ঢাকা ০১:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

টিকা নিরাপদ, অযথা ভয় পাওয়ার দরকার নেই, বার্তা মোদির

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

করোনার টিকা গ্রহণে হার বাড়াতে উদ্যোগ নিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বারাণসীর প্রতিষেধকপ্রাপ্ত স্বাস্থ্যকর্মীদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে কথোপকথনের মাধ্যমে গোটা দেশকেই বার্তা দেন মোদি। তিনি বলেন, বিজ্ঞানীদের সবুজ সঙ্কেত পাওয়ার পরেই প্রতিষেধক বাজারে ছাড়া হয়েছে। তাই প্রতিষেধক নিতে অযথা ভয় পাওয়ার দরকার নেই।

গত শনিবার থেকে ভারতে প্রতিদিন তিন লক্ষ মানুষকে প্রতিষেধক দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা এক দিনও ছোঁয়া যায়নি। ভারতে গত সাত দিনে টিকা নিয়েছেন মোট ১২,৭২,০৯৭ জন।

টিকা দেওয়া নিয়ে নেতিবাচক ধ্যান-ধারণা কাটানোর চেষ্টাই করেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। প্রতিষেধক নিয়েছেন, বারাণসীর এমন পাঁচ জন চিকিৎসক, মেট্রন, আশা কর্মীর সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে কথা বলেন তিনি। বিরোধীদের কিছুটা পরোক্ষ আক্রমণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “প্রতিষেধক কেন আসছে না, সেই প্রশ্ন তুলে প্রথমে চাপ দেওয়া হচ্ছিল। সরকার প্রথম থেকেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, প্রতিষেধকের ব্যাপারে বিজ্ঞানী তথা বিশেষজ্ঞদের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। তারা যা বলবেন, সেই পথেই এগোনো হবে। সেটাই করা হয়েছে।’’

করোনার প্রতিষেধক নিয়ে ভয় ও ভুল ধারণা ভেঙে বেরিয়ে আসার জন্য নিজের বক্তৃতায় স্বাস্থ্যকর্মীদের আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। পাঁচ স্বাস্থ্যকর্মীর উদাহরণ তুলে ধরে বলেন, “যখন চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা কোনও প্রতিষেধককে ক্লিনচিট দেন, তখন তা জনমানসে ইতিবাচক বার্তা পৌঁছে দেয়।”

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

টিকা নিরাপদ, অযথা ভয় পাওয়ার দরকার নেই, বার্তা মোদির

আপডেট সময় ০১:৩৪:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

করোনার টিকা গ্রহণে হার বাড়াতে উদ্যোগ নিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বারাণসীর প্রতিষেধকপ্রাপ্ত স্বাস্থ্যকর্মীদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে কথোপকথনের মাধ্যমে গোটা দেশকেই বার্তা দেন মোদি। তিনি বলেন, বিজ্ঞানীদের সবুজ সঙ্কেত পাওয়ার পরেই প্রতিষেধক বাজারে ছাড়া হয়েছে। তাই প্রতিষেধক নিতে অযথা ভয় পাওয়ার দরকার নেই।

গত শনিবার থেকে ভারতে প্রতিদিন তিন লক্ষ মানুষকে প্রতিষেধক দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা এক দিনও ছোঁয়া যায়নি। ভারতে গত সাত দিনে টিকা নিয়েছেন মোট ১২,৭২,০৯৭ জন।

টিকা দেওয়া নিয়ে নেতিবাচক ধ্যান-ধারণা কাটানোর চেষ্টাই করেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। প্রতিষেধক নিয়েছেন, বারাণসীর এমন পাঁচ জন চিকিৎসক, মেট্রন, আশা কর্মীর সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে কথা বলেন তিনি। বিরোধীদের কিছুটা পরোক্ষ আক্রমণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “প্রতিষেধক কেন আসছে না, সেই প্রশ্ন তুলে প্রথমে চাপ দেওয়া হচ্ছিল। সরকার প্রথম থেকেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, প্রতিষেধকের ব্যাপারে বিজ্ঞানী তথা বিশেষজ্ঞদের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। তারা যা বলবেন, সেই পথেই এগোনো হবে। সেটাই করা হয়েছে।’’

করোনার প্রতিষেধক নিয়ে ভয় ও ভুল ধারণা ভেঙে বেরিয়ে আসার জন্য নিজের বক্তৃতায় স্বাস্থ্যকর্মীদের আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। পাঁচ স্বাস্থ্যকর্মীর উদাহরণ তুলে ধরে বলেন, “যখন চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা কোনও প্রতিষেধককে ক্লিনচিট দেন, তখন তা জনমানসে ইতিবাচক বার্তা পৌঁছে দেয়।”