ঢাকা ০২:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শ্রমিক-কর্মচারীদের কর্মবিরতিতে অচল চট্টগ্রাম বন্দর দেশে পৌঁছেছে এক লাখ ৪০ হাজার প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট পদত্যাগের পরও সরকারি বাসায় থাকা নিয়ে যা জানালেন আসিফ মাহমুদ অবশেষে ৭০ হাজার ফিলিস্তিনিকে হত্যার কথা স্বীকার করল ইসরায়েল অসৎ কাজ থেকে বিরত থেকেছি, তাই আমার বুকের জোড় বেশি: মির্জা ফখরুল নির্বাচন ও গণভোটে কঠোর নিরাপত্তায়, সারাদেশে ৩৭ হাজারের বেশি বিজিবি সদস্য মোতায়েন থাকবে ওয়ারীতে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ ৮ আর্থিক সংকটে পঙ্গু হতে চলেছে জাতিসংঘ, সতর্কবার্তা গুতেরেসের নওগাঁয় ট্রাকচাপায় প্রাণ গেল ৫ জনের ১৭ বছ‌রের গুম-খুন-কান্না, রিমান্ড অত‌্যাচার সহ্য ক‌রে‌ছি: পার্থ

দেশে এক ভয়াবহ শ্বাসরুদ্ধকর অবস্থা বিরাজ করছে : ফখরুল

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:   

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দেশে এক ভয়াবহ শ্বাসরুদ্ধকর অবস্থা বিরাজ করছে। বিরোধী কণ্ঠ, মত ও পথকে নিশ্চিহ্ন করে বেপরোয়া দেশ শাসনে জনগণের নাভিশ্বাস উঠেছে।

আজ দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী আহমেদ স্বাক্ষরিত গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি গণতন্ত্র হত্যার এক নজীরবিহীন কালো অধ্যায়। ঐ দিন নির্লজ্জ একতরফা নির্বাচন করার উদ্দেশ্যই ছিল ৭৫ এর একদলীয় বাকশাল ব্যবস্থা পুনরুজ্জীবিত করার পথে অগ্রসর হওয়া।

মির্জা ফখরুল বলেন, জনমতকে তোয়াক্কা না করে, অ্যামিকাস কিউরিদের মতামতকে উপেক্ষা করে এমনকি নিজ দলীয় সংসদ সদস্যদের মতামতকেও উপেক্ষাসহ সকল বিরোধীদলের দাবিকে অগ্রাহ্যের মাধ্যমে শুধুমাত্র এক ব্যক্তির ইচ্ছায় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়। স্ববিরোধীতার এক নিকৃষ্ট উদাহরণ হচ্ছে সরকারি দল আওয়ামী লীগ। যারা জ্বালাও-পোড়াওয়ের মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার জন্য আন্দোলন করেছিল, তারাই আজীবন ক্ষমতায় থাকার লালসায় সেই ব্যবস্থাটি সংবিধান থেকে মুছে দেয়। আর এটি করতে গিয়ে রক্তের অজস্র স্রোতধারায় অর্জিত গণতন্ত্রকে সমাহিত করতে বাংলাদেশের বহুদলীয় বহুমাত্রিক পরিচয়কে মুছে দেয় তারা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশে এক ভয়াবহ শ্বাসরুদ্ধকর অবস্থা বিরাজ করছে : ফখরুল

আপডেট সময় ০৬:০৭:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ জানুয়ারী ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:   

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দেশে এক ভয়াবহ শ্বাসরুদ্ধকর অবস্থা বিরাজ করছে। বিরোধী কণ্ঠ, মত ও পথকে নিশ্চিহ্ন করে বেপরোয়া দেশ শাসনে জনগণের নাভিশ্বাস উঠেছে।

আজ দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী আহমেদ স্বাক্ষরিত গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি গণতন্ত্র হত্যার এক নজীরবিহীন কালো অধ্যায়। ঐ দিন নির্লজ্জ একতরফা নির্বাচন করার উদ্দেশ্যই ছিল ৭৫ এর একদলীয় বাকশাল ব্যবস্থা পুনরুজ্জীবিত করার পথে অগ্রসর হওয়া।

মির্জা ফখরুল বলেন, জনমতকে তোয়াক্কা না করে, অ্যামিকাস কিউরিদের মতামতকে উপেক্ষা করে এমনকি নিজ দলীয় সংসদ সদস্যদের মতামতকেও উপেক্ষাসহ সকল বিরোধীদলের দাবিকে অগ্রাহ্যের মাধ্যমে শুধুমাত্র এক ব্যক্তির ইচ্ছায় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়। স্ববিরোধীতার এক নিকৃষ্ট উদাহরণ হচ্ছে সরকারি দল আওয়ামী লীগ। যারা জ্বালাও-পোড়াওয়ের মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার জন্য আন্দোলন করেছিল, তারাই আজীবন ক্ষমতায় থাকার লালসায় সেই ব্যবস্থাটি সংবিধান থেকে মুছে দেয়। আর এটি করতে গিয়ে রক্তের অজস্র স্রোতধারায় অর্জিত গণতন্ত্রকে সমাহিত করতে বাংলাদেশের বহুদলীয় বহুমাত্রিক পরিচয়কে মুছে দেয় তারা।