ঢাকা ০১:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

টাঙ্গাইলে শিশু অপহরণ-হত্যা মামলায় দু’জনের আমৃত্যু দণ্ড

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:   

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে এক শিশুকে অপহরণ ও হত্যা মামলায় দুই জনকে আমৃত্যু (স্বাভাবিক মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত) কারাদণ্ড ও ১ লাখ টাকা করে জরিমানা এবং অপর দুই জনকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার দুপুরে টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক খালেদা ইয়াসমিন এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডিত ব্যক্তিরা হলেন, ঘাটাইল উপজেলার রামপুর এলাকার মো. শাহজাহানের ছেলে জাহাঙ্গীর হোসেন (৩০), গোপালপুর উপজেলার কামাক্ষা বাড়ি এলাকার হিরালাল আর্য্য এর ছেলে গৌতম চন্দ্র আর্য্য (৩০) এবং অপর দুই আসামি শিশু বিধায় তাদেরকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

তারা হলেন, ঘাটাইল উপজেলার নিয়ামতপুর কাজিপুর এলাকার মো. আব্দুল হালিমের ছেলে মো. হাসান আলী (১৭) ও ভূঞাপুর উপজেলার রুহুলী পশ্চিম পাড়া এলাকার ফজলুল হকের ছেলে মো. সোহেল (১৭)।

রাষ্ট্রপক্ষের নিয়মিত আইনজীবী ছিলেন এপিপি শাহানশাহ মিন্টু। তিনি জানান, ভূঞাপুর উপজেলার রুহুলী গ্রামের মাজেদা বেগমের নাতি মাসুদ রানা সয়ন ২০১৩ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মাটিকাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যায়। পরে দণ্ডিত আসামিরা শিশু সয়নকে মোটরসাইকেলে করে অপহরণ করে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে আসামিরা শিশুটির পরিবারের কাছে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। মুক্তিপণের টাকা না পেয়ে শিশু মাসুদ রানা সয়নকে হত্যা করে।

এ ঘটনার প্রেক্ষিতে ২০১৩ সালের ৩ অক্টোবর শিশুটির নানী মাজেদা বেগম বাদী হয়ে ভূঞাপুর থানায় অজ্ঞাত নামায় একটি মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে এ মামলায় গৌতম চন্দ্র আর্য্য, হাসান আলী ও মো. সোহেল আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে।

আসামিপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন শামীম চৌধুরী দয়াল ও খুকু রানী দাস। আসামিপক্ষের আইনজীবীরা বলেন, আদালতের রায়ে আমরা সন্তুষ্ট নই। এ মামলায় আমরা উচ্চ আদালতে আপিল করবো।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

টাঙ্গাইলে শিশু অপহরণ-হত্যা মামলায় দু’জনের আমৃত্যু দণ্ড

আপডেট সময় ০৪:৫৮:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:   

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে এক শিশুকে অপহরণ ও হত্যা মামলায় দুই জনকে আমৃত্যু (স্বাভাবিক মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত) কারাদণ্ড ও ১ লাখ টাকা করে জরিমানা এবং অপর দুই জনকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার দুপুরে টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক খালেদা ইয়াসমিন এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডিত ব্যক্তিরা হলেন, ঘাটাইল উপজেলার রামপুর এলাকার মো. শাহজাহানের ছেলে জাহাঙ্গীর হোসেন (৩০), গোপালপুর উপজেলার কামাক্ষা বাড়ি এলাকার হিরালাল আর্য্য এর ছেলে গৌতম চন্দ্র আর্য্য (৩০) এবং অপর দুই আসামি শিশু বিধায় তাদেরকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

তারা হলেন, ঘাটাইল উপজেলার নিয়ামতপুর কাজিপুর এলাকার মো. আব্দুল হালিমের ছেলে মো. হাসান আলী (১৭) ও ভূঞাপুর উপজেলার রুহুলী পশ্চিম পাড়া এলাকার ফজলুল হকের ছেলে মো. সোহেল (১৭)।

রাষ্ট্রপক্ষের নিয়মিত আইনজীবী ছিলেন এপিপি শাহানশাহ মিন্টু। তিনি জানান, ভূঞাপুর উপজেলার রুহুলী গ্রামের মাজেদা বেগমের নাতি মাসুদ রানা সয়ন ২০১৩ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মাটিকাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যায়। পরে দণ্ডিত আসামিরা শিশু সয়নকে মোটরসাইকেলে করে অপহরণ করে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে আসামিরা শিশুটির পরিবারের কাছে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। মুক্তিপণের টাকা না পেয়ে শিশু মাসুদ রানা সয়নকে হত্যা করে।

এ ঘটনার প্রেক্ষিতে ২০১৩ সালের ৩ অক্টোবর শিশুটির নানী মাজেদা বেগম বাদী হয়ে ভূঞাপুর থানায় অজ্ঞাত নামায় একটি মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে এ মামলায় গৌতম চন্দ্র আর্য্য, হাসান আলী ও মো. সোহেল আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে।

আসামিপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন শামীম চৌধুরী দয়াল ও খুকু রানী দাস। আসামিপক্ষের আইনজীবীরা বলেন, আদালতের রায়ে আমরা সন্তুষ্ট নই। এ মামলায় আমরা উচ্চ আদালতে আপিল করবো।