞাত নামায় একটি মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে এ মামলায় গৌতম চন্দ্র আর্য্য, হাসান আলী ও মো. সোহেল আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে।

আসামিপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন শামীম চৌধুরী দয়াল ও খুকু রানী দাস। আসামিপক্ষের আইনজীবীরা বলেন, আদালতের রায়ে আমরা সন্তুষ্ট নই। এ মামলায় আমরা উচ্চ আদালতে আপিল করবো।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার যেকোনো অপচেষ্টা মোকাবিলায় প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

টাঙ্গাইলে শিশু অপহরণ-হত্যা মামলায় দু’জনের আমৃত্যু দণ্ড

আপডেট সময় ০৪:৫৮:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:   

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে এক শিশুকে অপহরণ ও হত্যা মামলায় দুই জনকে আমৃত্যু (স্বাভাবিক মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত) কারাদণ্ড ও ১ লাখ টাকা করে জরিমানা এবং অপর দুই জনকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার দুপুরে টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক খালেদা ইয়াসমিন এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডিত ব্যক্তিরা হলেন, ঘাটাইল উপজেলার রামপুর এলাকার মো. শাহজাহানের ছেলে জাহাঙ্গীর হোসেন (৩০), গোপালপুর উপজেলার কামাক্ষা বাড়ি এলাকার হিরালাল আর্য্য এর ছেলে গৌতম চন্দ্র আর্য্য (৩০) এবং অপর দুই আসামি শিশু বিধায় তাদেরকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

তারা হলেন, ঘাটাইল উপজেলার নিয়ামতপুর কাজিপুর এলাকার মো. আব্দুল হালিমের ছেলে মো. হাসান আলী (১৭) ও ভূঞাপুর উপজেলার রুহুলী পশ্চিম পাড়া এলাকার ফজলুল হকের ছেলে মো. সোহেল (১৭)।

রাষ্ট্রপক্ষের নিয়মিত আইনজীবী ছিলেন এপিপি শাহানশাহ মিন্টু। তিনি জানান, ভূঞাপুর উপজেলার রুহুলী গ্রামের মাজেদা বেগমের নাতি মাসুদ রানা সয়ন ২০১৩ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মাটিকাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যায়। পরে দণ্ডিত আসামিরা শিশু সয়নকে মোটরসাইকেলে করে অপহরণ করে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে আসামিরা শিশুটির পরিবারের কাছে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। মুক্তিপণের টাকা না পেয়ে শিশু মাসুদ রানা সয়নকে হত্যা করে।

এ ঘটনার প্রেক্ষিতে ২০১৩ সালের ৩ অক্টোবর শিশুটির নানী মাজেদা বেগম বাদী হয়ে ভূঞাপুর থানায় অজ্ঞাত নামায় একটি মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে এ মামলায় গৌতম চন্দ্র আর্য্য, হাসান আলী ও মো. সোহেল আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে।

আসামিপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন শামীম চৌধুরী দয়াল ও খুকু রানী দাস। আসামিপক্ষের আইনজীবীরা বলেন, আদালতের রায়ে আমরা সন্তুষ্ট নই। এ মামলায় আমরা উচ্চ আদালতে আপিল করবো।