ঢাকা ০৬:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাগেরহাটে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন মামুনুল হক ক্ষমতায় গেলে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন হবে: তারেক রহমান বাংলাদেশের পরিবর্তনে গনভোটে হ্যাঁ ভোট জরুরি: সাখাওয়াত হোসেন পোস্টাল ভোট সফল করতে পারলে বাংলাদেশের নাম ওয়ার্ল্ড হিস্ট্রিতে থাকবে: সিইসি ঢাকায় ফ্ল্যাট পাচ্ছে ওসমান হাদির পরিবার ইসির আচরণ ও কর্মকাণ্ড সন্দেহজনক : রিজভী নির্বাচনের আগেই লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার করতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা ‘না’ ভোট দেওয়া মানেই স্বৈরাচারের পক্ষে দাঁড়ানো: শারমীন মুরশিদ নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার যেকোনো অপচেষ্টা মোকাবিলায় প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বস্তিবাসীদের জন্য উন্নত শিক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করা হবে: তারেক রহমান

‘কাবার গিলাফ তৈরিতে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের নির্দেশ’

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

কাবার গিলাফ ও বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণের সময় আধুনিক প্রযুক্তি ও উন্নতমানের মেশিনারিজ ব্যবহারের নির্দেশ দিয়েছেন মসজিদে হারাম ও মসজিদে নববীর জেনারেল প্রেসিডেন্সি বিভাগের প্রধান ড. আবদুর রহমান আস সুদাইস।

তিনি বলেন, মসজিদে হারাম এবং মসজিদে নববীর নির্মিত ও নির্মাণাধীন যত স্থাপনা আছে, তা আরও আকর্ষণীয় করতে আধুনিক প্রযুক্তি ও উন্নতমানের মেশিনারিজ ব্যবহার করা উচিত।

সেই সঙ্গে এই দুই মসজিদে ব্যবহৃত জিনিসগুলো দেশের ভেতর ও বাইরের জাদুঘরে প্রদর্শন করা যেতে পারে। এতে দর্শনার্থীদের আগ্রহ আরও বাড়বে বলে মতামত দিয়েছেন তিনি।

ড. সুদাইসি আরও বলেন, এক্ষেত্রে মসজিদে হারামাইন শারিফাইনের খাদেম বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ এবং প্রিন্স মুহাম্মদ বিন সালমানের সুনাম সুখ্যাতি বাড়বে। এ কাজগুলো অব্যাহতভাবে চালিয়ে যেতে পারলে দুই মসজিদে তাদের একনিষ্ঠ কাজগুলো লোকদের সামনে স্পষ্ট হবে।

কাবার গিলাফ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান বাদশাহ আবদুল আজিজ কমপ্লেক্স ইতোমধ্যেই তাদের প্রস্তুত সামগ্রীর মধ্যে ব্যাপক পরিবর্তন এনেছে।

গিলাফের কাপড় কাটা, সেলাই করার মেশিন, এসবই অত্যাধুনিক করা হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

প্রসঙ্গত, প্রত্যেক বছর ৯ জিলহজ পবিত্র কাবা শরিফের গিলাফ পরিবর্তন করা হয়ে থাকে।

কাবা শরিফে চড়ানো এ বছরের নতুন গিলাফে ৬৭০ কেজি খাঁটি রেশম, ১২০ কেজি খাঁটি স্বর্ণ এবং ১০০ কেজি রূপার সুতা ব্যবহার করা হয়েছে।

স্বর্ণের সুতা দিয়ে গিলাফের বিভিন্ন অংশে কোরআনের আয়াত লেখা হয়েছে।

জানা যায়, গিলাফে ব্যবহৃত খাঁটি রেশম আনা হয়েছে ইতালি থেকে। স্বর্ণ জার্মান থেকে। অনুমান করা হচ্ছে, কাবার নতুন গিলাফের কাজ সম্পন্ন করতে প্রায় ২২ মিলিয়ন সৌদি রিয়াল খরচ হয়েছে।

দুই শতাধিক শ্রমিক সারাবছর কাবার গিলাফ তৈরির কাজে নিয়োজিত থাকেন। গিলাফটি খুব টেকসই ও মানসম্মত উপায়ে তৈরি করা হয়। যেন রোদ-বৃষ্টিতে গিলাফ নষ্ট না হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘কাবার গিলাফ তৈরিতে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের নির্দেশ’

আপডেট সময় ০৭:০০:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২১

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

কাবার গিলাফ ও বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণের সময় আধুনিক প্রযুক্তি ও উন্নতমানের মেশিনারিজ ব্যবহারের নির্দেশ দিয়েছেন মসজিদে হারাম ও মসজিদে নববীর জেনারেল প্রেসিডেন্সি বিভাগের প্রধান ড. আবদুর রহমান আস সুদাইস।

তিনি বলেন, মসজিদে হারাম এবং মসজিদে নববীর নির্মিত ও নির্মাণাধীন যত স্থাপনা আছে, তা আরও আকর্ষণীয় করতে আধুনিক প্রযুক্তি ও উন্নতমানের মেশিনারিজ ব্যবহার করা উচিত।

সেই সঙ্গে এই দুই মসজিদে ব্যবহৃত জিনিসগুলো দেশের ভেতর ও বাইরের জাদুঘরে প্রদর্শন করা যেতে পারে। এতে দর্শনার্থীদের আগ্রহ আরও বাড়বে বলে মতামত দিয়েছেন তিনি।

ড. সুদাইসি আরও বলেন, এক্ষেত্রে মসজিদে হারামাইন শারিফাইনের খাদেম বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ এবং প্রিন্স মুহাম্মদ বিন সালমানের সুনাম সুখ্যাতি বাড়বে। এ কাজগুলো অব্যাহতভাবে চালিয়ে যেতে পারলে দুই মসজিদে তাদের একনিষ্ঠ কাজগুলো লোকদের সামনে স্পষ্ট হবে।

কাবার গিলাফ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান বাদশাহ আবদুল আজিজ কমপ্লেক্স ইতোমধ্যেই তাদের প্রস্তুত সামগ্রীর মধ্যে ব্যাপক পরিবর্তন এনেছে।

গিলাফের কাপড় কাটা, সেলাই করার মেশিন, এসবই অত্যাধুনিক করা হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

প্রসঙ্গত, প্রত্যেক বছর ৯ জিলহজ পবিত্র কাবা শরিফের গিলাফ পরিবর্তন করা হয়ে থাকে।

কাবা শরিফে চড়ানো এ বছরের নতুন গিলাফে ৬৭০ কেজি খাঁটি রেশম, ১২০ কেজি খাঁটি স্বর্ণ এবং ১০০ কেজি রূপার সুতা ব্যবহার করা হয়েছে।

স্বর্ণের সুতা দিয়ে গিলাফের বিভিন্ন অংশে কোরআনের আয়াত লেখা হয়েছে।

জানা যায়, গিলাফে ব্যবহৃত খাঁটি রেশম আনা হয়েছে ইতালি থেকে। স্বর্ণ জার্মান থেকে। অনুমান করা হচ্ছে, কাবার নতুন গিলাফের কাজ সম্পন্ন করতে প্রায় ২২ মিলিয়ন সৌদি রিয়াল খরচ হয়েছে।

দুই শতাধিক শ্রমিক সারাবছর কাবার গিলাফ তৈরির কাজে নিয়োজিত থাকেন। গিলাফটি খুব টেকসই ও মানসম্মত উপায়ে তৈরি করা হয়। যেন রোদ-বৃষ্টিতে গিলাফ নষ্ট না হয়।